সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কমলগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে ৩ শিক্ষকের হাতাহাতি : দুই কলেজে শিক্ষকদের মধ্যে উত্তেজনা

01.-daily-sylhet-sylhet-education-board-logoকমলগঞ্জ থেকে নিজস্ব সংবাদদাতা::
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার ইংরেজী ২য় পত্র চলাকালীন আজ দুপুর ২টায় কমলগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে কেন্দ্রে প্রশ্ন পত্র বিতরণকে কেন্দ্র করে বিএএফ শাহীন কলেজ ও সজা মোমোরিয়াল কলেজের তিন শিক্ষককের মধ্যে হল রুমে প্রকাশ্যে হাতাহাতি ও শারীরিক লাঞ্চিত হবার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জের দুই কলেজের ছাত্রদের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের হস্তক্ষেপে চেয়ে কেন্দ্র সচিব বিষয়টি সমাধানের আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি কিছুটা প্রশমিত হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (সাড়ে ৭টায়) দুটি কলেজ শিক্ষকদের নিয়ে বৈঠক চলছে।

শমশেরনগর সুজা মেমোরিয়াল কলেজ অধ্যক্ষ ম. মুর্শেদুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রোববার বেলা দুইটায় কমলগঞ্জ গণ মহাবিদ্যালয় কেন্দ্রে ইংরেজী দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা শুরু হয়। এতে এক বিষয়ে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া পুরাতন ছাত্রের জন্য প্রশ্নপত্র বন্টন করতে যান কেন্দ্র হল সুপার শমশেরনগর বি এ এফ শাহীন কলেজের শিক্ষক মিছবাউর রহমান। পুরাতন ছাত্রের কক্ষে পর্যবেক্ষক সুজা মেমোরিয়াল কলেজের ইতিহাস বিভাগের সিনিয়র শিক্ষক মানিক উদ্দীন ও একই কলেজের যুক্তিবিদ্যার সিনিয়র শিক্ষক মুহিবুর রহমান আগে প্রশ্নপত্র গুনে দেখতে অনুরোধ করেন। এ অনুরোধ না রেখে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে উল্টো সিনিয়র শিক্ষকদের ধমকি দেন। পরে গুনে দেখা যায় কক্ষের ছাত্রের তুলনায় প্রশ্নপত্র কম।

এ নিয়ে সুজা মেমোরিয়াল কলেজ শিক্ষকদের সাথে বি এ এফ শাহীন কলেজের শিক্ষক মিছবাউর রহমানের তর্ক বিতর্ক লিপ্ত হন। এক পর্যায়ে তিন শিক্ষক হাতাহাতি শুরু করলে পার্শ্ববর্তী হলের শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব ছুটে আসেন। ঘটনাটি উভয় কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রদের মধ্যে জানাজানি হলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। উত্তেজনা নিরসন করতে কেন্দ্র সচিব কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ অতিরিক্ত পুলিশ তলব করেন এবং পরীক্ষা শেষে উভয় কলেজ শিক্ষকদের নিয়ে সামাজিক বৈঠক করে সমাধানের উদ্যোগ নিলেও বিএএফ শাহীন কলেজ শিক্ষকের অসহযোগিতার কারণে সমাধানের উদ্যোগ ব্যর্থ হয়েছে।

সুজা মেমোরিয়াল কলেজের শিক্ষক মানিক উদ্দীন ও মুহিবুর রহমান বলেন, তারা দুইজনই সিনিয়র শিক্ষক। তবে বি এ এফ শাহীন কলেজের মিছবাউর রহমান জুনিয়র শিক্ষক হয়ে তাদের সাথে অসদাচরণ করেছেন। বিষয়টি নিরসনে কেন্দ্র সচিবের উদ্যোগে তারা সাড়া দিলেও বি এ এফ শাহীন কলেজের শিক্ষকের অসহযোগিতায় সমাধান হয়নি।

এ ব্যাপারে বি এ এফ শাহীন কলেজের শিক্ষক মিছবাউর রহমান সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ফোনে পাওয়া যায়নি।

কমলগঞ্জ গণমহাবিদ্যালয় কেন্দ্র সচিব কমলগঞ্জ গণ-মহাবিদ্যালয় অধ্যক্ষ কামরুজ্জামান মিঞা এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি লজ্জাস্কর। তারপরও তিনি সমাধানে উদ্যোগ নিলেও বি এ এফ শাহীন কলেজের ওই শিক্ষক কোন সমাধানে যেতে রাজি হননি। উত্তেজিত হয়ে পরবর্তীতে দেখা হবে বলে বি এ এফ শাহীন কলেজের শিক্ষক কেন্দ্র ত্যাগ করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাটি নিয়ে উভয় কলেজের শিক্ষকরা পৃথক পৃথকভাবে বৈঠকে বসেছেন।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: