সর্বশেষ আপডেট : ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিলেটের পরিবেশ বিপর্যয় : সবুজের সমারোহ প্রয়োজন

22.ratar gulনওরোজ জাহান মারুফ::
এক সময় সিলেট শহরের ঐতিহ্য ও সৌন্দর্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলা হত ৩৬০ আউলিয়ার স্মৃতিধন্য সিলেট ও দুটি পাতা একটি কুড়ির দেশ সিলেট এবং চাঁদনী ঘাটের ঘড়ি, সুরমা নদীর পানি, আলী আমজদের দাড়ী, বঙ্ক বাবুর গাড়ী। এ ঐতিহ্য প্রবিণদের বর্ণনায় বা পত্রপত্রিকার পাতায় খুব সহসাই চোখে পড়তো। কালের বিবর্তনে অনেক কিছু হারিয়ে গেলেও অনেক জিনিষ মানুষের চেষ্টায় বিদদমান থাকে। নদীর রূপ লাবণ্য ফিরে পেতে নদীকে পরিচর্যার প্রয়োজন পড়ে। সব জিনিষের পরিচর্যার দরকার পরিচর্যা যেমন জরুরী তেমনই মানুষের সচেতনতা আরো বেশী জরুরী। সচেতনতা ও আন্তরিকতাই পারে আমাদের দেশের ছোট ছোট নদী-নালা খাল-বিলের সৌন্দর্য বাড়ীয়ে দিতে। গ্রামে-গঞ্জে হাটে-বাজারে যেভাবে মানুষের সৃষ্ট জঞ্ঝাল আমরা দেখি তা রীতিমতো ভয়াবহ আতংকের, কেননা আমরা প্রতিনিয়ত দেখি রাস্তা-ঘাটে পলিথিন ব্যাগে সয়লাব। রাস্তা-ঘাটে নালা-নর্দমায় যেভাবে পলিথিন বা প্লাস্টিকবোতল এর ছড়াছড়ি দেখি তাতে মনে হয় এগুলোর জন্য আগে আইন করা জরুরী এবং মানুষকে সচেতন করতে হবে নইলে সহসাই এই কষ্টের লাগব হবে না। নিষিদ্ধ পলিথিন/বোতল ইত্যাদির কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই সারা শহরময় পানিতে তলিয়ে যায়।

এইসব পলিথিন/বোতলের জঞ্ঝাল ফুটপাতের নালায় যে ভয়াবহ প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি করে এর কারণে বৃষ্টির সময়ে রাস্তা-ঘাটে না বেরুলে না খেয়াল করলে বুঝা প্রায় মুশকিল। আমরা সবসময় অন্যের দোষ খুঁজে ফিরি, আসলে আগে নিজেকেই বদলাতে হবে তারপর অন্যকে। এইসব মনুষ্যসৃষ্ট যন্ত্রণা, মানুষকে এসব বুঝতে হবে ভাবতে হবে। পরিবেশ বিজ্ঞানীরা যেভাবে পৃথিবীর পরিবেশ নিয়ে ভাবছেন তাদের আগাম ভাবনা অনেক বিপদের ইঙ্গিত দেয়। গোটা পৃথিবীতে পরিবেশের উপর যেভাবে মানুষের সৃষ্ট প্রবলেম ধরা পড়ছে তাতে সুন্দর পরিবেশের আকাল দেখা দিবে অচিরেই। বিশেষ করে স্বল্প উন্নত দেশগুলোতে এর প্রভাবই বেশী পড়বে। গত বছর বা তারও আগের বছর বৃষ্টির সিজনে সিলেট শহরের রাস্তা-ঘাটের যে কি ভয়াবহ অবস্থা বিরাজ করছিল তা রীতি মতো আতংকের। বাসা-বাড়ি-দোকান সব কিছুই যেন পানিতে তলিয়ে যেতে বসেছিল। হাওয়াপাড়া, বারুতখানা, লোহারপাড়া, জল্লারপার, দরগামহল্লা ছাড়াও শহরের প্রধান প্রধান রাস্তার ধারের দোকানগুলোতেই পানি উটে গিয়েছিল। পানি উটার একটাই কারণ বৃষ্টির পানি নিঃষ্কাশনের অভাব, অপর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থা তার উপর যত্রতত্র পলিথিন ব্যাগ কিংবা বোতল ফেলা এই জলাবদ্ধতার জন্য দায়ী। এছাড়াও ছড়া-নালার আকৃতি ছোট করে ফেলা পানি উঠা বা জমে থাকার জন্যও দায়ী। এসব মাঠ পর্যায়ে থেকে সিটি কর্পোরেশন এর উচিত এর সংস্কার করা। বৃষ্টির সিজনে শহরের ড্রেনেজ পরিস্কার করে তার উপরে ময়লা আবর্জনার স্তুপ করে রাখা কিন্তু ভিষণ বিরক্তিকর।

এইগুলো সাথে সাথে সরানো হয় না, এইসব দেখতে দৃষ্টিকটু লাগে তথাপি রাস্তার পরিসর ছোট হয়ে আসে এবং সাথে সাথে এ জঞ্ঝালগুলো সরাইয়া না ফেলার কারণে পুনরায় বৃষ্টির কারণে তা আবার ফিরে যায় ড্রেনে। এইসব তদারকি করার কাউকে থাকতে হবে তো? এবার চৈত্র মাসের মাঝামাঝি সময়েই মৌসুমি ঝড়ের সাথে কালবৈশাখীর তা-ব লক্ষ করা গেছে সাথে সাথে এ অসময় বিশেষ করে এই ভরা বসন্তের সময় বর্ষার এতো আয়োজন আগে তেমন হত না। এবার দেখলাম গত সপ্তাহে প্রায় প্রতিদিনই দিনে কয়েক দফা ঝড় তুফান সাথে ভারী বৃষ্টি এবং শিলাবৃষ্টি, তাছাড়া বজ্রপাত এবং বজ্রের শব্দে কানে তালা লাগার উপক্রম হয়। আসলে এসব কিছুই ঘটছে পরিবেশ বদলে যাওয়ার কারণে গোটা পৃথিবীর আবহাওয়া এখন বদলে যাচ্ছে, আবহাওয়ার বিরূপ প্রভাব শুধুই পরিবেশের উপর পড়ছে। সারা পৃথিবীতে গ্রীণ হাউজ এ্যাফেক্ট গ্রাস করে ফেলছে, উন্নত বিশ্বের কলকারখানার কালো ধোঁয়া এবং গাড়ীর ধোঁয়া এবং নানামুখি কোম্পানীর উর্দ্দমুখি গ্যাস নিগর্মনই জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ি। আমাদের দেশেরও গাড়ীগোড়ার কালো ধোয়া ব্রিকফিল্ডের চিমনি বড়বড় কলকারখানাও কম দায়ি নয়। তবে আমাদের দেশের সরকার প্রধান এ ব্যাপারে অনেক সোচ্চার। জলবায়ুর এ বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশ সরকার বিশ্বে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছেন। প্রতি বছর জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ ও তার প্রতিপাদ্য বিষয়ে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। পৃথিবীর সব দেশের এ বিষয়ে শতর্ক থাকতে হবে।

যা বলছিলাম এ বছর বর্ষা মৌসুমের আগেই ঝড়-তোফান-বৃষ্টি শুরু হয়ে যাওয়ার কথা। বৈশাখ বা গ্রীষ্ম কালের পারম্ভেই কিন্তু কালবৈশাখির তা-ব শুরু হতে আমরা দেখি। এই সময়ের আগে উচিত বিদ্যুৎ বিভাগের সচেতন হওয়া। কারণ এবার এই ভরা বসন্তে যখন কালবৈশাখীর ঝড় বা ভারী বৃষ্টি শুরু হল (এপ্রিল প্রথম সপ্তাহ) তখন দেশের চারিদিকে বিদ্যুতের লাইনের উপর গাছ-গাছালীর ডালপালা আছড়ে পড়ার কারণে তার ছিঁড়ে সারা শহরের বিদ্যুতের চরম অবনতি ঘটে যা মৌসুম শুরুর আগেই জনগণের মাঝে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। গত ৫ এপ্রিল রাতে ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ চলে যায়, ঝড়-বৃষ্টির থামলেও বিদ্যুতের দেখা মেলেনি, খোঁজ নিয়ে জানা গেলো সারা দেশময় বিদ্যুতের তারের উপর গাছ-বাঁশ পড়ে গিয়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বিপর্যয় এসেছে। সন্ধ্যা ৮:৪৫ ঘটিকায় বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে সারা রাত বিদ্যুৎহীন থাকার পর কোন কোন এলাকায় ভোর রাতে বিদ্যুৎ এলেও শহরের অনেক জায়গায় বিদ্যুৎ আসে পর দিন দুপুরে বা সন্ধ্যায়। বিদ্যুৎ বিভাগের বাড়তি খাঁটুনি থাকে বৃষ্টির সিজনে তার উপর ট্রান্সফরমার বিকল/বাস্ট হওয়া নিত্যনৈমিত্তিক হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিদ্যুৎ বিভাগকে বৃষ্টির আগে এসব নিয়ে ভাবতে হবে নইলে বিপাকে জনগণকেই পড়তে হয়। যদি শীতের শেষেই ফেব্রুয়ারি-মার্চে শহরের বিভিন্ন জায়গায় গাছগাছালী দেখে আগে থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের (গাছকাটা কর্মসূচি আগে ছিল বর্তমানে আছে কি না জানিনা) উচিত ছিলো এগুলো তদারী করে কেটে ফেলা। না হলে ঝড়-বৃষ্টির সময় এ দুর্যোগ জনগণের উপর বাড়তী বিড়ম্বনা বিদ্যুত ব্যবহারকারী ও ভূক্তভোগি মহল মাত্রই জানেন।

আমি প্রায় ২০ বছর আগে পত্রিকার পাতায় পড়ি যে, পরিবেশ বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণার পর বলেছেন যে পৃথিবীর অনেক দেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে এর প্রভাব বেশী পড়ার কারণে বেশী সমস্যায় পড়বে। তারা বলেছেন বায়ুম-ল স্বর ভারী হয়ে উঠছে (অত্যাদিক কার্বন নির্গমনের কারণে) এবং ক্রমান্বয়ে সমুদ্র পিষ্ঠ ভরে উঠছে। যার কারণে বাংলাদেশে অকারণে খরা-বন্যা ঝড়-ঝঞ্ঝাট এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ লেগেই থাকবে। আগাম শতর্কতার পরেও সংশ্লিষ্ট বিভাগের কাউকেই তো আগাইয়া আসতে দেখি না। যদি এভাবে প্রকৃতির রোষানলে বাংলাদেশ পড়ে তাহলে এদেশের অবস্থা কি হবে? বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী যদি এ দেশের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় তাহলে এদেশের অধিকাংশ মানুষের কি হবে তারা তো তাদের রিপোর্টে বলেছিল। বাংলাদেশের এক তৃতীয়াংশ এরিয়া পানিতে তলিয়ে যাবে। সমুদ্র খননকার্য অনেক দূরহ ব্যাপার এ ব্যাপারে নাই বা কিছু বললাম; কিন্তু আমাদের দেশের নদীগুলীকে সরকার জরুরী ভিত্তিতে কাজে লাগাতে পারেন। নদ-নদীর দেশ বাংলাদেশের যদি তার রূপ লাবণ্য হারায় তাহলে কি হবে মাছে-ভাতে বাঙালি, এই বাঙালির বৃহৎ অংশের মাছ এর জোগান কিন্তু এই নদ-নদী থেকেই আসে। এ নদ-নদী যদি শুকিয়ে যায় তাহলে আমাদের দেশে মাছের আকাল চিরকাল লেগে থাকবে। প্রাকৃতিক নিয়মে আমরা শতশত বছর থেকে নদ-নদী থেকে যে মাছের যোগান পাই তা কি আর পাবো? তাই অচিরেই সরকারের পানি উন্নয়ন বোর্ড ও মৎস্য বিভাগের এ ব্যাপারে আগাইয়া আসা জরুরী নইলে নদী ও তার হারানো যৌবন ফিরে পাবে না। এমনিতেই এখন নদ-নদীর কলকলানী শব্দের দেখা মেলে না তারপর যদি স্থায়ী ভাবে এসব নদ-নদী ধ্বংশ হয়ে যায় তাহলে পাহাড় টিলা নদ-নদীর এ দেশের রূপ লাবণ্য চিরতরে হারিয়ে যাবে। সচেততন মহল মনে করেন এদেশের প্রযুক্তি আর যে জনশক্তি বিদ্যমান আছে তা দিয়ে এখনই কাজে লেগে গেলে আমরা সমূহ বিপদ প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচতে পারব।

আমরা ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার টকশোগুলোতে প্রায়ই দেখতে পাই দেশের স্বনামধন্য পরিবেশ বিজ্ঞানীরা তাদের মতামত সবার সাথে শেয়ার করছেন তারা প্রায় সময়ই বলেন যে এখনই যদি সোচ্চার না হওয়া যায় তাহলে আমাদের দেশের অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। আসলে আমরা সব সময়ই এগুলো আলোচনার মধ্যেই সিমাবদ্ধ থাকতে দেখি কাজের কাজ তেমন হয় না কিছু। দেশে কাজকাম কিছু হচ্ছে না সেটা আমি বলছি না। অনেক দুরদর্শীতা আছে এ সরকারের। অনেক কাজকর্ম হচ্ছে। হরতাল-অবরোধের মাঝেও সরকারী কাজকর্ম থেমে নাই। গ্রামেগঞ্জে শহরের নগরে আমরা কতশত কাজের বিবরণ দিতে পারবো, আসলে আমি সে সবের কথা বলছি না। বলছিলাম দেশের প্রকৃত কাঠামোগুলোতে আরো বেশী সক্রিয় হতে হবে। নইলে সরকারের সব অর্জন ম্লান হয়ে যাবে। এমনিতেই সরকার ছাত্রলীগের কতিপয় কিছু ছাত্রের কারণে বিব্রত। আমি দেখেছি টিভির একটি অনুষ্ঠানে দেশের প্রখ্যাত একজন প্রকৌশলী পরিকল্পনাবিদ অনেক হতাশা পোষণ করেছেন। তিনি বলেছেন নদ-নদী-পাহাড়, বন-বনাঞ্চল জলাশয় এর সাথে মনুষ্যসৃষ্ট প্রবলেমগুলো আগে দূর করতে হবে। যেমন অপরিকল্পিত নগরায়ন এর কারণে অনেক বেশী সমস্যা দেশে বিরাজ মান। বিশেষ করে যত্রতত্র গাছ-গাছালি ধ্বংশ করা, পাহাড়-টিলা কাটা, পুকুর নালা ভরাট করা, নদী-নালা খনন না করা ইত্যাদি। সাথে অপর্যাপ্ত সুবিদা সম্বলিত বাড়ীঘর নির্মাণ, বিল্ডিং কোর্ড না মেনে বিল্ডিং নির্মাণ করা, অপ্রসস্থ রাস্তা ঘাট, মার্কেট দোকানপাঠ পারর্কিংয়ের ব্যবস্থা না রেখে এসব নির্মাণ করা ইত্যাদি নানাবিধ কারণ তারা বর্ণনা করেন।

পরিবেশ রক্ষায় সর্বপরি সবুজের সমারোহ বাড়াতে নির্গত কার্বনড্রাই অক্সাইড এর মাত্রা কমাতে হবে বনভূমি রক্ষা করতে হবে। বনাঞ্চল একটা দেশের প্রাণ তাই বৃক্ষরোপন কর্মসূচী অব্যাহত রেখে গাছ-গাছালি ফলজ-বনজ এর মাত্রা আরো বেশী বাড়াতে জনসাধারণকে উৎসাহীত করতে হবে, নদ-নদী খাল-বিল রক্ষা করতে হবে, নদ-নদীতে খনন কার্য্য অব্যাহত রাখতে হবে, বর্জ্য অপসারণ করা সহ যাহাতে কোন জিনিষ নদ-নদী খাল-বিলে না ফেলা হয় সেটার জন্য আইন করে জরিমানার রেয়াজ রাখতে হবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিরতায় পড়ে গত কয়েক বছরে আন্দোলনের নামে সারাদেশে বিশেষ করে খোদ ঢাকা শহরে যেভাবে বৃক্ষের নিদন হয়েছে তা রীতিমত ভয়ানক। রাজনীতির নামে ধ্বংসাত্মক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ দেশ সরকারের নয় বিরোধী দলেরও নয়, এ দেশ জনগণের। জনগণের সম্পদ নষ্ট করার কারো অধিকার নাই। সবাইকে সোচ্চার হতে হবে এখনই, আন্তরিক হতে হবে বিশেষ করে যদি দেশ পরিচালনাকারী রাজনৈতিক দলগুলি আগাইয়া না আসে তাহলে কীভাবে সর্বত্র সবুজের মাত্রা বাড়বে। টিভির পর্দায় দেখেছিÑ ঢাকার অন্যতম মেয়র প্রার্থী ঢাকাকে সবুজের আওতায় আনতে তার প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতায় কমতি হবে না তার নির্বাচনী ইশতেহারে বলেছেন। দেখী কি হয়Ñ আমরা জনগণতো শুধু সব কর্মকা- দেখে যাচ্ছি সরকারী দল এবং বিরোধী দলের।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: