সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ৪০ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সেই মুহূর্তের কষ্টের কথা জানালেন স্টোকস

full_780380419_1460109396ডেইলি সিলেট ডেস্ক:: স্টোকসের শেষ ওভারে চার বলে চার ছয় মেরে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অবিশ্বাস্য এক জয় এনে দিয়েছিলেন কার্লোস ব্রাথওয়েট।

হারের পর দুই হাত মাথায় দিয়ে শূন্য দৃষ্টি ও চোখের জলে তাকিয়ে ছিলেন স্টোকস। ওই ছবিটা আরও অনেক দিনই বেন স্টোকসের হৃদয়ে থেকে বেদনার খোরাক জোগাবে।

তবে অনেকেই জানতে আগ্রহী ওই সময়টায় কেমন লেগেছিল স্টোকসের? তাহলে জেনে নিন বিস্তারিত…

দুঃস্বপ্নের পাঁচদিন পর ডেইলি টেলিগ্রাফকে ওই রাতের কথা জানিয়েছেন স্টোকস। ‘আমি ভেবেছিলাম, এই মাত্র আমি বিশ্বকাপটা হারিয়ে ফেললাম’। বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না। বুঝতে পারছিলাম না কী করব। আরও অনেক সময় লেগেছিল পায়ের নিচের মাটি ফিরে পেতে। মনে হচ্ছিল, বুঝি আর দাঁড়াতে পারব না। ধরণি দ্বিধা হও—এই কথাই মনে হচ্ছিল। ভালো কিছুই মাথায় আসছিল না। একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া যেটাকে বলে।

ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে এসে আবার রানার্সআপের পদক নিয়েছেন। ভেতরে এতটা ভেঙে পড়েছিলেন, সেটা অবশ্য বাইরে থেকে বোঝা যাচ্ছিল না। স্টোকসের ব্যাখ্যা, ‘ম্যাচের পর ৪০ মিনিট পর্যন্ত বুঝতে পারছিলাম না, আমার কী করা উচিত’। আমাকে মাঠে ফিরে নিজের পদকটা নিতে হয়েছে। বক্তৃতা শুনতে হয়েছে। আমি জানতাম, সব ক্যামেরা আমার দিকে তাক করা। অবশ্যই আমি ভেঙে পড়েছিলাম, কিন্তু ক্যামেরায় সেটা দেখাতে চাইনি।

ম্যাচের পরেই সতীর্থ ক্রিস জর্ডান ছুটে এসেছিলেন স্টোকসের দিকে। পরে বাকিরাও পাশে দাঁড়িয়েছেন। ম্যাচ শেষে ইংলিশ অধিনায়ক মরগানও জানিয়েছিলেন, পুরো দল স্টোকসের সঙ্গেই আছে। স্টোকস নিজেও সেটা মনে রেখেছেন, ‘সবাই আমাকে বলছিল, এটা কিছু না’। সব ঠিক হয়ে যাবে। ওরা এর চেয়ে বেশি আর কী-বা বলতে পারত? কিন্তু আমার মন তো মানছিল না। ওই রাতে কেউ আর কোনো কথা বলছিল না। আমি ওই দিন ভালো করলেই বরং সবাই এর চেয়ে বেশি মজা করত।

সেমিফাইনালে মরগানের আস্থার প্রতিদান দিয়েছিলেন দলকে জিতিয়ে। ফাইনালে সেটা আর হলো না। অথচ স্টোকস বলছেন, সেমিফাইনালেই বেশি স্নায়ুচাপে ছিলেন, ‘আমি মরগানকে তখনই বলেছি, আমি আসলে ফাইনালের চেয়ে সেমিফাইনালেই বেশি স্নায়ুচাপে ছিলাম’। হয়তো সেমিফাইনালে ভালো করার পরেই বেশি আত্মবিশ্বাস ছিল। কিন্তু ওই ওভারের পর সব ভেঙে চুরমার হয়ে গেল।

তবে স্টোকস জানেন, এখানেই শেষ নয়। পূর্বসূরি স্টুয়ার্ট ব্রড যেমন যুবরাজের কাছ থেকে পর পর ছয়টি ছক্কা খাওয়ার পরও ঘুরে দাঁড়িয়েছিলেন। স্টোকসও তাই এই ওভারকেই নিচ্ছেন প্রেরণা হিসেবে, ‘এই ওভারটা আরও অনেক দিন আমার মনে থাকবে। আমাকে নিশ্চিত করতে হবে, এ রকম কিছু যাতে না হয়। আর খারাপ সময়ই তো আপনার আসল পরীক্ষা’।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: