সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বালাগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে কৃষকরা অসহায়!

01. daily sylhet Biddut bimrrat news sylhetশামীম আহমদ. বালাগঞ্জ:
বালাগঞ্জে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কবলে পড়েছেন উপজেলাবাসী। একটানা লোডশেডিংয়ের কারনে দিনের বেলা অধিকাংশ সময় বিদ্যুৎ সুবিধা না পেয়ে বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। কয়েক দফা বিদ্যুতের মুল্য (ইউনিট) বৃদ্ধি করা হয়েছে। আর বিদ্যুতের এমন আসা যাওয়ার খেলায় গ্রাহকদেরকে প্রতি মাসে ভুতড়ে বিল গুনতে হচ্ছে। স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগ সুত্রে জানা গেছে- সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর আওতাধীন কাশিকাপন জোনাল অফিস ও ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিদ্যুৎ (৯০ মেঘাওয়াট) কেন্দ্র থেকে বালাগঞ্জ উপজেলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। এর মধ্যে বালাগঞ্জ উপজেলার তিন ভাগের এক ভাগ এলাকার গ্রাহকদেরকে কাশিকাপন জোনাল অফিসের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়। আর বালাগঞ্জ উপজেলা সদর সহ উপজেলার দুই ভাগ অংশের গ্রাহকদেরকে বালাগঞ্জের নিকটবর্তী উপজেলা ফেঞ্চুগঞ্জ থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়ে থাকে।

এদিকে দুই-তিন মাস পর-পরই বিদ্যুতের মজুদ ঘাটতি ও অন্যান্য সমস্যা দেখিয়ে ফেঞ্চুগঞ্জ বিদ্যুৎ অফিসের সাথে সংযুক্ত থাকা বালাগঞ্জ অংশের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে কাশিকাপন জোনাল অফিসের সাথে সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু কাশিকাপন জোনাল অফিসের তত্ত্ববধানে যে এরিয়া রয়েছে সেসব এরিয়ায় চাহিদা অনুযায়ী গ্রাহকদেরকে একটানা বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছেনা। এর মধ্যে আবার বালাগঞ্জের বিশাল অংশ কাশিকাপন জোনাল অফিসের সাথে যুক্ত করার সাথে-সাথেই ঘন্টার পর ঘন্টা লোডশেডিং করা হয়। ফলে উপজেলা সদর সহ উপজেলাবাসীকে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের অফিস পাড়ায় সরকারী পদস্থ কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে সরকারী অনুষ্টান চলাকালীন সময়েও প্রায় সময় বিদ্যুতের দেখা মিলেনা। বিদ্যুৎ সমস্যায় দৈনন্দিন কাজকর্মে ব্যাঘাত ঘটায় খোদ প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিরা ক্ষোব্ধ রয়েছেন।

ফেঞ্চুগঞ্জে সরকারী ও বেসরকারী কয়েকটি কেন্দ্রে উৎপাদিত বিদ্যুত জাতীয় গ্রীডে যাচ্ছে। কিন্তু বাতির নিচে অন্ধকারের মত রয়েছেন বালাগঞ্জ উপজেলাবাসী। বরাবরের মতই অসহনীয় লোডশেডিং আর বিদ্যুতের ভেলকিবাজিতে বালাগঞ্জবাসীর জনজীবন অতিষ্ট হয়ে উঠেছে। আর বালাগঞ্জ ও ফেঞ্চুগঞ্জ এই দুই উপজেলায় স্থাপিত দু’টি বিদ্যুৎ অফিসের মধ্যে এরিয়াগত ঠেলাঠেলির কারনেই বালাগঞ্জবাসী মাসের পর মাস অন্ধকারে কাটাচ্ছেন। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষের কাছে একাধিক বার অভিযোগ দিয়েও কোন কাজ হচ্ছেনা। জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তরাও এ বিষয়ে কার্যকর কোন উদ্যোগ নিচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। কৃষক ও কৃষানিরা অভিযোগ করে বলেন-অতি বৃষ্টির কারনে হাওরের কাচা ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। যে পারমান ফসল বাড়ীতে আনা হয়েছে তাও এখ নষ্ট হয়ে যাবে। দিনের বেলা বিদ্যুতের সুবিধা না পাওয়ায় বৈদ্যুতিক পাখা দিয়ে ধান থেকে খড়ের করা গুলো আলাদা করা যাচ্ছেনা। স্থানীয় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা জানান-লোডশেডিংয়ের মাত্রা আরও কিছু দিন অব্যাহত থাকবে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: