সর্বশেষ আপডেট : ৩৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মঙ্গল শোভাযাত্রা নিয়ে যা বললেন মুফতি ফয়জুল্লাহ…

139714_1নিউজ ডেস্ক:
ইসলামী ঐক্যজোটের একাংশের মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ বলেছেন, শয়তান মানবতার চিরশত্রু। শয়তানী চক্রান্তের ফাঁদ হয় বিচিত্র। শয়তান ও শয়তানের চেলাদের চূড়ান্ত টার্গেট হচ্ছে, বিভিন্ন কৌশলে মুমিনকে মুশরিক বানিয়ে, মুসলমানদের ঈমান ও চরিত্র ধ্বংস করে, তাদেরকে জাহান্নামের পথে ধাবিত করা। এই শয়তানি চক্রের অন্যতম ফাঁদ হচ্ছে নতুন আঙ্গিকে, অন্য মাত্রায় পরিচালিত কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রা।

সোমবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আরো বলেন, কথিত মঙ্গল শোভাযাত্রা নামের এই যাত্রায় মহান আল্লাহর সাথে বিদ্রোহ করে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে পেঁচার মূর্তি বহন করা হয়।
বিজ্ঞপ্তেতে বলা হয়, হিন্দু মত অনুযায়ী তাদের এক দেবতার নাম ছিল বিষ্ণু দেবতা। যার পত্নী হচ্ছে লক্ষ্মীদেবী। তাদের পাঁচ কন্যা বিশ্বাস করতো, সমস্ত মঙ্গলের মালিক হচ্ছে লক্ষ্মী দেবী। যার বাহন হলো ‘পেঁচা’। শয়তানী চক্র বিচিত্র উপায়ে বিভিন্ন দেব-দেবীর মূর্তির সাথে এই পেঁচার মূর্তিটিও ঢুকিয়ে দেয় মঙ্গল শোভাযাত্রা নামের আল্লাহ বিরোধী মিছিলে।

তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, পেঁচা কি বাংলায় কথা বলে? পেঁচা কি পান্তা ইলিশ খায়? পেঁচার সাথে মুসলমানদের কী সম্পর্ক? পেঁচার কি সম্পর্ক বাংলদেশ এবং আমাদের সংস্কৃতির সাথে?

মুফতি ফয়জুল্লাহ আরো বলেন, মুসলমান সূর্য পূজারীদের মত সূর্য উঠার অপেক্ষায় থাকতে পারে না। আমাদের ইবাদত যেন সূর্য পূজারীদের সাথে মিলে না যায় সে জন্য মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূর্য উঠা আর ডুবার সময় নামাজ পড়তেও নিষেধ করেছেন। তাই একজন ঈমানদার প্রত্যুষে ফজরের নামাজ বাদ দিয়ে সূর্য উঠার সাথে সাথে সূর্য পুজারীদের সাদৃশ্য পূজার মত করে শিরক যুক্ত ‘অগ্নিস্মানে সুচি হোক ধর’ গান গেয়ে উঠতে পারে না। (অর্থাৎ আগুনে গোসল দিয়ে গোটা জগত পবিত্র হোক।) হিন্দু সম্প্রদায়ের মতে, আগুন পবিত্র করার ক্ষমতা রাখে। এ বিশ্বাস থেকে তারা মৃত্যুর পর আগুনে পুড়িয়ে তাদের লাশ পবিত্র করে!)

মহাসচিব বলেন, শাখা সিঁদুর, পর নারী- পর পুরুষের অবাধ মেলামেশা, পর নারী পর পুরুষকে উল্কি এঁকে দেয়া এবং পর পুরুষ পর নারীকে উল্কি এঁকে দেয়াসহ অনেক অনৈসলামিক কাজ করা হয় প্রকাশ্যে,লাগামহীনভাবে। অর্থের অপচয় হচ্ছে , গরীব জনগোষ্ঠীর সাথে উপহাস করা হচ্ছে। এই প্রকশ্যে পাপাচার চলতে পারে না। সরকারকে এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করে ইসলাম বিরোধী এসব অপকর্ম সরকারকেই বন্ধ করতে হবে।

সোমবার বাদ জোহর লালবাগস্থ কার্যালয়ে নড়াইল জেলা নেতা মাওলানা মাহবুবুর রহমান এবং নোয়াখালী জেলা নেতা মুফতী হাশেম আনোয়ানের নেতৃত্বে আগত উলামা ও সুধীদের উদ্দেশ্যে মুফতী ফয়জুল্লাহ বলেন, উম্মতের সচেতন কাণ্ডারী ওলামায়ে কেরামের সামনে আজ বিশাল দায়িত্ব,অপরিহার্য কর্তব্য হচ্ছে উম্মতকে শিরক থেকে বাঁচানো। উম্মাহকে বাঁচাতে হবে জাহান্নামের বেদনাদায়ক আজাব থেকে সিরাতুল মুস্তাকীমে, জান্নাতের পথে রাখতে হবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: