সর্বশেষ আপডেট : ৩ ঘন্টা আগে
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ভূমিকম্প’ সিলেটের জন্য এক ভয়ানক আতঙ্ক

daily sylhet newsমারুফ হাসান ::
ভূমিকম্প শব্দের সাথে আমরা প্রায় সকলেই পরিচিত। পরিচিত এর ভয়াবহতার সঙ্গেও। পৃথিবীতে এ যাবতকালের বড় বড় ভূমিকম্পগুলো ব্যাপক ক্ষতি সাধনের পাশাপাশি পরিবর্তন এনেছে ভৌগলিক অবস্থানেরও। ২৫ এপ্রিল শনিবার দুপুরের ভূমিকম্প আরো একবার মানুষকে ভাবিয়ে তুলেছে। ভাবিয়ে তুলেছে সিলেটবাসীকেও। প্রায় মিনিট খানেক স্থায়ী এই কম্পন অনুভূত হয় দুপুর সোয়া ১২টায়। ইউএসজিএসের (মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) তথ্য বলছে ৭.৯ রিখটার স্কেলের এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নেপালের পোখরা। দিল্লি, বিহার কলকাতা ও ভারতের বিভিন্ন স্থানে এ ভূকম্পন অনুভূত হয় একই মাত্রায়। ভূমিকম্পের প্রভাবে নেপাল, ভারত আর বাংলাদেশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্রমেই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা।

সিলেটের আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানিয়েছেন, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.২। তিনি আরো জানান, দ্রাগ্রিমাংশ থেকে উৎপত্তিস্থলের দুরত্ব ছিল ২৮ দশমিক ০৯ রেটিচুইট ৮৪ দশমিক ৮৪ রগনিচুইট। এছাড়া ঢাকা থেকে ৭৩৩ ও সিলেট থেকে উৎপত্তিস্থলের দুরত্ব প্রায় ৬২০ কিলোমিটার ছিল।

বিভিন্ন তথ্য ও গবেষণা বলছে সিলেট বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। কেননা ভূমিকম্পের মাত্রা অনুসারে বাংলাদেশকে তিনটি ভূকম্পন বলয়ে ভাগ করা হয়েছে। এক নম্বর বলয়ে ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে ৭ থেকে ৯ বা তার অধিক হতে পারে। এই এক নম্বর বলয়েই আছে সিলেটের নাম। সিলেট ছাড়াও এ বলয়ের আওতাভুক্ত এলাকা হচ্ছে ময়মনসিংহ, রংপুর এবং উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চল।

বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, সিলেট অঞ্চলে ১৯৯৫ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত বছরে প্রায় ৩০০ বার মৃদু ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে। তবে এরপর থেকে সিলেট অঞ্চলে কতবার ভূমিকম্প হয়েছে তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। সিলেট ডিজাস্টার ফোরাম আয়োজিত একাধিক সেমিনারে গবেষক ও বিশেষজ্ঞরা আগামী কয়েক বছরের মধ্যে সিলেটে বড় ধরনের ভূমিকম্প হওয়ার আশঙ্কা ব্যক্ত করেছিলেন।

ফরাসি ইঞ্জিনিয়ারিং কনসার্টিয়াম ১৯৯৮-এর জরিপ অনুযায়ী ১০০ বছরের বেশী সময় ধরে সক্রিয় ভূ-কম্পন এলাকা হিসাবে চিহ্নিত হয়ে আসছে ‘সিলেট অঞ্চল’ । এ পর্যন্ত ১৮৩৩, ১৮৮৫, ১৮৯৭, ১৯০৫, ১৯৩০, ১৯৩৪, ১৯৪৭ ও ১৯৫০ সালের বড় ধরনের আটটি ভূমিকম্প সংগঠিত হয়। এর মধ্যে দু’টিরই উৎপত্তিস্থল ছিল (এপি সেন্টার) সিলেটের জৈন্তা পাহাড়ে। একই উৎপত্তিস্থল থেকে ঘটে যাওয়া দ্বিতীয় ভূমিকম্পের ফলে সমগ্র সিলেট অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এটি ভূ-কম্পনের ইতিহাসে ‘দি গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়াক’ নামে পরিচিত। ১৮৯৭ সালের ভয়াবহতম ভূ-কম্পনটির উৎসস্থল ছিল সিলেট জেলার পূর্ব সীমান্তবর্তী ভারতে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮.৬। ভূমিকম্পটির বিস্তৃতি ছিল উৎসস্থল থেকে প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার ব্যাসার্ধ জুড়ে। এই ভূমিকম্পের কারনে ব্রহ্মপুত্র নদীর গতিপথ পরিবর্তন সহ সিলেট ও আসাম অঞ্চলের উল্লেখযোগ্য ভৌগলিক পরিবর্তন ঘটে। ১৯৫০ সালে আসামে বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণে সিলেট অঞ্চলেও ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছিল। ঐ ভূমিকম্পটি ‘তিব্বত’ নামে ইতিহাসে পরিচিত রয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৮ এর উপরে।

সিলেটে নগরায়ণ হয়েছে অপরিকল্পিতভাবে। গত ১০ বছরে সিলেটে গড়ে উঠেছে বহুতল ভবন, নগর সম্প্রসারণ হচ্ছে অনেকটা খেয়ালখুশিমতো। হাওর, বিল, খাল-নালা, জলাভূমি ভরাট করে, পাহাড়-টিলা কেটে হাউজিং প্রকল্প গড়ে তোলা হচ্ছে। সেখানেও নির্মিত হচ্ছে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বহুতল ভবন । এতে ভূমিকম্প প্রবণ সিলেটে ক্ষতির আশংকা আরো বাড়ছে। সিলেটের জন্য হয়ে উঠছে এক ভয়ানক আতঙ্ক।

ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতির ঝুঁকি হ্রাসে সিলেটে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন নগরীর সব ভবনকে ভূমিকম্প প্রতিরোধক করা। এজন্য নতুন ভবন নির্মাণের আগে মাটি পরীক্ষা করতে হবে। মাটির ধরণের উপর নির্ভর করে ভবনকে একতলা বা বহুতল করতে হবে। জলাশয় ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণ করা যাবে না। ভূমিকম্প প্রতিরোধী ডিজাইনে এবং মানসম্পন্ন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে দালান তৈরি করতে হবে। আর পুরনো দুর্বল ভবনগুলোকে সংস্কার করে শক্তি বৃদ্ধি করতে হবে। সম্ভব না হলে ভেঙ্গে ফেলতে হবে। বিল্ডিং কোড লঙ্ঘন করে কোন অবস্থাতেই ভবন নির্মাণ করা যাবে না।

ভূমিকম্পের সতর্কবার্তা হচ্ছে ভবন ও অবকাঠামো নির্মাণের সময়ই ভূমিকম্পের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। ভূমিকম্প এত দ্রুত ঘটে যায়, ভবনের ভেতর থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগই ঘটে না। তাই অবকাঠামোর নকশা এমনভাবে করতে হবে, কেউ ভবন থেকে বের হওয়ার সুযোগ না পেলেও যেন ভবনের ভেতরে তুলনামূলকভাবে নিরাপদ জায়গাগুলোতে আশ্রয় নিতে পারে। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সংযোগগুলোর নকশাও ভূমিকম্পের কথা মাথায় রেখে করতে হবে।

Earthquake 1করণীয় :
* রেডক্রসের পরামর্শ অনুযায়ী, ভূমিকম্পের সময় আত্মরক্ষার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ‘ড্রপ, কাভার, হোল্ড অন’ পদ্ধতি। এতে তিনটা বিষয় মাথায় রাখলেই হবে। কম্পন শুরু হলে মেঝেতে বসে পড়ুন (ড্রপ), তার পর কোনো শক্ত টেবিল, ডেস্ক বা নিচে জায়গা আছে এমন শক্ত ও দৃঢ় আসবাবের নিচে আশ্রয় নিন (কাভার)। সেখানে গুটিশুটি হয়ে বসে থাকুন (হোল্ড অন)।

* অবশ্য এক পক্ষের মতে, রেডক্রসের এই আত্মরক্ষা পদ্ধতি যুক্তরাষ্ট্রসহ উন্নত দেশগুলোতে বেশি কার্যকর। সেখানে ভবন পুরো ধসের পড়ার চেয়ে আংশিক ধস বা গায়ের ওপর আসবাবপত্র পড়ে আহত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। সে ক্ষেত্রে ‘ড্রপ, কাভার, হোল্ড অন’ পদ্ধতি কার্যকর হলেও অনুন্নত দেশগুলোতে যেহেতু ভবন নির্মাণে ভূমিকম্পের বিষয়টি অবহেলা করা হয়, তাই এটি সেসব দেশে ততটা কার্যকর নাও হতে পারে।

* তাই সম্ভব হলে দ্রুত ভবন থেকে বেরিয়ে পড়ুন। লিফট ব্যবহার না করাই ভালো। কারণ ভূমিকম্পের পর পরই আবারও কম্পন হতে পারে, যা ‘আফটার শক’ বা পরাঘাত। তাছাড়া বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটতে পারে। তখন লিফট হয়ে উঠবে মরণফাঁদ। সিঁড়ি ব্যবহার করুন বেরিয়ে আসতে। কিন্তু ভুল করেও সিঁড়িতে আশ্রয় নেবেন না। ভবন ধসে পড়লে সবার আগে সিঁড়ি ধসে পড়ার শঙ্কাই বেশি। তাড়াহুড়ো করবেন না। যথাসম্ভব মাথা ঠান্ডা রাখুন। একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, ভূমিকম্পের কারণে মানুষের মনে দেখা দেওয়া আতঙ্ক থেকে হুট করে ভবন থেকে লাফিয়ে পড়া, তাড়াহুড়ো করতে দিয়ে পদপিষ্ট করায় আহত ও নিহতের সংখ্যা বেশ উল্লেখযোগ্য।

* ভবন ধসে পড়ার সময় ছাদ ধসে পড়লে সেটা যার ওপরে পড়ে, ঠিক তার পাশে একটা ফাঁকা জায়গা তৈরি হয়। উদ্ধারকর্মীরা একে বলেন ‘সেফটি জোন’ বা ‘নিরাপদ অঞ্চল’। তাই ভূমিকম্পের সময় সোফা বা এ ধরনের বড় শক্তিশালী আসবাবের পাশে গুটিশুটি মেরে বসে থাকুন।

* এসব করা সম্ভব না হলে চেষ্টা করবেন ভবনের এমন কোনো দেয়ালের পাশে নিয়ে আশ্রয় নিতে, যে দেয়ালটি বাইরের দিকে। যেন সেই একটি দেয়াল ভেঙে আপনাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। আশ্রয় নেওয়ার সময় মাথার ওপর এক বা একাধিক বালিশ নিয়ে রাখবেন। মাথার চোট বাঁচানো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

* ঘরের কোণে এবং কলাম ও বিমের তৈরি ভবন হলে কলামের গোড়ায় আশ্রয় নিতে পারেন। ছাদের তুলনায় নির্মাণের দিক দিয়ে এগুলো তুলনামূলক বেশি দৃঢ়।

* আধা পাকা বা টিন দিয়ে তৈরি ঘর থেকে বের হতে না পারলে শক্ত খাট বা চৌকির নিচে আশ্রয় নিন।

* আপনি ভবনের উঁচু তলার দিকে থাকলে কিংবা ভূমিকম্প রাতে হলে দ্রুত বের হওয়া সম্ভব নাও হতে পারে। সে ক্ষেত্রে ভবনের ভেতরে আশ্রয় নেওয়ার ওপরের নির্দেশনা মেনে চলুন।

* গাড়িতে থাকলে যথাসম্ভব নিরাপদ স্থানে থাকুন। আশপাশে বড় ভবন নেই এমন জায়গায় গাড়ি পার্ক করতে পারেন। কখনো সেতুর ওপর গাড়ি থামাবেন না।

* ভূমিকম্পের পর পরই গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগগুলো পরীক্ষা করে নিন। ভূমিকম্পের ফলে এসব সংযোগে সমস্যা হতে পারে। গ্যাস, পানি ও বিদ্যুতের প্রধান সংযোগগুলো বন্ধ করে দিন। কোথাও কোনো লিক বা ক্ষতি দেখলে অভিজ্ঞ মিস্ত্রির সাহায্য নিন।

* টাকা বা অলঙ্কারের মতো কোনো কিছু সঙ্গে নেওয়ার জন্য অযথা সময় নষ্ট করবেন না। মনে রাখবেন, জীবনটাই সবচেয়ে বড় সম্পদ। অধিকাংশ ভূমিকম্পই মাত্র কয়েক সেকেন্ডে ভয়ংকর সর্বনাশ ঘটিয়ে দেয়।

* বড় ভূমিকম্পের পর পরই আরেকটা ছোট ভূমিকম্প (আফটার শক) হয়। তাই একবার ভূমিকম্প থেমে গেলেই নির্ভার হবে না। সতর্ক থাকুন, সাবধান থাকুন।

* যদি ভবন ধসে আটকাও পড়েন, বেরিয়ে আসার কোনো পথ খুঁজে না পান, আশা হারাবেন না। সাহস রাখুন। সাহস আর আশাই আপনাকে বাঁচিয়ে রাখবে। ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। উদ্ধারকারী পর্যন্ত আপনার চিত্কার বা সংকেত পৌঁছানো যায় কী করে, ভাবতে থাকুন। ২০০৫ সালে পাকিস্তানে ভূমিকম্পে আটকা পড়া নকশা বিবি ৬৩ দিন ধ্বংসস্তূপের নিচে বেঁচে ছিলেন। রানা প্লাজা ধসের ১৭ দিন পর রেশমাকে উদ্ধার করা হয়। এর আগে তেজগাঁওয়ে ফিনিক্স ভবন ধসের ১২০ ঘণ্টা পর নিখিল নামের একজনকে উদ্ধার করা হয়।
মানুষের শ্রেষ্ঠত্ব তাঁর টিকে থাকার তীব্র আকাঙ্ক্ষায়। ‘মরিবে না। সে কিছুতেই মরিবে না। বনের পশু যে অবস্থায় বাঁচে না সেই অবস্থায়, মানুষ সে বাঁচিবেই।’

ভূমিকম্প কী:
ভূ-অভ্যন্তরে শিলায় পীরনের জন্য যে শক্তির সঞ্চয় ঘটে, সেই শক্তির হটাৎ মুক্তি ঘটলে ভূ-পৃষ্ঠ ক্ষনিকের জন্য কেঁপে ওঠে এবং ভূ-ত্বকের কিছু অংশ আন্দোলিত হয়। এই রূপ আকস্মিক ও ক্ষনস্থায়ী কম্পনকে ভূমিকম্প (Earthquake) বলে। কম্পন-তরঙ্গ থেকে যে শক্তির সৃষ্টি হয়, তা ভূমিকম্পের মধ্যমে প্রকাশ পায়। এই তরঙ্গ ভূ-গর্ভের কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলে উৎপন্ন হয় এবং উৎসস্থল থেকে চতুর্দিকে ছড়িয়ে পরে। ভূমিকম্প সাধারনত কয়েক সেকেণ্ড থেকে এক/দু-মিনিট স্থায়ী হয়। মাঝে মাঝে কম্পন এত দূর্বল হয়, তা অনুভব করা যায় না। কিন্তু শক্তিশালি ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পে ঘর-বাড়ি ও ধন-সম্পত্তির ব্যপক ক্ষয়ক্ষতি হয় এবং অসংখ্য প্রাণহানি ঘটে বলে জানান বিশেষজ্ঞরা।

পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখান থেকে ভূকম্প-তরঙ্গ উৎপন্ন হয়, তাকে ভূমিকম্পের কেন্দ্র বলে। এই কেন্দ্র থেকে কম্পন ভিন্ন ভিন্ন তরঙ্গের মাধ্যমে সব দিকে ছরিয়ে পড়ে। শিলার পীড়ন-ক্ষমতা সহ্যসীমার বাহিরে চলে গেলে শিলায় ফাটল ধরে ও শক্তির মুক্তি ঘটে। তাই প্রায়শই ভূমিকম্পের কেন্দ্র চ্যুতিরেখা অংশে অবস্থান করে। সাধারনত ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ১৬ কিমি.-র মধ্যে এই কেন্দ্র অবস্থান করে। তবে ৭০০ কিমি. গভীরে গুরুমণ্ডল (Mantle) থেকেও ভূ-কম্পন উত্থিত হতে পারে।

সাধারণত তিনটি প্রধান কারণে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়ে থাকে। ভূপৃষ্ঠজনিত, আগ্নেয়গিরিজনিত, শিলাচ্যুতিজনিত। তবে কখনো কখনো আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণ ও গলিত লাভা উৎক্ষিপ্ত হবার কারণে ভূমিকম্পের সৃষ্টি হতে পারে।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: