সর্বশেষ আপডেট : ৮ মিনিট ৪ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘পেট্রল ও অকটেন দেশেই উৎপন্ন হবে’

nasrulনিউজ ডেস্ক::
দেশেই পেট্রল ও অকটেন উৎপন্ন হবে। এ দুটি জ্বালানি তেল সরকার আর আমদানি করবে না বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিন ধাপে অকটেন, পেট্রল, কেরোসিন ও ডিজেলের দাম কমবে। বিভিন্ন তেলের ওপর ভিত্তি করে ১০ টাকা, ৬ টাকা, ৪ টাকা করে কমতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এমন একটা পর্যায়ে পৌঁছেছে যে এখন পেট্রল আর ইমপোর্ট (আমদানি) করে না। অকটেনও আমরা আর ইমপোর্ট করবো না। পেট্রল ও অকটেন আমরা নিজেদের দেশেই উৎপন্ন ও বাজারজাত করবো। এতে অর্থনৈতিকভাবে বিশাল একটা সাশ্রয় হবে। আমরা দেখতে পাচ্ছি আমাদের যে পরিমাণ গ্যাস উঠছে। সে গ্যাস থেকে যে কনডেনসেট আমরা পাচ্ছি সেটা রিফাইন করে নিজেদের পেট্রল আমরা নিজেরাই উৎপাদন করতে পারছি। তিন ধাপে অকটেন, পেট্রল, কেরোসিন ও ডিজেলের দাম কমবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম ধাপে দাম আগামী সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে কমতে পারে। এর পাঁচ-ছয় মাস পর হয়তো একটি ধাপ, তারও কয়েক মাস পর হয়তো আরেকটি ধাপে জ্বালানি তেলের দাম কমানো হবে।

ধাপে ধাপে জ্বালানি তেলের দাম কমানোর ব্যাখ্যা দিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দেখতে চাই প্রথম ধাপে কমানোর পর কী অবস্থা হয়। বিপিসির দেনা রয়ে গেছে, পুরো দেনা তারা এখনো শোধ করতে পারছে না। কিছু কিছু হলেও আমাদের বিপিসির দেনাও শোধ করতে হবে। এজন্য আমরা একটু সময় নিয়ে দাম কমাতে চাচ্ছি। তেলের দাম কত কমতে পারে জানতে চাইলে নসরুল হামিদ বলেন, বিভিন্ন তেলের ওপর ভিত্তি করে ১০ টাকা, ৬ টাকা, ৪ টাকা করে কমতে পারে। জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, ইতিমধ্যে আমরা ফার্নেস ওয়েলের দাম কমিয়েছি।

আমাদের বছরে ২০০ কোটি টাকা সাশ্রয় হবে। সে বিষয়গুলো সরাসরি জনগণের পর্যায়ে পৌঁছেছে। নৌপথে পণ্য পরিবহনে ভাড়া কমার একটা সম্ভাবনা থাকবে। তেলের দাম কমবে, তাই গণপরিবহনের ভাড়াও সমন্বয় করা উচিত হবে বলে তিনি মনে করেন। সরকার গ্যাসের দামও সমন্বয় করতে চাইছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যত্রতত্রভাবে গ্যাসের ব্যবহার বন্ধ করতে চাচ্ছি। ইতিমধ্যে আমরা গ্যাস ব্যবহারের একটা মাস্টার প্ল্যান তৈরি করেছি। সেদিকে আমরা এগুচ্ছি। আমাদের মূলত জোর হলো আবাসিক খাত থেকে গ্যাস সরিয়ে এনে এলপিজি তে চলে যাওয়া। নসরুল হামিদ বলেন, আমরা চিন্তা-ভাবনা করছি- সিএনজি থেকে আমরা আস্তে আস্তে সরে আসতে পারি কিনা। তবে হয়তো পাবলিক ট্রান্সপোর্টে সিএনজি কিছুটা থাকবে।
সারা দেশে সকল ভেজাল ও অননুমোদিত পেট্রল পাম্পের বিরুদ্ধে আজ থেকে অভিযান পরিচালনা করা হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ কেউ ভেজাল করলে লাইসেন্স বাতিল করা হবে। আমাদের কাছে রিপোর্ট চলে এসেছে, বারো শ’ (এক হাজার ২০০) পেট্রল পাম্পের মধ্যে কোনো কোনো পেট্রল পাম্প ভেজাল তেল ব্যবহার করছে। যারা তেল ভেজাল করছে তাদের বিরুদ্ধে এখন আর জরিমানা নয়, আমরা সরাসরি লাইসেন্স বাতিলের দিকে যাব। তিনি আরও বলেন, আবাসিক এলাকার বাণিজ্যিক স্থাপনা আগামী ছয় মাসের মধ্যে সরিয়ে নিতে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত রয়েছে। এ ক্ষেত্রে আমার প্রতিও নির্দেশনা আছে যে, বিদ্যুৎ ও গ্যাসের লাইন বিচ্ছিন্ন করা। ইতিমধ্যে নোটিশ ইস্যুও করা হয়েছে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: