সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে এমপি মিসবাহ ও প্রশাসক ইমন আবার আলোচনায়

Untitled-1 copyসুনামগঞ্জ প্রতিনিধি::
সুনামগঞ্জ-৪ আসনের এমপি পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এডভোকেট ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবীর ইমন আবার সুনামগঞ্জবাসীদের আলোচনায় উঠে এসেছেন। প্রায় দেড় বছর আগে ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচনের প্রাক্কালে ব্যারিস্টার ইমন আওয়ামীলীগের মনোনয়ন পেলে পীর মিসবাহ কেন্দ্রীয় যুবলীগের পদ ছেড়ে এরশাদের জাতীয় পার্টি থেকে মনোনয়ন নেন এবং বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় এমপি নির্বাচিত হন। সেসময় থেকেই দু’নেতার মধ্যে একটা শীতল সম্পর্ক তৈরী হয়। নির্বাচন পরে বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই দু’নেতা সুনামগঞ্জ জেলার রাজনীতিতে বিভিন্ন সময়ে আলোচনা ও সমালোচনায় চলে আসেন।

সাংসদ পীর মিসবাহ ইদানিংকালে ব্যারিস্টার ইমনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সরকার বিভাগে অভিযোগ দায়ের করলে বহুদিন পর আবার তারা আলোচনায় আসেন। সাংসদ পীর মিসবাহ স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বরাবরে ব্যারিস্টার ইমনের বিরুদ্ধে প্রেরিত লিখিত অভিযোগে বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক এডিপিভুক্ত কোন প্রকল্পের বিষয়ে সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদের কোন মতামত নিচ্ছেন না। অভিযোগে তিনি আরো উলে¬খ করেন, সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদ কর্তৃক এডিপিভুক্ত প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে জেলা পরিষদের প্রশাসক জেলার বিভিন্ন সংসদ সদস্যের মতামত নিলেও ৪ নির্বাচনী এলাকায় প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে তার মতামত নেননা। প্রশাসক নিজের ইচ্ছামত প্রকল্প গ্রহণ করেন। সাংসদ পীর মিসবাহর অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ সম্প্রতি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসককে ১০ কর্ম দিবসের মধ্যে সুস্পষ্ট মতামতসহ প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে জাতীয় দৈনিকে একটি সংবাদ ছাপা হলে সাংসদ পীর মিসবাহর সংবাদটি তার ফেসবুক পেইজে শেয়ার করেন। সুনামগঞ্জ প্রতিদিন ডটকম কর্তৃপক্ষের তা নজরে আসে।

সাংসদ পীর মিসবাহ’র অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ও সত্যতা যাচাই এর জন্য সুনামগঞ্জ প্রতিদিন ডটকমে’র পক্ষ থেকে জেলা পরিষদ প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হয়। স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে চিঠির প্রাপ্তির ব্যাপারে নিশ্চিত হতে চাইলে জেলা পরিষদের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা চিঠি পাবার কথা স্বীকার করেন। কর্মকর্তা বলেন, যথা সময়ে উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বরাবরে আমরা উত্তর পাটাবো। স্থানীয় সরকার বিভাগের আইনে এ ব্যাপারে কি আছে? জানতে চাইলে তিনি তেমন কিছু বলতে চাননি। তবে ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইনের ৩০ ধারায় বলা আছে, জেলার সকল সাংসদ, মন্ত্রী জেলা পরিষদের উপদেষ্টা হিসাবে থাকবেন। জেলা পরিষদ প্রশাসন জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ডে চাইলে তাদের পারামর্শ গ্রহন করতে পারবেন। আইনের কোন ধারায় স্পষ্ট করে বলা নেই জেলা পরিষদ প্রশাসন উপদেষ্টাদের মতামত নিতে বাধ্য থাকবেন। আইনের ২৭ (২)ক ধারায় বরং জেলা পরিষদ প্রশাসককে ক্ষমতা দেয়া হয়েছে জেলার সকল উন্নয়ন কর্মকান্ড তদারকি করার। জেলার অধিন স্থানীয় প্রশাসনের যেমন ইউপি, পৌরসভা, উপজেলা এমনকি সাংসদদের অধিন কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচী সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে কিনা তাও জেলা পরিষদ প্রশাসকের তদারকি করার দায়িত্বে পরে। জেলার সাংসদরা নিজেদের এলাকার উন্নয়নে কোন পরিকল্পনা গ্রহন করলে বরং তা অনুমোদনের জন্য জেলা পরিষদে আবেদন করার নিয়ম রয়েছে। সুনামগঞ্জ ৪ আসনের সাংসদের কিছু প্রজেক্ট ইতিমধ্যে জেলা পরিষদ বাস্তবায়ন করেছে বলেও এ কর্মকর্তা জানান।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: