সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মাধবপুরে তেলিয়াপাড়া রেল ষ্টেশনে উন্নয়নের ছোঁয়া বারবার হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে…

Untitled-1 copyনিজস্ব সংবাদদাতা::
মাধবপুরে অবহেলিত তেলিয়াপাড়া রেলষ্টেশনের উন্নয়নের ছোঁয়া যেন বারবার হাতছানি দিয়ে যাচ্ছে। মন্ত্রী, এমপিদের নজরে থাকা সত্ত্বেও অবৈধ দোকান মালিকদের কারণে রেল-ষ্টেশনটি উন্নয়নে ব্যাগাত ঘটছে। যাদের কারনে রেল ষ্টেশনটি বি.ক্লাসে রুপান্তর হতে পারছে না, তারা ষ্টেশনের দুই পাশে রেলওয়ের বিশাল সম্পত্তি নামে মাত্র ভোগ দখলে বিলাসিতায় জীবন-জাপন করছে।

সম্প্রতি এক জরিপে দেখা গেছে রেল ষ্টেশনের দুই পাশে অবৈধ দোকান ঘর ৬মাসের ভেতরে যে কোন সময় উচ্ছেধ অভিযানে নামতে পারে রেল কতৃপক্ষ। বাংলাদেশ রেল কতৃপক্ষের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। সুত্র মতে, বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা সিলেট রেলপথ চার লেনে হওয়ার কথা রয়েছে, এ বিষয়ে মন্ত্রনালয়ে একটি বিল পাশ হয়েছে।

যদিও ২০২২ সালে রেলওয়ের কাজ চলে কিন্তু তার অনেক আগেই মুক্তিযুদ্ধে স্মৃতি বিজড়িত ঐতিহাসিক তেলিয়াপাড়া রেলষ্টেনের উন্নয়নমূলক কাজ হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এবিষয়ে অনেকের মনে ভ্রান্ত ধারনা বিরাজ করছে।

সূত্রে জানা যায়, রেল ষ্টেশনটি চালু হওয়ার ১০৭ বছর পরও যাত্রীদের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত হয়নি। ফলে শত শত যাত্রীকে চরম দূর্ভোগের মধ্যে দিয়ে এ ষ্টেশন থেকে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করতে হচ্ছে। ষ্টেশনে গিয়ে দেখা গেছে মাষ্টার না থাকাতে ষ্টেশন ঘরটি তালা বন্ধ অবস্থায় রয়েছে। ষ্টেশনে নেই কোন বিশ্রামাগার ও শৌচাগারের ব্যবস্থা। এই ষ্টেশন দিয়ে ২৭ টি গ্রাম ও তেলিয়াপাড়া, সুরমা চা বাগানের যাত্রীরা যাতায়াত করে। মোঃ আমির নামে এক যাত্রী জানান ষ্টেশনটিতে যাত্রীদের জন্য কোন সুযোগ সুবিধা নেই। এমন কি এই ষ্টেশনটিতে একজন বুকিং মাষ্টারও নেই। যাত্রী মর্জিনা বেগম জানান, এটা কেমন ষ্টেশন? মহিলাদের জন্য কোন শৌচাগার ও বিশ্রামাগার নেই ।

তেলিয়াপাড়া ষ্টেশন বাজারের ব্যাবসায়ীরা জানান, ২০১১ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী এনামূল হক মোস্তফা শহীদ তেলিয়াপাড়া ষ্টেশন বাজারে এক মহা সমাবেশে এলাকার জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন অচিরেই তেলিয়াপাড়া রেল ষ্টেশনটি বি,ক্লাসে রুপান্তর করা হবে ।

কিন্তু আজও তিনি বেচে নেই। ষ্টেশনটি বি,ক্লাসে রুপান্তর হয়নি। যদিও তিনি দেখে যেতে পারলেন না। নাম না জানা শর্তে এক মুক্তিযোদ্ধা এ প্রতিনিধিকে জানান, ১৯৭১ সালে তেলিয়াপাড়ার গুরুত্ব ছিল অপরিসীম । এখান থেকে মুক্তি বাহিনীর বড় প্রশিক্ষণ ক্যাম্প গড়ে ওঠে । মুক্তি যুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত এই স্থানটিকে দর্শনার্থীদের জন্য আরও আকর্ষনীয় করে তুলতে রেল ষ্টেশনটি বি.ক্লাসে রুপান্তর করা জরুরী ।

বর্তমানে ষ্টেশনটিতে কুশিয়ারা ও বাল্লা লোকাল ট্রেন যাতায়াত করে। জানাযায় ষ্টেশনটি বি.শ্রেণীর মালামাল বুকিং এর জন্য নির্মাণ করা হয়েছিল।

আখাউড়া-শায়েস্থাগঞ্জের জংশনের মধ্যবর্তী স্থানে তেলিয়াপাড়া রেল ষ্টেশনটি । তার দু‘ পাশে দুটি চা বাগানসহ সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের বিষেশ একটি অংশ, ১টি উচ্চ বিদ্যালয় ,১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি মাদ্রাসা ও ১টি কৃষি ব্যাংকসহ গুরুত্বপূর্ন অসংখ্য স্থাপনা রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: