সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৩ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিশ্বকাপে জ্বলে উঠতে পারেননি যে তারকারা

full_984441464_1459732299খেলাধুলা ডেস্ক:
তারকারা আলো ছড়াবেন এটাইতো স্বাভাবিক, কিন্তু পারেননি। বিশ্বকাপের মঞ্চে এসব তারকারা চার-ছক্কায় গ্যালারি মাতিয়ে রাখবেন এ প্রত্যাশা ছিল অনেকেরই। কারও আগের পারফরম্যান্সের কারণে, কারও নামের ভারে। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সেই প্রত্যাশা কেউ পূরণ করতে পারেননি। আর সেই ব্যর্থতার মূল্য দিতে হয়েছে দলকে। —এমন কয়েকজন সম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হলো…..

১. শহীদ আফ্রিদি
ব্যর্থতার দায় নিয়ে অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন আফ্রিদি। বিশ্বকাপে ৪ ইনিংসে করেছেন মাত্র ৯০ রান, সর্বোচ্চ ৪৯, স্ট্রাইক রেট ১৮৩.৬৭। বল হাতে ৪ ম্যাচে ৪ উইকেট। ইকোনমি ৭.৪৩। কিন্তু ব্যাট হাতে আফ্রিদিকে স্বরূপে দেখা যায়নি। বাংলাদেশের বিপক্ষে ১৯ বলে ৪৯ রানের ম্যাচ ছাড়া বাকি ম্যাচগুলোতে জ্বলে উঠতে পারেননি তিনি।

২. এবি ডি ভিলিয়ার্স
আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২৯ বলে ৬৪ রানের ইনিংসটা ছাড়া ডি ভিলিয়ার্সকে সেই রূপে দেখা গেল কই! ৪ ইনিংসে, রান ১১০, সর্বোচ্চ ৬৪, স্ট্রাইক রেট ১৮০.৩২। অন্য কেউ হলে এই পারফরম্যান্সের পর ঠিক ব্যর্থ বলা যেত না। কিন্তু তিনি যে এবি ডি ভিলিয়ার্স! বিশ্ব ক্রিকেটের সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম। কিন্তু ইংল্যান্ড ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে দুটি ম্যাচেই ভীষণভাবে ব্যর্থ ডি ভিলিয়ার্স। তাই বলা যেতে বিশ্বকাপের মঞ্চে তিনিও ছিলেন অনুজ্জ্বল।

৩. সুরেশ রায়না
বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটায় ২৩ বলে ৩০ রানের ইনিংসটা বাদ দিলে রায়নাকে খুঁজেই পাওয়া যায়নি টুর্নামেন্টে। ৪ ইনিংসে, রান ৪১, সর্বোচ্চ ৩০, স্ট্রাইক রেট ১২৪.২৪। টি-টোয়েন্টিতে তিনি ভারতের সেরা ব্যাটসম্যানদেরই একজন। কিন্তু সেই সুরেশ রায়নাই ঘরের মাঠে বিশ্বকাপে কিছুই করতে পারলেন না। ওপরের দিকে ব্যাট করার সুযোগ পান না বলে আফসোস ছিল, এবার কিন্তু অধিনায়ক ধোনি তাকে সুযোগ দিয়েছেন ৪ নম্বরে ব্যাট করার।

৪. রোহিত শর্মা
গড়পড়তা মানের চেয়েও খারাপ বলা যায়। অথচ শুরুর দিকে তার জ্বলে ওঠাটাই খুব দরকার ছিল ভারতের জন্য। ৫ ইনিংসে, রান ৮৮, সর্বোচ্চ ৪৩, স্ট্রাইক রেট ১০৭.৩১। ঘরের মাঠে এটাই হতে পারত তার বিশ্বকাপ। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে রোহিত শর্মাকে নিয়ে ভারতের প্রত্যাশা তো এমনই। কিন্তু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৩১ বলে ৪৩ রানের ইনিংসটা বাদ দিলে বাকি ৪ ম্যাচেই তিনিও ছিলেন অনুজ্জ্বল।

৫. শিখর ধাওয়ান
বিশ্বকাপ শেষে টুইটারে দুঃখ প্রকাশ করেছেন, কিন্তু তাতে কি আর সমর্থকদের আক্ষেপটা কমবে! ৪ ম্যাচে করেন মাত্র ৪৩ রান, স্ট্রাইক রেট স্ট্রাইক রেট ৮২.৬৯। রোহিত শর্মার সঙ্গে তার ওপেনিং জুটিটা নিয়ে ভারতের অনেক প্রত্যাশা থাকে। একজন ব্যর্থ হলে দায়িত্ব বেড়ে যায় অন্যজনের। কিন্তু শর্মার মতো শিখর ধাওয়ানও কিছুই করতে পারেননি।

৬. মুশফিকুর রহিম
এশিয়া কাপ থেকেই নীরব তিনি। সে কারণেই টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশা বেড়ে গিয়েছিল—হয়তো আসল মঞ্চেই জ্বলে উঠবেন। সেটা তো পারেননিই, উল্টো ভারতের বিপক্ষে ম্যাচটায় বাজে শট খেলে আউট হওয়ার স্মৃতিটা মুশফিককে তাড়িয়ে বেড়াবে। ৫ ইনিংসে, ৪৪ রাস, সর্বোচ্চ ১৮, স্ট্রাইক রেট ১০৪.৭৬। পাওয়ার হিটার তিনি নন। বরং মুশফিকুর রহিমের খ্যাতি দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের জন্য। কিন্তু এই টুর্নামেন্টে সেটিও করে দেখাতে পারেননি মুশফিক।

৭. ডেভিড ওয়ার্নার
বিশ্বকাপে তার ব্যাট হাসল না একেবারেই। প্রথম দুটি ম্যাচের পর স্মিথ চারে নেমে গিয়ে তাকে তিনে পাঠিয়েছেন। তাতেও লাভ হয়নি। ৪ ইনিংসে, রান ৩৮, সর্বোচ্চ ১৭, স্ট্রাইক রেট ১০৮.৫৭। দলের সবচেয়ে বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানদের একজন। সঙ্গী ছিল আইপিএল খেলার অভিজ্ঞতা। এই বিশ্বকাপে খুব স্বাভাবিকভাবেই তার কাছে অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু উসমান খাজাকে ওপেনিংয়ে জায়গা দিতে গিয়ে বেশ ওয়ার্নারকে নেমে যেতে হয় ৪ নম্বরে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: