সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে অনৈতিকভাবে শিক্ষিকা বদলীর ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা কর্মকর্তা সোলেমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

2.-daily-sylhet-ovijugসুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় ২০০৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা যোগমায়া পুরকায়স্থকে নীতিমালা অমান্য করে বদলীর ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় কর্মরত ভারপ্রাপ্ত উপজেলা শিক্ষা অফিসার সুলেমান মিয়ার বিরুদ্ধে অনিয়ম দূর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এই শিক্ষা কর্মকর্তার প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে তাকে বদলী করে পৌর শহরের কে.বি মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী করা হয়। বদলীকৃত শিক্ষিকার চাকুরীর নিয়োগপত্রে উল্লেখ্য যে, তিনি জগন্নাথপুর উপজেলায় স্থায়ীভাবে চাকুরী করিতে ইচ্ছুক থাকলে তিনি কর্মস্থলে যোগদান করিবেন । এই শর্ত অনুযায়ী তৎকালীন শিক্ষা অফিসারের নিকট অঙ্গিকারনামা দিয়ে প্রথম চাকুরীতে যোগদান করেন। কিন্তু শিক্ষিকা অঙ্গীকারনামা ভঙ্গ করে উৎকোচের মাধ্যমে প্রথমবার স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলাধীন শত্রুমর্দন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলী হন।

পরবর্তীতে ঐ শিক্ষিকা চলতি বছরে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী পুণরায় নীতিমালা বহির্ভূতভাবে তিনি জেলা সদরের কে.বি মিয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আদেশমূলে ০১/০৩/২০১৫ইং তারিখে যোগদান করেন। তার স্বামী অনুকুল চন্দ্র দাশ জেলার বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার হিসেবে কর্মরত আছেন। সদর উপজেলায় চলতি বছরে সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদে জ্যেষ্ঠতা লংঙ্ঘন করে উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে বদলীর অনিয়মের অনেক আলামত রয়েছে। এতে করে সাধারণ শিক্ষকরা তাদের বদলীর ন্যায্য সুবিধা হতে বঞ্চিত রয়েছেন। এই বদলীকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে আদেশ দেয়া হয়েছে মর্মে অভিযোগ এনে সুনামগঞ্জ শহরের মাইজবাড়ি এলাকার বাসিন্দা শফিক মিয়া ১ লা মার্চ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর অভিযোগ করেছেন।

ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সুলেমান মিয়ার অনৈতিক কার্যকলাপ ও বদলী নীতিমালা ২০১৫ ভঙ্গ করার অভিযোগটি, গত ৮ এপ্রিল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তদন্তপূর্বক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের আদেশ দেন। কিন্তু অদ্যাবধি তদন্ত কার্যক্রমের কোন আলামত পাওয়া যাচ্ছে না। ভারপ্রাপ্ত শিক্ষা অফিসার সুলেমান মিয়া বৈবাহিক সূত্রে সুনামগঞ্জের বাসিন্দা বটে। ৪ দলীয় জোটের আমলে একজন সক্রিয় জামাত কর্মী হিসেবে তিনি সাবেক এমপি নজির হোসেনের আশীর্বাদপুষ্ঠ ছিলেন। কালো টাকা ও ক্ষমতার দাপটে এ যাবৎ চার বার অত্র সদর উপজেলায় উপজেলা শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালন করেন। স্থানীয় প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির রাজনীতিতেও তিনি পক্ষ অবলম্বন করে শিক্ষকদের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করছেন বলেও কোন কোন শিক্ষকরা জানান। বিষয়টি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও প্রযুক্তি), উপ-পরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা, সিলেট বিভাগ, সিলেট সহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দেরকেও জ্ঞাত করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ সুলেমান মিয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ঐ শিক্ষিকা যোগমায়া পুরকায়স্থকে ৭-১ এর (ক) ধারায় নিয়মনীতি মেনেই বদলী করা হয়েছে। উৎকোচের বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন র্দূনীতি ও অনিয়মের বিন্দুমাত্র কোন সুযোগ নেই। শিক্ষকরা জানান,টাকা ছাড়া তিনি কোন বদলীই কার্যকর করেননা।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: