সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘মতিয়া এসেছ, ভয় পেয়ো না’

full_147345143_1460199155ডেইলি সিলেট ডেস্ক:
‘মতিয়া এসেছ, ভয় পেয়ো না’- ১৯৬৭ সালের জুন মাসে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জেলারের কক্ষে বসে যখন হাতের চুড়ি, ঘড়ি জমা দিচ্ছি- অন্যান্য তথ্য কারা কর্তৃপক্ষকে জানাচ্ছি, ঠিক তখনই পেছন থেকে মাথায় হাত রেখে এমন বরাভয় যিনি দিলেন তিনি বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতে পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসনের ঐতিহাসিক কর্মসূচি ৬ দফা প্রদানের কিছুদিন পরেই তাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়। এরপর ৭ জুন পালিত হয় শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিতে হরতাল, যাতে জনসমর্থন ছিল অভাবনীয়। তখন পাকিস্তানের ক্ষমতায় আইয়ুব খান, তার একনিষ্ঠ সমর্থক মোনায়েম খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর। মোনায়েম খান ঘোষণা দিয়েছিলেন- তিনি যতদিন গভর্নর, শেখ মুজিবুর রহমানকে জেলের বাইরে আসতে দেওয়া হবে না। ৬ দফা প্রদানের কিছুদিন আগে ১৯৬৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যুদ্ধ হয়। সে সময়ে পাকিস্তানে জরুরি আইনের পাশাপাশি জারি হয় কুখ্যাত দেশরক্ষা আইন, যা ডিপিআর নামে পরিচিত ছিল। আমাকে এ আইনে গ্রেফতার করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদসহ আরও অনেক নেতাও তখন কারাগারে। আমাকে গ্রেফতারের দিন তার ‘দেখা’ ছিল। জেলগেটের বিশেষ কক্ষে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা শেষ হওয়ার পর তিনি যখন জানতে পারেন আমাকে গ্রেফতার করে আনা হয়েছে তিনি সোজা জেলারের কক্ষে প্রবেশ করেন এবং আমাকে চমকে দিয়ে অভয় দিলেন- ভয় নেই। ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আমার অবস্থানের সঙ্গে এ এক অবিস্মরণীয় স্মৃতি জড়িয়ে আছে। প্রায় ৫০ বছর হয়ে গেল- এখনও সেই বিকেলের স্মৃতি মনে করে অশ্রুসিক্ত হই। কারাগার বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক জীবনের অপরিহার্য অংশে পরিণত হয়েছিল। ব্রিটিশ আমলে ছাত্রাবস্থায় তিনি গ্রেফতার হন। পাকিস্তান আমলে প্রথম জেলে যান ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারিও তিনি জেলে। ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার ভেঙে দিয়ে ৯২-ক ধারা জারির পর তিনি জেলে, ১৯৫৮ সালে পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির পরও জেলে। প্রথমবার জেলে নেওয়া হয় ১৯৬৪ সালে, বিয়ের মাত্র ২৯ দিন পর। ১৯৬৭ সালে আমার দ্বিতীয় কারাজীবনের শুরুতে তার দেখা পাই। এ দফায় মুক্তির দিনটি আসে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। একই দিনে কুখ্যাত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বাতিল হয়, শেখ মুজিবুর রহমান মুক্ত হয়ে বাঙালির হৃদয়ে চিরঅম্লান বঙ্গবন্ধু হিসেবে। একই দিনে মুক্ত হন কমিউনিস্ট নেতা মণি সিংহসহ আরও অনেক নেতা। কেউ কেউ একটানা জেলে ছিলেন প্রায় এক দশক।

কাকতালীয় যে স্বাধীন বাংলাদেশে আমার প্রথম জেল জীবনের শুরুর সঙ্গেও বঙ্গবন্ধু জড়িয়ে ছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তাকে হত্যা করা হয়। এর প্রতিবাদে ১৯৭৫ সালের ৪ নভেম্বর বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বর সড়কের বাসভবনে যে শোক মিছিল গিয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলা থেকে তার অন্যতম সংগঠক হিসেবে সাজেদা আপা এবং আরও অনেকের সঙ্গে আমি কাজ করেছি। পরদিন ৫ নভেম্বর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চারনেতাকে হত্যার প্রতিবাদে যে হরতাল সংগঠিত হয় তা সফল করায় আমি ভূমিকা রাখি। ৭ নভেম্বর জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন। শিখণ্ডী হিসেবে রাখেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েমকে; কিন্তু ক্ষমতার একচ্ছত্র অধিকারী তিনিই। আমার সঙ্গে সে সময়ে আরও গ্রেফতার হয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেত্রী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীসহ আরও অনেকে। সে এক বৈরী পরিবেশ। আমাকে কয়েকদিন রাখা হয় সাধারণ বন্দি হিসেবে। এ সময়ে মেঝেতে ঘুমাতে হয়। পরে ডিভিশন দেয়। শোবার চৌকিও মেলে। বাইরে থাকার সময়েই যক্ষ্মা রোগ ধরা পড়েছিল। সামরিক শাসন নেমে আসায় গ্রেফতারের আশঙ্কা ছিলই। কঠিন ব্যাধি ধরা পড়ায় যে ইনজেকশন নিতে হচ্ছিল। তাতে তীব্র পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। গ্রেফতারের সময় সাজেদা আপাও গুরুতর অসুস্থ ছিলেন। তার অপারেশন হয়েছিল। পাকিস্তান আমলের সঙ্গে বাংলাদেশ আমলে জেলের পরিবেশের পার্থক্য সহজেই নজরে পড়ে। পাকিস্তানের জেল স্টাফরা ছিলেন রাজনৈতিক নেতা ও কর্মীদের প্রতি সহানুভূতিশীল। ১৫ আগস্টের পর দেখেছি যে কেউ সহমর্মিতা দেখাতে চাইত না। এক ভীতিকর পরিবেশ সর্বত্র। এ সময়ে অনেকের কাছ থেকে পেয়েছি চরম দুর্ব্যবহার।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বভাবতই আমার স্থান হয় মহিলা ওয়ার্ডে। মহিলা ওয়ার্ড প্রকৃত অর্থে জেলের ভেতর জেল। ১৯৬৭ সালে গ্রেফতারের পর আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয় তাতে কারাদণ্ড হয়েছিল। আমাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তিন দিন রেখে পাঠানো হয় ময়মনসিংহ কারাগারে। সেখানে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক তাজউদ্দীন আহমদসহ অনেক বন্দি ছিলেন। আমার জন্য প্রথম খাবার পাঠান তাজউদ্দীন আহমদ। পরে ওই জেলে বন্দি বামপন্থি নেতাকর্মীরা ঠিক করেন, আমার খাবার তাদের মেস বা কিচেন থেকেই আসবে। এমন বিভাজন স্বভাবতই আমার পছন্দ ছিল না।

ঢাকা কিংবা ময়মনসিংহ অথবা অন্য জেলে সব বন্দির জীবনই কষ্টের। তবে বিশেষভাবে দুর্বিষহ হয় নারীবন্দিরের জীবন। তাদের অনেকেই হতদরিদ্র পরিবার থেকে আসেন। মামলা চালানোর সঙ্গতি থাকে না। অনেকে বুঝতেও পারেন না কেন জেলে রাখা হয়েছে। নারীবন্দিদের কারও কারও ছোট শিশুসন্তান থাকে। জীবন তাদের জন্য বিশেষভাবে অভিশপ্ত। ‘দেয়াল দিয়ে ঘেরা’ গ্রন্থে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের পরিবেশ সম্পর্কে লিখেছিলাম- দুপুরে খাবার পর লকআপের সময়টাতে পুরনো ওয়ার্ডে এক নারকীয় পরিবেশের সৃষ্টি হয়। ওখানে মাত্র দুটি কামরা। সেই কামরার মধ্যে যেটাতে একটু আলো-হাওয়া খেলে, সেটাকে হাসপাতাল বানানো হয়েছে। জেল হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ‘সৌভাগ্য’ যাদের হয় তারা ওখানে থাকতে পারে। ওখানে থাকে সাত-আটজন কুড়ি বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি, অন্য কামরাটিতে কোনো কোনো সময় ৬০-৬৫ জন আসামিকেও ঘুমানোর জন্য ঢোকানো হয়। পাকিস্তান আমলে আমাকে জেলের মেঝেতে ঘুমাতে হয়েছে। একবার আমার পাশেই রাখা হয় উন্মাদ এক বন্দিকে। এ নিয়ে পত্রিকায় খবর প্রকাশিত হলে সংবাদ সম্পাদক ও প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য আহমদুল কবির প্রাদেশিক পরিষদে ক্ষোভ প্রকাশ করলে সে বন্দিকে অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়। জেলে আমাদের দিন শুরু হতো সকাল সাড়ে ৫টার দিকে। আর লকআপ বিকেল ৫টায়। খাবারের ব্যবস্থাও লকআপে প্রবেশের আগে। খাবার ছিল নিম্নমানের। ভাতে দুর্গন্ধ থাকত। অনেক সময় ভাত ধুয়ে খেয়েছি গন্ধ কমাতে। আমাদের সমাজে নারীদের যেমন বাড়তি কষ্ট, জেলেও তাই। জেলের অনুশাসন তাদের জন্য আরও বেশি। যেসব নারী বন্দি বিচারাধীন তারা আদালতে হাজিরার দিন কিংবা পরিবারের সদস্যদের দেখার দিনের জন্য উন্মুখ হয়ে থাকত। তাদের আচরণে সামান্য হেরফের হলেই ‘দেখা’ বাতিল। তাই সর্বদা তারা থাকত শান্তশিষ্ট হয়ে। তারা যেন পোষা জীবজন্তু, সর্বদা সন্ত্রস্ত। আবার একসঙ্গে থাকতে থাকতেই বন্দিদের মধ্যে গড়ে উঠত সহমর্মিতা। কেউ জেল থেকে ছাড়া পেলে দেখেছি এক চোখে হাসি, অন্য চোখে কান্না। সহবন্দিদের ছেড়ে যেতে কষ্ট হচ্ছে যে!

১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আমরা একদল রাজবন্দি জেলের বাইরে মুক্তির সীমানায় পা ফেলি। সামনে জনতার মিছিল। মিছিল নয় যেন জনতার সমুদ্র। আমাদের একটু আগে মুক্তি পেয়েছেন বঙ্গবন্ধু। আমরা এসেছিলাম একা- যাচ্ছি মিছিলে। জেলার কাঁপছেন- এত মানুষ জীবনে দেখেননি। তিনি আমার ব্যবহার্য সামগ্রী একটি পোটলা করে এনে হাতে তুলে দেন।

জিয়াউর রহমানের আমলে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে কত সৈনিক ও সেনা অফিসারের যে ফাঁসি হয়েছে তার হিসাব রাখা কঠিন। রাতভর ফাঁসির এলাকায় ডিউটি প্রদানের কারণে ডাক্তারের চোখ রক্তাক্ত হয়ে যেত। জমাদারনিদের কাছে শুনেছি, এক বন্দিকে এমন কঠিনভাবে ফাঁসির দড়িতে বাঁধা হয় যে দেহ ও মস্তক আলাদা হয়ে যায়। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ এইচএম এরশাদ সামরিক শাসন জারি করে ক্ষমতায় আসেন। তার দাপট চলে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত। এ সময়ে আমাকে ৯ বার কারাগারে পাঠানো হয়। আন্দোলন দানা বাঁধলেই রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের জেলে পাঠানো হতো। তবে একটি সুবিধা ছিল- একটানা বেশিদিন কারাগারে রাখা হতো না। তার শাসনামলেই ঢাকার কান্দুপট্টি পতিতালয় উচ্ছেদ করা হয়। তখন ওই এলাকার সব নারীকে বন্দি করে এনে স্থান দেওয়া হয় ফিমেল ওয়ার্ডে। আমিও সেখানে আটক রয়েছি। নতুন বন্দিদের কারও কারও ছিল ছোট সন্তান। এ শিশুদের বাবার পরিচয় ছিল না। মাকে কেন্দ্র করেই জীবন। নারী বন্দিদের কেউবা ছোঁয়াচে কঠিন চর্মরোগে আক্রান্ত ছিল। আমার ভয় হতো, তাদের সঙ্গে এক চৌবাচ্চার পানি ব্যবহার করতে। কোনো কোনো বন্দি নানাবিধ উৎপাত করত। জেলজীবন আমার জন্য নতুন ছিল না। থাকা বা খাওয়া নিয়ে যাবতীয় সমস্যা আমি স্বাভাবিকভাবে মেনে নিতাম। কিন্তু বলতে পারি যে, এরশাদের আমলে কান্দুপট্টির মেয়েদের স্থান হওয়ার সময়ে জেলজীবন ছিল সবচেয়ে কষ্টের।

বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেও আমাকে কারাগারে নিক্ষেপ করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি তিনি যে প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন করেছিলেন তার প্রতিবাদে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রবল আন্দোলন গড়ে ওঠে। এ আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণেই আমার স্থান হয় কারাগারে। সে এক ভয়ঙ্কর পরিবেশ। অনর্থক রূঢ়তা সহ্য করতে হয়েছে অনেক কারাকর্মীর দিক থেকে। সে সময়ে দেখেছি, পাকিস্তান আমলে অনেক সংগ্রাম করে এমনকি অনশনে মৃত্যুর বিনিময়ে রাজবন্দিরা যে সামান্য সুবিধা আদায় করে নিয়েছিলেন তা চলে গেছে কালো টাকার মালিক, মাদক ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে। গর্হিত অপরাধ করেও তারা আইনের হাত থেকে রেহাই পেয়ে যেত। কিংবা জেলে এলেও বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে তাদের সমস্যা হতো না। জেল কর্তৃপক্ষ তাদের সেবা দিতে সদা তৎপর হতেন। আমার মনে আছে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক এলিয়েদার কথা। মাদক চোরাচালানের দায়ে হাতেনাতে ধরা পড়ার পরও তাকে ছাড়িয়ে নিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক সিনেটর ঢাকায় চলে এসেছিলেন। কিন্তু তার সঙ্গে একই মামলায় আটক নাইজারের এক নাগরিক বছরের পর বছর জেলে থাকে।

ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের সঙ্গে আমার অনেক অনেক স্মৃতি। যতবার সেখানে গিয়েছি, মনোবল হারাইনি। মানুষের জন্য, দেশের জন্য আরও বেশি ভালোবাসা নিয়ে মুক্তজীবনে ফিরেছি। শুরু করেছি স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড। দলের নেতাকর্মী এবং আপামর জনগণ রাজবন্দিদের ত্যাগের ইতিবাচক মূল্যায়ন করেছে। কিন্তু বিভিন্ন সময়ে জেলে যেসব বন্দিকে দেখেছি, বিশেষ করে নারীদের, তাদের জীবনে যে বড় কষ্ট! সমাজে, পরিবারে তাদের স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করা হয় না। তাদের পুনর্বাসন কে করবে? জেলফেরত পুরুষদের সমস্যা তুলনামূলক কম। কিন্তু জেলফেরত মেয়েদের জীবন আরও কঠিন, দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। আমাদের মতো রাজনীতিকরা জেলে গেলে কেবল জীবন থেকে কিছু অমূল্য সময় চলে যায়। আমরা কেবল মুক্ত আলো থেকে বঞ্চিত থাকি। কিন্তু এদের জীবনে যে চিরকালের জন্য অন্ধকার নেমে আসে। কে তা দূর করবে?

লেখক: মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: