সর্বশেষ আপডেট : ২৫ মিনিট ৫৮ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মৌলভীবাজারে বিদ্যুত বিপর্যয়ে মনু সেচ প্রকল্পের পাম্প বন্ধ : হাওরে পানি বৃদ্ধি

daily sylhet Moulvibazar newsজালাল আহমদ::
মৌলভীবাজারে চরম বিদ্যুত বিপর্যয়ের কারণে পানি নিষ্কাশন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কাউয়াদীঘি হাওরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে প্রতিদিনই। ফলে ইতোমধ্যে নিম্নাঞ্চলের বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। কৃষকেরা অর্ধপাকা ধান কেটে ঘরে তোলার চেষ্টা করছেন। কৃষকরা জানান, এভাবে পানি বাড়লে এবং নিষ্কাশন পাম্প চালু না হলে হাওরের বোরো ধান উঠানো মুশকিল হবে। গত মঙ্গলবার রাতে জেলার বিভিন্ন এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুত লাইনের ওপর গাছ উপড়ে পড়লে বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে হেলে পড়ায় মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

মৌলভীবাজার বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ডেও একটি সূত্র জানিয়েছে, ঝড়ে মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল ৩৩ কেভি লাইনের অন্তত ৬টি খুঁটি ভেঙে গেছে এবং একটি হেলে পড়েছে। এছাড়া বিভিন্ন লাইনের ওপর বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ায় তার ছিঁড়ে গেছে। এমনকি ইনস্যুলেটর পিন ভেঙে বিদ্যুত বিছিন্ন হয়ে পড়ে পুরো জেলায়। গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত অনেক স্থানেই বিদ্যুত সরবরাহ স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি। বিদ্যুত না থাকায় মৌলভীবাজার মনু সেচ প্রকল্পের কাশেমপুর পাম্প হাউজের ঢলের পানি নিষ্কাশনের সেচ পাম্প বন্ধ রয়েছে। এতে বৃষ্টি এবং উজান থেকে নেমে আসা পানি জমে নি¤œাঞ্চলের বোরো ফসল তলিয়ে গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সেচ প্রকল্পের আওতাভুক্ত হাওর কাউয়াদীঘির শালকাট্টা, রুকুয়া, কুশুয়া, উলাউলি, কাটারি, শেওয়াইজুড়ি ও মাছুখালি ইত্যাদি এলাকার বোরো ধানের ফসল পানির নিচে তলিয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা কোমর পানি, বুক সমান পানিতে নেমে অর্ধপাকা ধান কেটে তোলার চেষ্টা করছেন। কৃষকরা জানান, কাশেমপুর সেচপাম্প চালু থাকলে এভাবে হাওরে পানি বৃদ্ধি পেতো না। ফসলও তলিয়ে যেতো না।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এর সহকারী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) হোসাইন উদ্দিন সিদ্দিকী হাওরে পানি বৃদ্ধির সত্যতা স্বীকার করে জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে এখন পর্যন্ত বিদ্যুত সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। হাওরে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। গতকাল রেকর্ড অনুযায়ী হাওরে ৪.৮৬ সেন্টিমিটার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়ে বিদ্যুত উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এর মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ ফিরোজ কবীর জানান, মঙ্গলবার রাতের ঝড়ে মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল ৩৩ কেভি লাইনের অন্তত ৬টি খুঁটি ভেঙে গেছে। তাছাড়া বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকটি গাছ লাইনের ওপর পড়ার কারণে লাইন বিচ্ছিন্ন রয়েছে। মেরামতের কাজ চলছে। শীঘ্রই বিদ্যুত সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: