সর্বশেষ আপডেট : ২৭ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আইনের আদর্শ উচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি

8598c9c9-8c7e-428e-8919-3af66c43af01স্টাফ রিপোর্টার:
২০০১ সালে সিলেট শহরে বাগবাড়ি শামীমাবাদ এলাকায় বেসরকারি উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি। এই ইউনিভার্সিটিই সিলেট বিভাগের সর্ব প্রথম বেসরকারি ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠান পর থেকেই বিভিন্ন অনুষদের পাশাপাশি আইন অনুষদ ইউনিভার্সিটির সুনাম বৃদ্ধি করছে। প্রতি বছরই এই প্রতিষ্ঠান থেকে কৃতিত্বে সাথে আইন পরীক্ষায় পাশ করে আইন পেশায় নিযুক্ত হচ্ছেন শত শত শিক্ষার্থী।

দক্ষ ও সচেতন নাগরিক গড়ে তোলার লক্ষে সিলেট ভিত্তিক একটি সম্পুর্ণ অরাজনৈতিক, অলাভজনক, মানবতাবাদী সংস্থা ‘গুলশান ফাউন্ডেশন ফর এডুকেশন ডেভেলপমেন্ট’ এর পৃষ্ঠপোষকতায় ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান কুতুব উদ্দিন আহমদ ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ইউনিভার্সিটি। প্রতিষ্ঠাকালীন ভিসি ছিলেন অধ্যাপক ড. ছদরুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী। বর্তমানে এই ইউনির্ভাসিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বর্তমান চেয়ারম্যান শামীম আহমদ।

বেসরকারি এই ইউনিভার্সিটিতে দিবা ও সন্ধ্যাকালী দু’টি প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। ইউনিভার্সিটিতে আইন অনুষদসহ চারটি অনুষদ রয়েছে। অন্যান্য অনুষদের ছেয়ে আইন অনুষদটি সুনামের সাথে প্রতি বছর ভাল ফলাফল অর্জন করছে। এই ইউনির্ভাসিটির আইন অনুষদের অনেক শিক্ষার্থী এখান থেকে আইন শাখায় পাশ করে দেশের বিভিন্ন এলাকায় আইনী পেশায় আছেন। এছাড়াও এই ইউনিভার্সিটির অনেক শিক্ষার্থী দেশের সর্বোচ্চ বিচারলয়ে আইন পেশায় কাজ করছেন।
ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদে বর্তমানে দিবা শাখায় অনার্স বিভাগে ১২০০ জন ও সন্ধ্যাকালীন গ্রোগ্রামে ৩০০ জন শিক্ষাথী রয়েছেন। আইন অনুষদে নিয়মিত পাঠদান করেন ১৭ জন শিক্ষক, অনিয়মিতভাবে পাঠদান করেন আরো ১৪ জন শিক্ষক।

অনিয়মিত শিক্ষক হিসাবে সিলেটের জেলা জজ (জন নিরাপত্তা), জেলা জজ (দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল), সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, এসএমপির (সিলেট মেট্রোপলিটন) পুলিশ কমিশনার এই ইউনিভার্সিটিতে পাঠদান দেন।

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ইউনিভার্সিটির মোট অনুষদ চারটি, ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৬০০০, শ্রেণি কক্ষের সংখ্যা ৪৫টি, পূর্ণকালীন শিক্ষক রয়েছেন ৯০ জন ও খ-কালীন শিক্ষক রয়েছেন ৪০ জন, ইউনিভার্সিটির লাইব্রেরীতে প্রায় ৪০ হাজার বই রয়েছে, ল্যাবটরী রয়েছে ৬টি। মেধাবী ও আর্থিক সমস্যাগ্রস্ত ছাত্র-ছাত্রীদের ২০ থেকে শতভাগ পর্যন্ত টিউশন ফি ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য শতভাগ টিউশন ফি মওকুকের সুবিধা। এসএসসি ও এইচএসসির মোট জিপিএ- ৯ হলে ছাত্রদের টিউশন ফির ৫০ ভাগ ও ছাত্রীদের ৬০ ভাগ টিউশন ফি মওকুফ করা হয়। ভাই-বোন একসাথে ভর্তি হলে ১ জনের টিউশন ফি অর্ধেক মওকুফ করা হয়।

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি দ্বিতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থী সুনামগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য একেএম আব্দুল আহাদ বলেন,‘ সিলেটে তিনটি প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি ছিল তার মধ্যে আমি পছন্দসই সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হই। ভর্তি হওয়ার পরে ইউনিভার্সিটির শিক্ষকদের আন্তরিক পাঠদানের ফলে চার বছর ক্লাশ শেষ করে বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় প্রথমবারই সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে যাই। শুধু আমি এক নই, সুনামগঞ্জ কোর্টে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির অনেক ছাত্র রয়েছেন যারা প্রথম বারই বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন।

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী সিলেট আইনজীবী সমিতির সদস্য ও সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র বর্তমান শিক্ষক সারোয়ার আহমদ বলেন,‘সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আইন বিভাগ চালু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ইউনিভার্সিটির শিক্ষার মান ভাল থাকায় সিলেট বিভাগের প্রত্যেক জেলা থেকে প্রতি বছর শিক্ষার্থীরা ভর্তি হচ্ছেন এবং চার বছর সাফল্যের সাথে অনার্স শেষ করে আইন পেশায় নিয়োজিত হয়েছেন।’

সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগ থেকে সদ্য পাঠদান শেষকারী শিক্ষার্থী সোনিয়া তালুকদার বলেন,‘ আমাদের এই ইউভিার্সিটির শিক্ষার মান খুবই ভাল, শিক্ষকরা খুব যত্ম করে ক্লাস নিয়েছেন। এবং যারা একটু পিছিয়ে থাকত তাদেরকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। আর যে উদ্দেশ্যে এই ভার্সিতে ভর্তি হয়েছিলাম চার বছর সফল ভাবে শেষ করেছি আমার আশা এখন বার কাউন্সিল পরীক্ষায় ভালভাবে উত্তীর্ণ হতে পারব।’

ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদের প্রধান মো. হুমায়ূন কবির বলেন,‘ সিলেট বিভাগের চার জেলায় কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগ না থাকায় এই ভার্সিটির আইন বিভাগে শিক্ষার্থীরা বেশী ভর্তি হচ্ছেন। গত ১৫বছরে এই ভার্সিটির ভাল ফল করায় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি আস্থা অর্জন করায় অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের এই ভার্সিটিতে ভর্তি করাচ্ছেন। শিক্ষার্থীরা যে উদ্দেশ্য নিয়ে এই ভার্সিটিতে ভর্তি হন আমরা চেষ্টা করি তাদেরকে সুষ্ঠু পড়ালেখা ও ভাল মানের শিক্ষা প্রদান করতে। সিলেট বিভাগের চার জেলায় এই ভার্সিটি থেকে উত্তীর্ণ হওয়া অনেক আইনজীবী বর্তমানে সুনামের সহিত আইন পেশায় নিয়োজিত আছেন।

ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. সুশান্ত কুমার দাস বলেন,‘সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি’র সবগুলো ডিপার্টমেন্টই অত্যন্ত ভাল। আমরা চেষ্টা করি সবগুলো ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা ভাল ফলাফল অর্জন করুক। তাই ভালমানের বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবীদের আমরা শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। তাদের প্রচেষ্ঠায় ভার্সিটি দিন দিন ভাল করছে। তার মধ্যে আইন বিভাগ বেশী ভাল করছে। আমরা দেখছি প্রতি বছরই আমাদের ছাত্ররা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দেশের বিভিন্ন কোর্টে আইন পেশায় প্র্যাকটিস করছেন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: