সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দাদা এলেন বৃষ্টি নিয়ে…

Untitled-3 copyবিনোদন ডেস্ক :: কোক স্টুডিও। এখানে প্রতিনিয়ত চলতে থাকে বিজ্ঞাপন ও চলচ্চিত্রের দৃশ্যধারণ। দুপুরের কড়া রোদ প্রবেশ করি স্টুডিওতে। ঢুকতেই দেখলাম একঝাঁক কবুতর। নিছক দুষ্টুমি ভেবে সামনে এগিয়ে দেখি কয়েকজন মানুষ একটি পানি রাখার পাত্র সিমেন্ট দিয়ে প্লাস্টার করছে। জিজ্ঞেস করাতে বলল- ‘এখানে পানি রাখা হবে।’ জানা গেল এটি ব্যবহার করা হবে শুটিংয়ে। আরও কিছু বলার আগেই তারা বলল, ‘ভেতরে কাজ চলছে, চলে যান। আমরা সেটের কাজ শেষ করি, নয়তো বস রাগ করতে পারে।’ কথা না বাড়িয়ে চলে গেলাম এক নাম্বার ফ্লোরের ছাদে।

এরই মধ্যে শুটিং শুরু হয়েছে। অলিম্পিকের একটি বিস্কুটের বিঙ্গাপন। নির্মাতা এস এম সালাউদ্দিন। অপেক্ষার শুরু না হতেই সেটে আসলেন মডেল সাবিলা নুর। তার আন্তরিক জিজ্ঞাসা, ‘কেমন আছেন? বললাম ভাল। অনেকদিন পর বিজ্ঞাপন করছেন নাকি? বললেন ‘হ্যাঁ, দেড়বছর পর।’ তার সাথে রয়েছে অ্যামিলি। কথায় কথায় আরো জানালেন,‘ মেকাপরুমে লাক্সের নাদিয়া আছে। তিনিও একই নির্মাতার আরেকটি পণ্যের বিজ্ঞাপনে কাজ করছে’।

সবাই এসে পৌঁছানোর পর শুরু হলো বিজ্ঞাপনের কাজ। বেশ রুটিন মাফিক কাজ। প্রতিটি দৃশ্যের ডিটেইলস করা আছে। লাইট ও এ্যাঙ্গেল পরিবর্তন করে বেশ কয়েকটি দৃশ্যধারণ হলো। বিস্কুট হাতে বেশ কয়েকরকম ভঙ্গিতে দাঁড়ালেন, সামনে আসলেন। ক্লোজ শটে ধরা পড়লো মনোমুগ্ধকর হাসি। একজন বেশ কিছু জায়গায় পুরো চিত্রায়ন টা কেমন হবে বুঝালেন। আবার সেটে দাড়ালেন বিস্কুট হাতে। মনে হলো বেশ হিসেব করে বিস্কুট খেতে হচ্ছে তাকে। বলা তো যায় না, ঠিক কয়টা বিস্কুট খাওয়া লাগবে। তবে বেশি কস্ট করতে হলো না। তিন-চারটি বিস্কুট শেষ করেই শেষ করলেন চিত্রায়ন। বোঝা গেল, বিজ্ঞাপনে নাটক ও চলচ্চিত্রের মতো এত্ত ঝক্কি নেই। সবকিছু ছিমছাম। সাবিলার দৃশ্যধারণের পর বিদায় নিয়ে চলে গেল। এরমধ্যে চায়ের ব্রেক। খবর নিয়ে জানা গেল এখনো মেকআপ শেষ করতে পারেননি নাদিয়া। অগত্যা চা খেতে রাজি হতে হলো। তার আগে চেয়ে নিলাম একগ্লাস ঠাণ্ডা পানি। প্রচণ্ড গরমে তখন হাঁপানোর মতো অবস্থা।

পানি খেতে খেতেই ভাবছিলাম বৃষ্টি হলে ভাল হত। ভাবলাম একবার মেকআপ রুম ঘুরে আসা যাক। একটু এগোতেই দেখি বিনোদনের আরেক সংবাদকর্মী আসছেন। তাকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে গেলাম মেকআপ রুমের দিকে। এসি রুমে ঢুকে স্বস্তি পেলাম খানিকটা। মনে হলো নাদিয়ার আরও সময় লাগবে। দশ মিনিট অপেক্ষা করার পর মনে হলো ছাদ থেকে ঘুরে আসি। ছাদে উঠে আশ্চর্য হতে হলো। কেবল আমরা নয়, প্রচণ্ড গরম থেকে রক্ষা পেতে আরও অনেকেই ছাদে উঠে এসছেন। সবাইকে লাল চা দেয়া হলো। গায়ে বৃষ্টির ফোঁটা পরল। মনে হলো এখনি জোরে বৃষ্টি নামবে। বলতে বলতেই শুরু হলো অঝোর বৃষ্টি। ওই দিকে নিচ থেকে শুনতে পেলাম কেউ একজন বলে উঠল। দাদা আসছে! দাদা আসছে!

মানে অমিতাভ রেজা আসলেন। অবাক হলাম কিছুটা। জানতে পারলাম তিনি লোকেশন দেখতে আসছেন। কী অবাক কাণ্ড, উনি আসলেন আর বৃষ্টি! তিনি কি জানতেন এ মেঘের খবর!

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: