সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
শুক্রবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সিটি নির্বাচনে ৩৫% কে বাদ দিয়ে তিলোত্তমা ঢাকা সম্ভব নয়

প্রার্থীদের ছোটাছুটি আর ব্যস্ত নগরের মানুষদের প্রতিদিনের জীবন সংগ্রাম, এরই মধ্যে এগিয়ে আসছে নির্বাচনের তারিখ। নির্বাচনকে ঘিরে এখনও তেমন অশান্ত কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলেও সোমবার কারওয়ান বাজারে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে সংঘটিত হামলাটি দুঃখজনক। এ ধরণের ন্যাক্কারজনক হামলা মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী মনোভাব তীব্র করবে। এ ধরণের উস্কানীমূলক ঘটনা শুধু সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনই নয়, বরং পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেই ঘোলাটে করে তুলতে পারে।

Dhaka city _dailysylhetআতাউর রহমান মিটন ::
ঢাকার বাতাসে সিটি নির্বাচনের ঝড় বইছে। বৈশাখের তীব্র দাবদাহের উত্তাপকে যেন সহনীয় করে দিয়েছে নির্বাচনের হাওয়া। প্রার্থীদের ছোটাছুটি আর ব্যস্ত নগরের মানুষদের প্রতিদিনের জীবন সংগ্রাম, এরই মধ্যে এগিয়ে আসছে নির্বাচনের তারিখ। নির্বাচনকে ঘিরে এখনও তেমন অশান্ত কোন পরিস্থিতি সৃষ্টি না হলেও সোমবার কারওয়ান বাজারে খালেদা জিয়ার গাড়ি বহরে সংঘটিত হামলাটি দুঃখজনক। এ ধরণের ন্যাক্কারজনক হামলা মানুষের মধ্যে সরকারবিরোধী মনোভাব তীব্র করবে। এ ধরণের উস্কানীমূলক ঘটনা শুধু সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনই নয়, বরং পুরো রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেই ঘোলাটে করে তুলতে পারে। মনে রাখতে হবে, ষড়যন্ত্রকারীরা সক্রিয়। যা হোক, বুধবারের আহুত হরতালকে ঘিরে ব্যাপক কোন সহিংসতা না ঘটলে, আশা করা যায় এ মুহূর্তে দেশে বড় ধরণের কোন রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হবে না।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে উভয় নগরের বাসিন্দা, গণমাধ্যম, এমনকি সরকারি অফিসেও তুমুল উত্তেজনা পরিলক্ষিত হচ্ছে। নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ গণকদের মত করে অনেকে আবার ফলও বলে দিচ্ছেন। প্রায় তিনমাসের অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্ত হয়ে নগরবাসী যেন এই নির্বাচনকে ঘিরে নবপ্রাণের জোয়ারে ভাসছে। একটা চাপা ভয় থাকলেও মানুষ আশা করে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে। এই নির্বাচনে সরকারি দলের যে কোন নগ্ন হস্তক্ষেপ দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ওভাবে ক্ষমতাসীনদের মনোনীত প্রার্থীরা জিতলেও হারবে বাংলাদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক মনোভাব ও সহনশীলতা।
রাজধানী শহর ঢাকা অন্তহীন সমস্যার এক ভুতুড়ে নগরী। বাণিজ্যিক নগরী চট্টগ্রামের সমস্যাও কম নয়। হঠাৎ করে ভোটে জিতেই কেউ এই শহরকে তিলোত্তমা বানিয়ে দিবেন, সমস্যার পাহাড় কেটে শোভিত ফুলের বাগান তৈরি করবেন, ঢাকা বা চট্টগ্রাম হবে বিশ্বের উন্নত এক মহানগর এমন আশা করা বোকামি। আর যাঁরা এমন আশ্বাস দিচ্ছেন তাঁরা হয় মিথ্যা বলছেন নয়তো জনগণকে আহাম্মক ভাবছেন। জনগণ আসলে এত অঙ্গীকার চায় না, বেশি কিছু নয় তারা চায় সিটি কর্পোরেশন সরকার ঘোষিত সিটিজেন চার্টার অনুযায়ী প্রদেয় সেবাটুকু শুধু নিশ্চিত করুক। নাগরিকরা তাদের নূ্যনতম অধিকারটুকু যেখানে পান না সেখানে অতি আশ্বাসের দরকার কী? আজ যাঁরা ভোটে জেতার জন্য রাস্তায় ঝাড়ু দেয়ার ফটোসেশন করছেন, ভোটে জেতার পর তাদেরকে কালো কাঁচে ঢাকা বিলাশবহুল জিপ এর বাইরে সামান্য সময়ের জন্য দেখা যাবে তো? ভোটের আগে কোল্ড ড্রিংকস আর ভোট শেষে এক গ্লাস পানিও নয় – এটাই আমাদের অভিজ্ঞতা!
স্বপ্নের শহর ঢাকায় স্বল্প আয়ের মানুষের বসবাস অনেক। উপায়হীন, বস্তিজীবন বেছে নেয়া প্রান্তিক মানুষগুলোর পদভারে মুখরিত এই শহর। এরা কোন দলের ধার ধারে না। নির্বাচনে এরা কোন প্রার্থীকে নিয়েও তেমনভাবে উল্লসিত নয়। তাদের চোখে সকল প্রার্থীই ভাল কিন্তু মন্দ শুধু তাদের কপাল। কপাল মন্দ না হলে কি এভাবে বস্তিবাসীর জীবন বেছে নিতে হয়? খুব শখ করে কি কেউ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে খিলগাঁও এর টিনের প্রাসাদের মত মৃত্যুকূপে আশ্রয় নিয়ে নিজেকে জীবন্ত পুঁতে ফেলতে চায়? কেউই চায় না। কিন্তু উপায় কি? নির্বাচিত হয়ে ঢাকার মেয়রেরা কি এই বস্তিবাসীদের জন্য সহজ কিস্তিতে মানসম্পন্ন বাসা পাবার ব্যবস্থা করবেন?
যে বুড়িগঙ্গা নদীকে ঘিরে এই ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন ঘটেছিল, যাঁর বুকেই বিকাশ ঘটেছিল নম্র, স্নিগ্ধ, কাশবনের মত কোমল এক শহরের সেই বুড়িগঙ্গা আজ কোথায়? কি তার দশা? নির্বাচিত মেয়রেরা কি যৌথভাবে বুড়িগঙ্গাসহ ঢাকার চাপাশের নদীগুলো বাঁচাতে পদক্ষেপ নিবেন? ভূমি দস্যুদের হাত থেকে এই শহর ঘিরে থাকা খাল, বিল ও পুকুরগুলোকে কি তাঁরা বাঁচাতে পারবেন? তাঁরা কি সাহস করে সরকারকে এই কথাটা বলতে পারবেন যে, ‘ঢাকাকেন্দ্রিক উন্নয়ন’ ধারণাটাই ভ্রান্ত? দেহের অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকে অবহেলা করে কেবল মুখ ফর্সাকারী ক্রিমের মত ঢাকাকে ফর্সা করার চেষ্টাটাই অযৌক্তিক?
সিটি কর্পোরেশন একা ঢাকাকে বাঁচাতে পারবে না। এর জন্য সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। দরকার কার্যকর সমন্বয়। মানুষকে সংগঠিত করে সরকারের কাছ থেকে ‘নগর সরকার’ বা ‘সিটি গভর্নমেন্ট’ পদ্ধতি আদায় করতে হবে। বুড়িগঙ্গার কালো পানি আজ যেমন বিষাক্ত, তেমনি অপরিকল্পিত দালান-কোঠায় ঠাসাঠাসি হয়ে থাকা বড়সড় এই ‘ঢাকা বস্তি’ আজ সত্যিই বসবাসের অনুপোযুক্ত এক শহর। মহানগরের প্রায় ৩৫% মানুষ স্বল্প আয় করে। তাঁরা হয় ভাসমান, নয়তো বস্তিগুলোতে কোনরকমে মাথা গুঁজে বাস করে। সরকারের সামষ্টিক উন্নয়ন পরিকল্পনা ও উদ্যোগ ছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে কারো পক্ষেই এই শহরের নাগরিক সেবার মান ও পরিধি বৃদ্ধি করা সম্ভব নয়।
ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। অতীতেও এই শহরটি একাধিকবার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছিল কিন্তু তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। রাজধানী শহর বলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকার পরিচালনা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, শিক্ষা-গবেষণা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই শহরের গুরুত্ব দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। যে ধরণের কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা, উদ্যোগ ও বিনিয়োগ এই শহরকে ঘিরে নেয়া প্রয়োজন ছিল তা কিন্তু অতীতে নেয়া হয়নি বরং নগর ভবনকে পরিণত করা হয়েছে অনিয়মের স্বর্গরাজ্যে। প্রান্তিক মানুষের খাদ্য অধিকার, তাঁর বাসস্থান, সাধারণের জন্য নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য কেউ সমন্বিত কোন পরিকল্পনা গ্রহণ করেননি। বছর বছর লোক দেখানো খয়রাতি প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্যাপক দুর্নীতি ও লুটপাটের কবলে বিলীন হয়ে গেছে সব। মানুষের কপালে জুটেছে শূন্য থালা আর বঞ্চনার তিলক।
বাংলাদেশের বিদ্যমান এককেন্দ্রিক শাসন কাঠামোয় ‘নগর সরকার’ এর দাবী সরকার এত সহজে বাস্তবায়ন করবে না। কারণ স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার বিষয়ে ভোটের মাঠ গরম করে বক্তব্য দেয়া যতটা সহজ, গদিতে বসে নিজের ক্ষমতা কেটে সংকুচিত করার মত বোকা নীতি-নির্ধারক আমাদের দেশে নিতান্তই কম। আমাদের উপজেলা পরিষদ কি কোন কার্যকর প্রতিষ্ঠান? দেশের অন্যান্য সিটি কর্পোরেশনগুলোতে আমরা কি ধরণের বাস্তবতা লক্ষ্য করছি? ‘মানবিক ঢাকা’ কথাটা কানে প্রশান্তি এনে দেয়। মিলেমিশে ঢাকা গড়ার অঙ্গীকার খুবই শ্রুতিমধুর। ‘ঢাকা ডায়ালগ’ সত্যিই প্রয়োজন। তারও চেয়ে বেশি প্রয়োজন সিটি কর্পোরেশনকে কার্যকর ও দুর্নীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা। যাঁরা এসব করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন ভোটাররা তাঁদের কথা সহৃদয়তার সাথে বিবেচনা করতে পারেন। তবে বলে রাখা ভাল এককভাবে কোন একজন মেয়র দক্ষ বা আগ্রহী হলেও ঢাকা বা চট্টগ্রাম মহানগরের চিহ্নিত সমস্যাগুলিরও সমাধান করা সহজ হবে না। এর জন্য সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, বর্তমান প্রশাসনিক কাঠমোয় মেয়রদের হাতে নর্দমা-রাস্তা পরিষ্কার, মেরামত, মশা নিয়ন্ত্রণ এবং বাতি সচল রাখা ছাড়া তেমন কিছুই করার নেই। ঢাল নেই, তলোয়ার নেই তবু তাঁরা যানজট, ছিনতাই, মাদকাসক্তি, দখল-সন্ত্রাস ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণের অঙ্গীকার করেন তাহলে সেটা তিনি কিভাবে করবেন? তবে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে একজন মেয়র নিঃসন্দেহে আওয়াজ তুলতে পারেন। জনগণকে সাথে নিয়ে গণমাধ্যমের সহযোগিতায় তিনি সরকারের সাথে কার্যকর নেগোসিয়েশন বা সমাঝোতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে পারেন।
কার্যকর সিটি কর্পোরেশন গঠন করে বাসযোগ্য নগরী গড়ে তোলার পথে চ্যালেঞ্জ বহুবিধ। কিভাবে সেই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করা যায় সেটা নিয়ে আলোচনা হওয়া খুবই জরুরী। এবারের ঢাকা সিটি মেয়র নির্বাচনে বয়স ও মানসিকতা উভয় বিবেচনাতেই তারুণ্যে ভরপুর প্রার্থীরা অনেক উৎসাহ-ব্যঞ্জক কথাবার্তা বলছেন, আশ্বাস দিচ্ছেন। এগুলো শুনতে সত্যিই খুব ভাল লাগছে। বিশেষ করে তাঁরা যখন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন, ‘নগর ভবনকে তাঁরা দলীয় কার্যালয়ে পরিণত করবেন না, নির্বাচনে যাঁরা হেরে যাবেন তাঁদের মেধা কাজে লাগাতে তাঁরা বরং উপদেষ্টা বা পরামর্শ পর্ষদ গঠন করবেন’ – তখন আমরা আশাবাদী হই। সকলকে নিয়ে উপদেষ্টা পর্ষদ গঠন করে একসাথে কাজ করার এই ধারণা বাস্তবে কতখানি সম্ভব হবে তা নিয়ে সংশয় থাকলেও আমরা সেই শুভ প্রচেষ্টা দেখার অপেক্ষায় থাকলাম।
জয়-পরাজয় থাকবেই। ভোটাররা ঠিক করবেন কেমন নেতৃত্ব তাঁরা বেছে নিবেন। তবে যে কথাটা আমি পুনরায় জোর দিয়ে বলতে চাই তাহলো সমুদ্রের পানিকে যেমন বাঁধ দিয়ে ভাগ করা যায় না, তেমনি বিচ্ছিন্নভাবে ঢাকা বা চট্টগ্রাম বা কোন একটি এলাকাকে তিলোত্তমা বানানো অসম্ভব। ঢাকাকেন্দ্রিক চলমান উন্নয়ন ধারণার মূলে কুঠারাঘাত করতে হবে। ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে চাইলে ঢাকার বাইরে নজর দিতে হবে প্রথম। ঢাকার সাথে পার্শ্ববর্তী জেলাসমূহের সাথে যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নত করে, প্রশাসনিক কার্যক্রমকে বিকেন্দ্রীকৃত করে এবং সর্বোপরি ডিজিটাল প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে ঢাকায় বসবাসের চাপ কমিয়ে না আনলে আলাদিনের দৈত্য এনেও এই শহরকে বাসযোগ্য ও মানবিক শহরে পরিণত করা যাবে না। যদিও ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী কিন্তু ঢাকা মানে তো পুরো বাংলাদেশ নয়।
ঢাকা কেবল মুষ্টিমেয় ধনী-বিত্তবানের শহর নয়। এই শহরের সিংহভাগ সাধারণ, স্বল্প আয়ের মানুষের সমস্যাগুলো পুরো দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর দুঃখ-কষ্ট, বেকারত্ব, দারিদ্র্য, খাদ্য অধিকারহীনতা, সুশাসনের অভাব ইত্যাদির সাথে মিলিয়ে বিশ্লেষণ করতে হবে। সমস্যার মূল কারণ বা উৎসগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে সামষ্টিক উন্নয়নের পথ বেছে নিতে হবে। এটা করতে হবে সরকারকেই। সিটি নির্বাচনের মাধ্যমে আমরা বিষয়গুলো সামনে এনে আলোচনা করছি মাত্র কিন্তু প্রকৃত সমাধান ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক অঙ্গীকারের উপর নির্ভরশীল। খাদ্য অধিকার আইন প্রণয়নসহ সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি জোরদারকরণের মাধ্যমে সরকার মানবিক ও ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গঠনের উদ্যোগ নিতে পারে। আগামী দিনগুলিতে কার্যকর উন্নয়ন প্রকল্পগুলো গ্রহণের মাধ্যমে ঢাকায় স্বল্প আয়ের মানুষের চাপ কমানো একটি সত্যিকারের টেকসই কৌশল হতে পারে। মেয়র কে হবেন জানি না তবে তিনি যেন স্বল্প আয়ের, সাধারণ মানুষের বন্ধু হোন সেটা প্রত্যাশা করি। ধনীরা চাইলেই নিউইয়র্ক, প্যারিস, টোকিও বা সিঙ্গাপুরে গিয়ে নাগরিক সেবার স্বাদ গ্রহণ করতে পারেন। গরীব মানুষের তো সেই উপায় নেই। তাই আগামীর ঢাকার পরিকল্পনা তাদেরকে বিবেচনায় রেখেই গ্রহণ করতে হবে। সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হোক- এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।
লেখক: সংগঠক-প্রাবন্ধিক
_০১৭১১৫২৬৯৭৯
miton2021@gmail.com

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: