সর্বশেষ আপডেট : ১৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কে ধান-খড় দিয়ে রাস্তা দখল; ব্যাপক দূর্ঘটনার আশঙ্কা : প্রশাসন নিরব

21. sunamgonjদক্ষিণ সুনামগঞ্জ সংবদদাতা::
এবারের বোর ফসল কর্তন করে স্থানীয় কৃষকরা কাটা ধান, মাড়াই করা ধান ও ধানের খড় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে রেখে সংকীর্ণ করে রাখায় ব্যাপক দূর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন বিশিষ্টজনেরা। রাস্তা সংকীর্ণ করার কারণে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কে চলাচলরত সকল যানবাহন চলছে অনেক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়ে। যানবাহনের যাত্রীরাও ঝুঁকির সম্মুখীন হয়ে যানবাহনে চলাছল করছেন। তারা অনেকেই বলছেন, যেখানে সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট যেতে ১ থেকে দেড় ঘন্টা সময় লাগত, কিন্তু কৃষকরা সড়কে কাটা ধান, মাড়াই করা ধান ও ধানের খড় রেখে রাস্তা সংকীর্ণ করায় এখন সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটে যেতে সময় লাগছে আড়াই থেকে ৩ ঘন্টা। এদিকে দূর্ঘটনা এড়াতে ও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছেন না স্থানীয় প্রশাসন। নিরব ভূমিকা পালন করছেন তারা।

সরেজমিনে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের বিভিন্ন জায়গা ঘুরে দেখা যায়, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার, পাগলা, ডাবর, দামোধরতপী , মাহমদপুর, শান্তিগঞ্জ, সদরপুর, পাগলা চন্দ্রপুর, জয়কলস, ছাতক উপজেলার বড়কাপন, মনবেগ, কাড়াই, জাউয়া, কৈতক, চেচান, ভোকারভাঙ্গা, ধারন, সৈদরগাও, জালালপুর ও সদর উপজেলার মদনপুর, গবিন্দপুর, নীলপুর, রাবার বাড়ি, বাহাদুরপু, হালুয়ারগাওস্থ সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে ও মেইন সড়কে স্থানীয় কৃষকরা জমিথেকে ধান কেটে রাস্তায় রেখেছেন, কেউ-কেউ আবার কাটা ধান মাড়াই কল দিয়ে রাস্তার পাশে মাড়াই দিচ্ছেন, সেই মাড়াই করা ধান আবার শুকাচ্ছেন রাস্তায় ও রাস্তার পাশের জায়গায়, আবার অনেকেই ধানের খড় পুরো রাস্তা জুরে শুকাচ্ছেন।

সরেজমিনে আরও দেখা যায়, রাস্তায় চলমান সকল যানবাহন দূর্ঘটনার সম্মুখীন হয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলছে প্রতিনিয়ত, এবং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কৃষক-কৃষানী সহ কৃষক পরিবারের ছোট-ছোট শিশু বাচ্চারা। আবার রাস্তা সংকীর্ণ হওয়ার কারণে অনেক স্থানে যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে। দূর্ঘটনা এড়াতে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে যে কোন সময় ঘটতে পারে মর্মান্তিক দূর্ঘটনা।

এ ব্যাপারে কৃষক, আব্দুল করিম, মনাফ মিয়া, একরাম উদ্দিন, কৃষাণী মায়ারুন নেছা সহ স্থানে-স্থানে অনেকের সাথে কথা বললে এ প্রতিবেদককে বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টির কারণে জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে, অনেক খলার (ধান শুকানু ও ধান মাড়াই দেওয়ার জায়গা) মাটি পেক (কাঁদা) হয়ে গেছে, ধান রাখা ও শুকানোর জায়গা না থাকায় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের জায়গায় রেখেছি ও শুকাচ্ছি।

এ ব্যাপারে সুনামগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ লুৎফুর রহমান এ প্রতিবেদককে বলেন, বৈশাখ মাস হওয়ায় কৃষকদের বাড়িতে ধান শুকানোর জায়গা না থাকায় হয়তো এমনটাই হচ্ছে, তবে পুরো রাস্তায় ধান শুকানো বা মাড়াই দিয়ে থাকলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমরা বিষয়টি খোঁজ-খবর নিয়ে দেখবো।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: