সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ২৪ জুলাই, ২০১৭, খ্রীষ্টাব্দ | ৯ শ্রাবণ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

জাফলং সড়ক শীত মৌসুমে পরিনিত হয় ধুলোর রাজ্যে আর বর্ষাকালে কাদা জলে একাকার

3. jaflongগোয়াইনঘাট সংবাদদাতাঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং মামার বাজার থেকে বল্লাঘাট পর্যন্ত রাস্তার সিংহ ভাগ রাস্তা জোড়েই রয়েছে খানা খন্দে ভরপুর। শীত কালে ধুলের রাজ্য আর বর্ষায় ঝিলের কাদায় পরিনত হয় মামার বাজার থেকে বল্লাঘাট পর্যন্ত। গত দুই এক মাস আগেও এই এলাকার জোরেই ছিলো ধুলোর ছড়াছড়ি কিন্তু বৈশাখ মাস আসতেনা আসতেই বৃষ্টির কারণে এই এলাকা এখন ঝিলের কাদায় একাকার হয়েছে এখানকার মহা-সড়ক। একটু বৃষ্টি পড়লেই রাস্তার উপর জমে থাকা পাথরের ডাষ্ট, মাটি, বৃষ্টি পানি রাস্তা জমে যাওয়ার কারণে এখানকার যাতায়াত ব্যবস্থা খুবই নাজুক অবস্থা পড়তে হয় এখানকা জণসাদারণ সহ পর্যটকদের। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে বল্লাঘাট মামার বাজার রাস্তাটির নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে।

2.

গত কয়েক বছর যাবত বেহাল অবস্থা থাকলেও সরকারের দৃষ্টিগুচর হয়নি রাস্তাটি সংস্কারের জন্য। জাফলং এলাকা রয়েছে একটি পাথর কোয়ারী একটি স্থল বন্দর। আর এই দুটি খাদেথেকে প্রতি বছর সরকারের কোষাগারে জমা হচ্ছে লাক্ষ-লাক্ষ টাকার রাজস্ব। উত্তর সিলেটের প্রাকৃতির সুন্দের্য্যরে লীলা ভূমি জাফলং, দেশ-বিদেশে পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত থাকলেও এই ব্যস্তময় পর্যটক এলাকার রাস্তারঘাট খানাখন্দে ভড়া থাকার কারণে পর্যটকগণ এখন জাফলং পর্যটক এলাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। গত কয়েক বছরের তুলনায় বর্তমানে এখানে পর্যটক আসে তুলনা মুলক খুবই কম। ঢাকা থেকে জাফলং বেড়াতে আসা এক পর্যটকের সাথে আলাপ লাভলু সিদ্দিকী জানান, প্রতি বছরই জাফলং বেড়াতে আসি, এখানকার প্রাকৃতিক সুর্ন্দয্য আমার খুবই ভাললাগে। কিন্তু খুব কষ্ট পেয়েছি এই এলাকার রাস্তার বেহাল অবস্থা দেখে। পর্যটক এলাকার রাস্তার অবস্থা এমন থাকলে পর্যটকরা জাফলং এলাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবে। তাই আমি এই এলাকার মাননীয় এমপি মহোদয়ের নিকট প্রার্থনা করছিযে এই এলাকার মানুষের ও বেড়াতে আসা পর্যটকদের কথা বিবেচনা করে রাস্তাটি সংস্কার করা অতিব জরুরী।

সরেজমিন পরিদর্শ কালে জানাযায়, বিক্ষুপ্ত জনতা রাস্তার এই অবস্থার জন্য বারবার মামার বাজার পয়েন্টে মানব বন্ধন করলেও দৃষ্টিগুচর হয়নি সরকারী অর্ধতন কতৃপক্ষের। মোহাম্মদ পুর থেকে শুরু করে বল্লাঘাট পিকনিক সেন্টার পর্যন্ত রাস্তার খুবই নাজুক অবস্থা। এই গুরুত্বপুর্ন্য রাস্তা দিয়ে পিয়াইন নদী থেকে উত্তোলিত পাথর সরবারাহ করা হয়ে থাকে। কিন্তু রাস্তার খানাখন্দের জন্য সরকারের উপরস্থ কতৃপক্ষে নেই কোন মাথা ব্যথা।

সরজমিন পরিদর্শন কালে দেখা যায় কয়েকদিন আগেও যেন পর্যটন কেন্দ্র জাফলং ছিলো ধুলোর রাজ্য। গত দু’একদিনের হাল্কা বৃষ্টিতে সেই ধুলোর রাজ্যের পুরো চিত্রই পাল্টে গেছে। সিলেট তামাবিল মহা সড়কের মামার বাজার ও বল্লাঘাট এলাকার খানাখন্দে ভরা রাস্তায় মেঘের পানি জমে এখন কাদা জলে একাকার। এই সড়ক দিয়ে যানবাহন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ জনের চলা ফেরা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। শীত মৌসুমে এই এলাকার মহাসড়ক পরিনিত হয় ধুলোর রাজ্যে আর বর্ষাকালে থাকে কাদা জলে একাকার। এই দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল হক ভূইয়া বাবুল জানান শীত কালে এই এলাকায় থাকে ধুলোর ছড়াছড়ি। আর বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই সামান্য বৃষ্টিতেই খানাখন্দে ভরা মহা সড়কে ঝিলেরকাদা জলে একাকার হয়ে পড়ে এই এলাকার মহা-সড়কের চিত্র। গত কয়েক বছর যাবত এই সড়কের বেহাল দশা থাকলেও সংস্কার অভাবে মরণ ফাদে পরিনত হয়েছে। তার পরেও রাস্তাটি সংস্কারের জন্য কারো যেন কোন দায়বদ্ধতা নেই। স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশল অধিদপ্তর গোয়াইনঘাট উপজেলা প্রকৌশলী এ এইচ এম কামরুজ্জামান জানান এই রাস্তাটি এলজিইডি’র আওতাভূক্ত নয়। রাস্তাটি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নতুবা জেলা পরিষদের আওতাভূক্ত।

বিষ্টিট পাথর ও কয়লা ব্যবসায়ী নজরুল সিকদার জানান, ৪ বছর যাবত রাস্তার দেড় কিলোমিটার জায়গা খানাখন্দে ভড়া মালবাহী এবং যাত্রীবাহী গাড়ী নিয়ে চলা চল করতে চালকদের ও যাত্রীদের পুহাতে হয় চরম ভোগান্তী, তিনি আরও বলেন সরকারী উদ্দোগে অচিরের এই রাস্তার কাজ শুরু করে পর্যটক এলাকা জাফলংকে মডেল নগরী হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আমার আশাবাদী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭, ০১৭১৭ ৬৮ ১২ ১৪ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: