সর্বশেষ আপডেট : ৫৫ মিনিট ১০ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আমি দাবার ঘুঁটি ছিলাম

8731_f2ডেইলি সিলেট ডেস্ক::
‘বাংলাদেশের টাকা নিয়ে একটি হাই স্টেকের বা চড়া বাজির দাবা খেলা ঘটে গেছে। আর আমি সেই দাবার ঘুঁটি ছিলাম,’ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থচুরির ঘটনায় সম্প্রতি চাকরিচ্যুত আরসিবিসির ম্যানেজার মায়া দেগুইতি গতকাল ম্যানিলায় সিনেটের ব্লু রিবন কমিটির সামনে ওই মন্তব্য করেন। নিজেকে বলির পাঠা হিসেবেও আখ্যায়িত করেন তিনি। সিনেটকে তিনি সাফ বলেছেন, তিনি পর্দার আড়ালে থাকা একদল অত্যন্ত ক্ষমতাধর অথচ অজ্ঞাতনামা ধনকুবেরদের ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহূত হয়েছেন।

তিনি এক লিখিত বিবৃতিতে বলেন, ‘দুঃখের বিষয় সম্প্রতি সকল উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা মানি লন্ডারিংয়ের এই ঘটনার জন্য আমাকেই দায়ী করেছে। যেন আমিই সবকিছুর জন্য দায়ী। আমি মধ্যম পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা। আমার একার পক্ষে কী করে সবকিছু সামাল দেয়া সম্ভব হতে পারে? চার বিলিয়ন পেসো আত্মসাৎ করতে হলে কেবল আমাকেই প্রতিটি ঘটনার সময় প্রতিটি জিনিসকে সঠিক জায়গায় রাখাটা নিশ্চিত করতে হবে। সেটা আমার পক্ষে কী করে সম্ভব?
‘সত্যি বলতে কি, এত বড় ধরনের আর্থিক লেনদেন করা তাদের পক্ষেই সম্ভব যারা অত্যন্ত ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, আর যাদের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের বাণিজ্যিক লেনদেন রয়েছে। আর ওইসব দেশে তাদের সুদূরপ্রসারী ক্ষমতা ও প্রভাব খাটানোর সামর্থ্য রয়েছে। আর আজ পেছন ফিরে আমাকে বলতে হচ্ছে, আমি যখন আমার ক্যারিয়ার গড়ার দিকে মনোযোগী ছিলাম, একজন ব্যাংক ম্যানেজার হতে আমি কুশলী হয়ে উঠতে সচেষ্ট ছিলাম, আমি আমার স্বামীর সঙ্গে একত্রে পরিবারের প্রতি যত্ন নিচ্ছিলাম, তখন আমি অবচেতনে এসব ঘটনা প্রবাহের মধ্যে নিজকে বলির পাঁঠায় পরিণত হতে দিলাম।

উল্লেখ্য, সাবেক আরসিবিসি ম্যানেজার দেগুইতিকেই মনে করা হয় তিনি কথিতমতে ৫টি সন্দেহজনক ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন, যে হিসাবগুলো থেকে অর্থ জমা ও তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটে।

‘যদি কোনো ষড়যন্ত্র হয়েও থাকে তাহলে আমি তার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নই।’ মন্তব্য করেছেন দেগুইতি। তার কথায়, ‘‘আমার যদি কোনো ভুল হয়েও থাকে তাহলে আরসিবিসির প্রেসিডেন্ট লোরেঞ্জো তানকে বিশ্বাস করা। আমি তার কথামতো চলেছিলাম। এবং এই বিশ্বাসে ভর করেছিলাম যে, বিশ্বের বৃহত্তম ব্যাংক রবারির ঘটনাটি তার পক্ষে নাও জানা থাকতে পারে। আসলে অত্যন্ত চড়া বাজির দাবা খেলা হয়েছে। এর খেলুড়েরা হলেন আন্তর্জাতিক ব্যাংকিং এবং হাই ফিন্যান্সের জায়ান্টরা। সিনেটের এই কমিটি যদি গ্রান্ডমাস্টারের দিকে চোখ রাখতে আগ্রহী থাকেন, তাহলে বলবো, আমি সেই গ্রান্ডমাস্টার নই। এই ঘটনার সঙ্গে অনেক উচ্চ পর্যায়ের লোক, যাদের যথেষ্ট ‘ক্লাউট’ বা প্রভাব-প্রতিপত্তি এবং কর্তৃত্ব আছে তারা জড়িত, আমার মতো একজন ক্ষুদ্র ব্যাংক ম্যানেজারের দৌড় আর কতদূরইবা হতে পারে।

এদিকে রয়টার্স একজন ফিলিপিনো সিনেটর রালফ রেক্টোর উদ্ধৃতি দিয়ে গতকাল এক রিপোর্টে বলেছে, বাংলাদেশের ব্যাংকের রিজার্ভের টাকা ম্যাকাও এবং বেইজিং থেকে ফিলিপিন্সের ব্যাংকে ঢুকেছে। এর সঙ্গে সম্ভবত চীনা হ্যাকারদের হাত থাকতে পারে। তারা ফিলিপিনো ব্যাংক ব্যবস্থার গলদ লক্ষ্য করেছিল। রয়টার্স বলেছে, মি. রেক্টো এটা ব্যাখ্যা করেননি যে, কেন তার মনে হয়েছে যে, হ্যাকাররা চীনা হতে পারে।
মুখোমুখি দেগুইতো-কিম ওং
৮ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার ফিলিপাইনে পাচারের ঘটনায় এখন পর্যন্ত যে দুজনের নাম সবচেয়ে জোরেশোরে উচ্চারিত হচ্ছে, তারা হলেন- দেগুইতো ও ব্যবসায়ী কিম ওং। প্রথম ও দ্বিতীয় শুনানিতে দেগুইতো দাবি করেন, কিম ওং হলেন ব্যাংকের সিইও লরেঞ্জো ত্যানের বন্ধু। ত্যানকে বিশ্বাস করে, তার বন্ধু কিম ওং-এর সুপারিশমতো চার ব্যক্তির নামে ডলার অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তিনি। উল্লেখ্য, এ চারটি অ্যাকাউন্টেই বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির টাকা যায় ও উত্তোলিত হয়। এ দুই শুনানিতে কিম ওং উপস্থিত ছিলেন না।
কিন্তু তৃতীয় শুনানিতে কিম ওং উপস্থিত হয়ে ভিন্ন বক্তব্য দেন। তার দাবি, লরেঞ্জো ত্যানের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব নেই। এ ছাড়া তিনি দেগুইতোকে একজনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলার জন্য সুপারিশ করেছিলেন, বাকি চারজনের জন্য নয়। দেগুইতো বরং নিজেই ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট খুলেছেন। ওং বলেন, তার সুপারিশকৃত ব্যক্তিটি হলেন শুহুয়া গাও। তার কাছে অনেক অর্থ পাওনা ছিলেন তিনি। এ পাওনা গাও যাতে পরিশোধ করতে পারে, সেজন্য নিজের মিডাস হোটেল কার্যালয়ে দেগুইতোর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার জন্য ডলার অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়ার সুপারিশ করেন। এ কেলেঙ্কারির অন্যতম হোতা হিসেবে দেগুইতোর নামের পাশাপাশি শুহুয়া গাওয়ের নামও উল্লেখ করেন কিম ওং। তার মতে, গাও ও ডিং ঝিজে নামে আরেক ব্যক্তি মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা ফিলিপাইনে পাচার করেন। তৃতীয় ওই শুনানিতে অসুস্থতার কারণে উপস্থিত ছিলেন দেগুইতো।
চতুর্থ শুনানিতে প্রথমবারের মতো এ দুজন মুখোমুখি হন। একপর্যায়ে সিনেটরদের এক প্রশ্নের জবাবে ওং বলেন, ‘আমি এর আগের শুনানিতে তার (দেগুইতো) সাক্ষ্য থেকে শুনেছি যে, আমি নাকি পাঁচ ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট খুলে দেয়ার সুপারিশ করেছি। জিজ্ঞেস করুন, তাকে সত্যি কিনা।’ তখন সিনেটররা দেগুইতোর কাছে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করেন। জবাবে দেগুইতো নিজের বিরুদ্ধে এএমএলসি’র মামলা থাকায় ‘স্ব-দোষারোপের বিরুদ্ধে নিজের অধিকার’ প্রয়োগ করে উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকেন।
চুরির টাকা রাখার অভিযোগ আবারও অস্বীকার ফিলরেমের
বাংলাদেশের চুরি হওয়া ৮১ মিলিয়ন ডলারের মধ্যে ১৭-১৮ মিলিয়ন এখনও মুদ্রা বিনিময়কারী প্রতিষ্ঠান ফিলরেমের ভেতর আছে বলে তৃতীয় শুনানিতে দাবি করেছিলেন কিম ওং। গতকালের চতুর্থ শুনানিতে সিনেট প্রো টেমেপার রালফ রেক্টর ফিলরেমের মালিক মাইকেল বাতিস্তাকে প্রশ্ন করেন, তারা ওই টাকা ফেরত দেবেন কিনা। তখন মাইকেল বাতিস্তা বলেন, আমাদের কাছে কোনো টাকাই নেই। সব ফিরিয়ে দিয়েছি। বাতিস্তার স্ত্রী ও ফিলরেমের প্রেসিডেন্ট সালুদ এর আগে বলেছিলেন, দেগুইতোর সুপারিশে তারা ৬০ কোটি পেসো ও ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার ওয়েইকাং শু’র কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। দেগুইতোর দাবি ছিল, কোন ওয়েইকাং-কে তিনি চেনেন না। বাতিস্তাকে ওয়েইকাং-এর ছবিও তিনি দেখান নি। সিনেটর তিওফিস্তা গুইঙ্গোনা গতকাল শুনানিতে বলেন, এ দমপতি প্রথম থেকে স্ববিরোধী বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আপনারা (বাতিস্তা দমপতি) শপথের অধীনে কথা বলছেন। আমাদের মনে হচ্ছে আপনারা আমাদের বোকা বানাচ্ছেন। তবে এমন অভিযোগ অস্বীকার করেন মাইকেল বাতিস্তা।
‘হ্যাকাররা সম্ভবত চীনা’
এদিন আবারও সিনেটর রালফ রেক্টো মন্তব্য করেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ চুরি করেছে যে হ্যাকাররা তারা হয়তো চীনা। এর আগেও তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন। তবে কেন হ্যাকারদের চীনা মনে হচ্ছে, এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু জানান নি রেক্টো।
অর্থ আদায়ে ক্যাসিনোর বিরুদ্ধে মামলা করবে এএমএলসি
শুনানিতে উপস্থিত অর্থবিরোধী পরিষদের (এএমএলসি) নির্বাহী পরিচালক জুলিয়া আবাদ বলেন, ক্যাসিনো ও জাঙ্কেট অপারেটরদের কাছ থেকে চুরিকৃত অর্থ ফেরত আনতে আদালতে মামলা করবে তার সংস্থা। আগামী সপ্তাহেই আদালতের নির্দেশনা চেয়ে এ মামলা দায়ের হবে বলে আশা প্রকাশ করেন এএমএলসি পরিচালক। বাজেয়াপ্তকরণের এ মামলায় আদালত নির্দেশ দিলে, কালোটাকা ব্যবহারের পক্ষে প্রমাণ বিবেচনায় সমপদ বাজেয়াপ্ত করবে সরকার। তবে সমপদের মালিক এ মামলার বিরুদ্ধে লড়তে পারবে। মামলা লড়বে কিনা, সিনেটরদের এমন প্রশ্নের জবাবে সোলায়ার ও মিডাস ক্যাসিনো আইনজীবীরা নিজ নিজ খদ্দেরের সঙ্গে আলোচনা করে উত্তর দেবেন বলে জানান।
‘অন্তত ১৯ জন জুয়া খেলেছেন’
সোলায়ার ক্যাসিনো কর্তৃপক্ষ সিনেট কমিটির কাছে একটি প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, পাঁচ সপ্তাহ ধরে দুই জাঙ্কেট অপারেটরের মাধ্যমে অন্তত ১৯ জন খেলোয়াড় জুয়া খেলেছে চুরির অর্থ নিয়ে। ক্যাসিনো কর্তৃপক্ষের কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা সিলভেরিও বেনি জে. ত্যান প্রতিবেদনে বলেন, তাদের ক্যাসিনোকে এ দুর্ভাগ্যজনক ঘটনায় ‘বলির পাঁঠা’ বানানো হয়েছে। তবে আটেনিও দ্য ম্যানিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞানের অধ্যাপক বেনিতো লিম বলেন, দেখা যাচ্ছে ক্যাসিনোগুলো নিজেদের ঘাড় থেকে সব দায় ঝেড়ে ফেলছে। তারা তাদেরকে ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরছে। কিন্তু সরকারকে অবশ্যই অর্থপাচার বিরোধী আইনের আওতায় ক্যাসিনোগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
বাংলাদেশের কাছে অর্থ ফেরত পাঠানো নিয়ে বিতর্ক
এদিকে ব্যবসায়ী কিম ওং যে অর্থ এএমএলসি’র জিম্মায় রেখেছেন, তা নিয়ে বিতর্ক হয়েছে সিনেটে। বিশেষ করে এ অর্থ বাংলাদেশের কাছে পাঠাতে আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন হবে কিনা, তা নিয়ে। এএমএলসি পরিচালক জুলিয়া আবাদ বলেন, কিম ওং সম্মতি দিলে আদালতের নির্দেশ প্রয়োজন হবে না। তবে কিম ওং-এর আইনজীবী আইনি প্রক্রিয়ায় যাওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তার যুক্তি, ওই অর্থ কার, তা এখনও প্রমাণিত নয়। তাই আইনি প্রক্রিয়ার ভেতর দিয়ে যাওয়া উচিত।
চার অ্যাকাউন্টের রেকর্ড প্রকাশে সম্মত আরসিবিসি
এদিকে আরসিবিসি ব্যাংক যে চারটি অ্যাকাউন্টে জমা করা হয়েছিল তার সব রেকর্ড প্রকাশ করতে সম্মত হয়েছে আরসিবিসি। গোপনীয়তা আইনের অধীনে এতদিন ওই অ্যাকাউন্টগুলোর তথ্য কাউকে দেয়া হয় নি। শুনানিতে সিনেটর বাম আকুইনো ল্যান্ড ট্রান্সপোর্টেশন অফিস (এলটিও) থেকে দেয়া ড্রাইভিং লাইসেন্স ভুয়া বলে তথ্য প্রমাণ হাজির করেন। ওই ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে আরসিবিসির জুপিটার শাখায় ওই চারটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছিল। তিনি বলেন, আমি যে প্রমাণ হাজির করেছি তাতে দেখা যায় ভুয়া লাইসেন্স ব্যবহার করে ওই অ্যাকাউন্টগুলো খোলা হয়েছিল। সেহেতু আমি আশা করি আরসিবিসি এখন এসব অ্যাকাউন্টের যাবতীয় রেকর্ড উন্মুক্ত করে দেবে। আরসিবিসির লিগ্যাল অ্যান্ড রেগুলেটরি বিষয়ক প্রধান মাসেল এস্তাভিলো এ সময় বলেন, ওই চারটি অ্যাকাউন্টের বিষয়ে কথা বলতে প্রস্তুত আরসিবিসি। একই সঙ্গে ব্যবসায়ী উইলিয়াম সো গোর ভুয়া অ্যাকাউন্টের বিষয়েও কথা বলা হবে।
৭৬ কোটি টাকা ফেরত দেয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করলেন কিম ওং
বাংলাদেশ থেকে চুরি করা অর্থের মধ্য থেকে আরও ৪৫ কোটি পেসো বা ৭৬ কোটি টাকা ফেরত দেয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন কিম ওং। তিনি বলেন, নতুন করে তিনি যে ৪৫ কোটি পেসো জমা দেবেন তা তার বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে তাকে ধার করতে হবে ও তার কোম্পানি থেকে অর্থ নিতে হবে। এজন্য তার ১৫-৩০ দিন সময় লাগবে। এরই মধ্যে দু’দফায় তিনি এএলএমসি’র জিম্মায় ৪৬ লাখ ৩০ হাজার ডলার ও প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা রেখেছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: