সর্বশেষ আপডেট : ৩ মিনিট ৫ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

গোয়াইনঘাট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়ম

IMG_3031-300x225ডেইলি সিলেট ডেস্ক :: গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসকরা অবস্থান না করায় অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে। দেড় ডজন ডাক্তার পোষ্টিং থাকলেও অবস্থান করেন শহরে। গুরুত্বপূর্ণপদ আর,এম,ও, ল্যাব টেকনিশিয়ান নেই, এক্সরে , ইসিজি বিকল, আউট ডোরে স্বাস্থ্য শিক্ষার জন্য টিভি, সিডি সেটটি খুলে নেয়া হয়েছে। কমপ্লেক্সটিতে চরে ভেড়ায় গরু-দেখার কেউ নেই।

উপজেলাবাসীর একমাত্র স্বাস্থ্য সেবার প্রতিষ্টান এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবা কার্যক্রম ব্যহতসহ নানা অনিয়ম বিরাজ করছে।
চিকিৎসকের ২২ পদে ১৫জন ডাক্তার পোস্টিং থাকলেও দায়িত্ব পালন করেন শহর থেকে এসে। কমপ্লেক্সে জরুরী বিভাগ ও আভ্যন্তরিন বিভাগে ডাক্তার থাকেন না। জরুরী বিভাগে সেবা দেন ওয়ার্ডবয়। আর,এম,ও নেই কয়েক বছর ধরে। রোগীর ওয়ার্ড দিবা-রাত্রি থাকে ডাক্তার শূন্য। ফলে ভর্তি রোগীরা সেবার ক্ষেত্রে বিড়ম্বনার শিকার হন। ল্যাব টেকনিশিয়ান না থাকায় রোগ নির্ণয়ে গরিব রোগীরা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। এক্সরে, ইসিজি থাকলেও রয়েছে বিকল। আউটডোরে জনস্বার্থে স্বাস্থ্য শিক্ষার জন্য দেয়া টিভি-সিডি সেটটি খুলে নেয়া হয়েছে। ৩১ শয্যার কমপ্লেক্সটি ২০১১ সালে ৫০ শয্যায় উন্নিত হলেও সেবা কার্যক্রমের উন্নতি হয় নি। তদারকির অভাবে বিরাজ করছে অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা। কমপ্লেক্সটিতে চড়ে বেড়ায় গরুর পাল, যেন রাখাল বিহীন কমপ্লেক্স। ছুটির দিনে পালাক্রমে ২/১ জন চিকিৎসক তাদের বাসভবনে থাকেন। শুক্রবার বিকাল ৩ টায় সরজমিন গিয়ে দেখা যায় জরুরি বিভাগ ও ওয়ার্ডে কোন ডাক্তার নেই। হাসপাতাল প্রাঙ্গণে চড়ে বেড়াচ্ছে গরু।

প্রায় ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে নব-নির্মিত ভবনের নীচ তলায় কয়েকটি কক্ষে আউটডোরের কার্যক্রম চললেও দু’তলায় কোন কার্যক্রম নেই। যত্র-তত্র ময়লা-আবর্জনা জমা রয়েছে। টয়লেটের অবস্থা নাজুক, বিরাজ করছে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ। জনসাধারণের স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতনতার জন্য সাবেক স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাঃ ফরিদুল ইসলাম লতিফির ব্যক্তিগত উদ্যোগে আউটডোরে একটি টিভি-সিডি সেট ওয়ালে বসানো হয়েছিল যা আউটডোর চলাকালীন সময়ে চলতো এবং আগত রেগীরা স্বাস্থ্য বিষয়ে জানতে পারত। গত মাস দেড়েক সময় থেকে উক্ত সেট টি খুলে নিয়ে জনসাধারণকে স্বাস্থ্য শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। জানা যায় সেটটি প্রধান ডাক্তারের বাসায় ব্যবহৃত হচ্ছে। সরকার স্বাস্থ্য সেবা নিঞ্চিত করতে গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসক থাকার নির্দেশ দিলেও চিকিৎসকরা তা পালন করছেন না। হাসপাতালের আউটডোর সেবা বেলা আড়াইটা পর্যন্ত চলার কথা থাকলেও ১টায় বন্ধ হয়ে যায়। গত জানুয়ারীর শেষ দিকে নবাগত স্বাস্থ্য প্রশাসকের যোগদানের পর স্বাস্থ্য সেবায় পরিবর্তন আসার প্রত্যাশা করেছিল এলাকাবাসী। কিন্ত এখনও আউটডোর-ইনডোর এবং জরুরী বিভাগে চিকিৎসকের পরিবর্তে নার্স, ওয়ার্ডবয়দের চিকিৎসাই নিতে হচ্ছে জন সাধারনের। অনিয়ম-অব্যবস্থাপনা নিরসনে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: