সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৪৮ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিশ্বের কতিপয় সফল মেয়রের গল্প

fdfdfdfdfdfdeeeডেইলি সিলেট ডেস্ক ::

যে শহরের আবর্জনা সরানোর জন্য একটি গাড়ি কেনার মতো সামর্থ্য ছিল না সেই শহরটি একসময় বিশ্বের শীর্ষ আধুনিক শহরে পরিণত হয়েছে। ভেড়া দিয়ে করেছেন বর্জ্য অপসারণের কাজ। আর লোম বিক্রি করে করেছেন অন্যান্য উন্নয়নের অর্থের সংস্থান। একপর্যায়ে বিশ্বের সবচেয়ে ভালো শহরে পরিণত হয় ব্রাজিলের কুরিটিবা। আর এই কাজ করেন ওই শহরের মেয়র জেমি লারনার। তার মতো আরো সাতজন বিশ্বের সমস্যাসঙ্কুল বড় শহরকে আধুনিক শহরে পরিণত করেছেন।

১৯৭১ থেকে ১৯৭৪, ১৯৭৯ থেকে ১৯৮৩ ও ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত কুরিটিবা শহরের মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন জেমি লারনার। বর্জ্য অপসারণেরকাজে ভেড়া ব্যবহারের পাশাপাশি শহরে শুরু করেন সবুজায়ন। মাথাপিছু সবুজের পরিমাণ ১ থেকে ৫২ বর্গমিটারে উন্নীত করেন তিনি। এর স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৭ সালে বিশ্বের তৃতীয় সবুজের শহরের খ্যাতি লাভ করে কুরিটিবা। আবর্জনা রিসাইক্লিং করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়। ব্যবহৃত কাগজকেই কৌশলে বাসের টিকিট হিসেবে ব্যবহার শুরু হয় তার সময়।

২০০২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের মেয়রের দায়িত্ব পালনকালে শহরের ২০০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সবুজে ভরে তোলেন মাইকেল ব্লুমবার্গ। শহরের ভেতরে তৈরি করেন ছোট ছোট সবুজ পরিসর। তার সময়ে শহরের ফুটপাতে ১০ লাখ গাছ রোপণ করা হয়। পুরো শহরের আবর্জনা দিয়ে পাহাড় তৈরি করে তাতে সবুজায়ন ঘটান। বর্তমানে পাহাড়টি শহরবাসীর বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

নিউইয়র্কে মানুষের মধ্যে ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহারের প্রবণতা বেশি। এটা নিয়ন্ত্রণে আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। নগরবাসীর স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে হাঁটার জন্য আধুনিক ফুটপাত ও বাইসাইকেল চালানোর সুযোগ তৈরি করেন। অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা শহরের মেয়র হিসেবে ১৯৯৪ সাল থেকে এখন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনকালে শহরের ৫১ শতাংশ এলাকায় সবুজায়ন ঘটিয়েছেন মাইকেল হপ। জনপ্রতি ওই শহরে সবুজের পরিমাণ ১২০ বর্গমিটার। সবুজায়নের মাধ্যমে ওই শহরে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনের পরিমাণ বহুলাংশে হ্রাস পেয়েছে।

আবর্জনা ব্যবস্থাপনার স্বীকৃতি হিসেবেও ২০১০ সালে বিশ্বের সেরা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা শহরের খ্যাতি পেয়েছে ভিয়েনা। এই শহরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্ব দেয়া হয় পথচারীদের। এ ছাড়া গণপরিবহন ও সাইকেল চালানোকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন হপ। কোভার মুর ২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের মেয়রের দায়িত্ব পালন করছেন। পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ, সাশ্রয়ী ও স্বাস্থ্যসম্মত যাতায়াত ব্যবস্থার জন্য ২০০ কিলোমিটার সাইকেল নেটওয়ার্ক তৈরি করেছেন। বর্তমানে এই শহরের স্কুল, কর্মক্ষেত্র, পার্কসহ বিভিন্ন গন্তব্যে বিপুলসংখ্যক মানুষ সাইকেলে যাতায়াত করেন। বিনামূল্যে সাইকেল চালানোর প্রশিক্ষণও দিয়ে থাকে সিটি করপোরেশন। পথচারীবান্ধব রাস্তার সংখ্যাও প্রচুর।

সূত্র : ওয়েবসাইট।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: