সর্বশেষ আপডেট : ৪ ঘন্টা আগে
শনিবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে আমৃত্যু মানবতার সেবা করাই আমার শেষ ইচ্ছা —সিলেটবাসীর উষ্ণ সংবর্ধনার জবাবে হাফিজ মজুমদার

unnamed (4)ডেইলি সিলেট ডেস্ক: আর্ত মানবতার সেবায় নিবেদিত আর্ন্তজাতিক সংস্থা রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, বাংলাদেশ-এর নব নিযুক্ত চেয়ারম্যান, খ্যাতিমান শিক্ষানুরাগী, শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ ও সমাজসেবী হাফিজ আহমদ মজুমদার বলেছেন, লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে জীবনের আমৃত্যু মানবতার সেবায় কাজ করে যাওয়াই আমার অন্তিম ইচ্ছা। নাম, যশ, খ্যাতি, বিত্ত কিংবা প্রতিপত্তি নয়, মানুষের ভালবাসা ও স্রষ্টার সন্তুষ্টিই আমার একমাত্র চাওয়া। মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালবাসার মধ্যে থেকেই আমি শেষ নিঃশ্বাস নিতে চাই।

মঙ্গলবার তার সম্মানে সর্বস্তরের সিলেটবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এক গণসংবর্ধনার জবাবে এমন বাসনা ব্যক্ত করলেন তিনি। হাফিজ মজুমদার বলেন, আমি বিশ্বাস করি মানুষের উন্নয়নের জন্য যদি কিছু করতে হয়, তবে সেটা হচ্ছে শিক্ষার উন্নয়ন। তাই শিক্ষার উন্নয়নই আমার জীবনের একমাত্র ব্রত।
স্বনামখ্যাত শিক্ষানুরাগী, পূবালী ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান, হাফিজ মজুমদার এডুকেশন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, সাবেক সংসদ সদস্য হাফিজ আহমদ মজুমদার বাংলাদেশ রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান মনোনীত হওয়ায় সর্বস্তরের সিলেটবাসীর পক্ষ থেকে হাফিজ আহমদ মজুমদার গণসংবর্ধনা বাস্তবায়ন পরিষদ এই সংবর্ধনার আয়োজন করে। এ উপলক্ষে নগরীর রিকাবীবাজারস্থ কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে বসেছিল নগরীর শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, সরকারী বেসরকারী উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, পেশাজীবী নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষের মিলনমেলা। ব্যতিক্রমী গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সিলেটের গণমানুষের ভালবাসায় সিক্ত হন হাফিজ আহমদ মজুমদার।

গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পরিষদের আহবায়ক, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, সিলেট মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ড. মো. সালেহ উদ্দিন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বহু মাত্রিক প্রতিভার অধিকারী হাফিজ আহমদ মজুমদার একাধারে একজন শিল্প ও বাণিজ্য উদ্যোক্তা, কৃতি ব্যাংকার, একজন সুপ্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী, একজন প্রাজ্ঞ রাজনীতিবিদ ও একজন বিশিষ্ট অর্থনীতি বিশ্লেষক। প্রতিদিন তিনি ভিন্ন পরিচয়ে আভির্ভূত হন। কিন্তু তার সব পরিচয় ছাপিয়ে একজন প্রকৃত মানবতাবাদী। একজন সাদা মনের মানুষ। জাতীয়ভাবে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মত একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের মত গুরু দায়িত্ব অর্পণ তারই প্রমাণ।

হাফিজ আহমদ মজুমদারকে সিলেটবাসীর একজন সুহৃদ উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, হাফিজ আহমদ মজুমদার মর্যাদাপূর্ণ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান পদে আসীন হওয়ায় বৃহত্তর সিলেটের মানুষ গৌরবান্বিত হয়েছেন। সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে তিনি গত প্রায় তিন দশক ধরে অবদান রেখে চলেছেন। গুণ কখনো চাপা থাকেনা। তার গুণের সৌরভে মোহিত হয়েই মহামান্য রাষ্ট্রপতি জনাব হাফিজ আহমদ মজুমদারকে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির মত একটি প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের মত গুরুদায়িত্ব অর্পণ করেছেন।

অধ্যাপিকা শামীমা চৌধুরীর সঞ্চালনায় গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাফিজ আহমদ মজুমদার গণসংবর্ধনা বাস্তবায়ন পরিষদের সদস্য সচিব, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ও মানচেস্টার ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক, প্রবাসে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক প্রফেসর ড. কবির চৌধুরী ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, গণর্সবর্ধনা পরিষদের সমন্বয়ক, সাবেক সাংসদ। এ সময় মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন হাফিজ আহমদ মজুমদারের সহধর্মীনী হাফছা মজুমদার।

সভাপতির বক্তব্যে প্রবীণ শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, সোনার হাতে সোনার কাঁকন, কে কার অলংকার- এই আপ্ত বাক্যটির মত হাফিজ আহমদ মজুমদারকে সংবর্ধনার মাধ্যমে সিলেটবাসী নিজেরাও সম্মানিত হয়েছেন। তিনি বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গবেষনার জন্য হাফিজ মজুমদার প্রতি বছর ১০ লাখ টাকা প্রদান করেন, এটি অনেকেই জানেনা।
প্রফেসর সালেহ উদ্দিন বলেন, বিদ্যাসাগর যেভাবে ভারতবর্ষে আধুনিক শিক্ষার বিকাশ ঘটিয়েছেন হাফিজ মজুমদারও সিলেটে বিশ্বমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় নির্লোভ মানসিকতা নিয়ে কাজ করে চলেছেন। মাত্র এক দশকের মাথায় সিলেটের বিশাল একটি প্রজন্ম আধুনিক মানের শিক্ষা লাভ করছে। এটা একটি বিরল দৃষ্টান্ত। আর এটা সম্ভব হয়েছে হাফিজ আহমদ মজুমদারের মত মানুষের ঐকান্তিক উদ্যোগের কারণেই।

সংবর্ধনা জবাবে হাফিজ আহমদ মজুমদার বলেন, সিলেটবাসী আমাকে যে ভালবাসায় আলিঙ্গন করেছেন, তাতে আমি অভিভূত-আপ্লুত। আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমৃত্যু কাজ করেছি। তবে, শুধু আমি আমার অবস্থান থেকে সমাজ ও মানবতার কল্যাণে কাজ করার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশের সফল প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বিশ্বাস করে রেডক্রিসেন্টের চেয়ারম্যান পদের মত একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি আমাকে এই পদে নিয়োগ দিয়ে আমার প্রতি তার আস্থা স্থাপন করেছেন। আমি তাঁদেরকে বলেছি, জীবনের শেষ লগ্নে এসে আমি এই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমি আমার সাধ্যমত আর্ত মানবতার কল্যাণে কাজ করবো। রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি বিশ্বময় দুর্গত মানবতার জন্য আশার প্রদীপ। আমি মনে করি ¯্রষ্টার সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষের জন্য আরো বৃহৎ পরিসরে কাজ করার একটি সুযোগ আমার সামনে এসেছে।

হাফিজ মজুমদার বলেন, বাংলাদেশ একটি সম্পদশালী দেশ। কিন্তু আমরা আমাদের সেই সম্পদকে কাজে লাগাতে পারছিনা। আমরা যদি আমাদের নিজেদের অবস্থান থেকে এই দেশের উন্নয়নে কাজ করতে পারি, তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে। আর এজন্য সবার আগে শিক্ষার উন্নয়ন করতে হবে। প্রতিটি পাড়ায় মহল্লায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যাতে লেখাপড়া যথাযথভাবে হয়, সেটি নিশ্চিত করতে পারলেই শিক্ষার উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

সংবর্ধনা প্রসঙ্গে হাফিজ আহমদ মজুমদার বলেন, অনুষ্ঠানের বক্তারা আমাকে যে অভিধায় অভিহিত করেছেন, আমি মোটেও তার যোগ্য নই। আমার বিবেক বলে যদি কিছু থাকে, তবে এ সব নাম পদবী আমি গ্রহণ করতে পারিনা। আমি সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে থেকে পৃথিবী থেকে চলে যেতে চাই।

সংবর্ধনা পরিষদের সদস্য সচিব, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সিলেট মহানগর শাখার সভাপতি ও সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, রেডক্রস ও রেডক্রিসেন্ট একটি আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠান। বিশ্বময় এর ভাবমূর্তি হচ্ছে সেবার প্রতীক হিসেবে। এ ধরনের একটি আর্ন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশ প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হয়ে হাফিজ আহমদ মজমুদার সিলেটবাসীর জন্য অনন্য গৌরব বয়ে এনেছেন। তিনি হাফিজ আহমদ মজুমদারকে একজন প্রকৃত ‘সাদা মনের মানুষ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, আমরা প্রত্যাশা করি তিনি আরো বহুদিন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাবেন।

সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, পরিষদের সমন্বয়ক শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন, বৃহত্তর সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে তিনি যে অবদান রেখে চলেছেন, এ জন্য সিলেটবাসী তাঁর কাছে কৃতজ্ঞ। সংসদ সদস্য থাকাকালে তিনি সংসদে বৃহত্তর সিলেটের দাবী দাওয়া নিয়ে যেভাবে কথা বলতেন, তেমনি বাজেট অধিবেশনে একজন দক্ষ অর্থনীতিবিদের মত জাতীয় নীতি নির্ধারণী বিষয়গুলো মূল্যায়ন করতেন।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. কবির এইচ চৌধুরী বলেন, সিলেটে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি নীরব বিপ্লব সাধন করেছেন হাফিজ আহমদ মজুমদার। মাত্র ১৩ বছর আগে ৪০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিল হাফিজ আহমদ মজুমদার শিক্ষা ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান স্কলার্সহোম। এখন সিলেট নগরীতে স্কলার্সহোমের ৬টি ক্যাম্পাসে প্রায় ৬ হাজার শিক্ষার্থী মান সম্পন্ন শিক্ষালাভের সুযোগ পাচ্ছে। এখন নগরীর প্রায় প্রতিটি ঘরে স্কলার্সহোমের কমপক্ষে একজন শিক্ষার্থী রয়েছে। শুধু সিলেট নগরীতে নয়, তার জন্মস্থান জকিগঞ্জেও অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে নিভৃতে পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে চলেছেন হাফিজ আহমদ মজুমদার। এতদিন তিনি সিলেটের শিক্ষার উন্নয়নে অবদান রেখেছেন, এবার তিনি রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির মাধ্যমে সারা দেশের মানুষের সেবা করার সুযোগ পাবেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আমিনুল ইসলাম ভূইয়া, নর্থ ইস্ট ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. খলিলুর রহমান, সাবেক গণপরিষদ সদস্য এডভোকেট লুৎফুর রহমান, সাবেক এমপি সৈয়দা জেবুন্নেসা হক, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট আব্দুল খালিক, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) জুবায়ের সিদ্দিকী, বিশ্ব জনসংখ্যা তহবিলের বাংলাদেশ প্রতিনিধি ড. ওবায়দুর রব, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি ড. কবির হোসেন, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আফতাব চৌধুরী, জাসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সিলেট ডায়াবেটিক সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক লোকমান আহমদ, সিলেটের সাবেক সিভিল সার্জন ডা. এ জেড. মাহবুব আহমদ, ওসমানী মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুর্শেদ আহমদ চৌধুরী, বিএমএ সিলেট শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. রোকন উদ্দিন আহমদ, মদন মোহন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল ফতেহ ফাত্তাহ, সিলেট জেলা বারের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট হুমায়ুন করিব বাবুল, সিলেট জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) কে.এ.কিবরিয়া চৌধুরী, গণতন্ত্রী পার্টির কেন্দ্রীয় ও জেলা সভাপতি ব্যারিস্টার আরশ আলী, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ, সিলেট জেলা বারের এডিশনাল পিপি এডভোকেট নিজাম উদ্দিন, সিলেট জেলা জাতীয় পার্টির আহবায়ক আব্দুল্লাহ সিদ্দিকী, পূবালী ব্যাংকের সাবেক এমডি হেলাল আহমদ চৌধুরী, পরিচালক মনির উদ্দিন আহমদ, জিএম খায়রুল কবির, ডিজিএম আহমেদ এনায়েত মঞ্জুর, আওয়ামী লীগ নেতা ফয়জুল আনোয়ার আলাওর, বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুল খালিক, বিজিত চৌধুরী, কানাইঘাট উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, কানাইঘাট পৌরসভার মেয়র লুৎফুর রহমান, দৈনিক সিলেটের ডাক-এর নির্বাহী সম্পাদক আব্দুল হামিদ মানিক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক দেওয়ান তৌফিক মজিদ লায়েক, ডেপুটি চীফ রিপোর্টার এডভোকেট মুহাম্মদ তাজ উদ্দিন, সিনিয়র রিপোর্টার নূর আহমেদ, ওয়ার্কার্স পার্টি নেতা ড. নেসার আহমদ কায়সার, য্ক্তুরাজ্য প্রবাসী সাংবাদিক মিছবাহ জামাল, ডা. আজিজুর রহমান, জামিল আহমদ চৌধুরী, সিটি কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ, সিটি কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ, কাউন্সিলর সাইফুল আমিন বাকের, আওয়ামী লীগ নেতা এডভোকেট ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এডভোকেট আব্বাস উদ্দিন, আওয়ামী লীগ নেতা মস্তাক আহমদ পলাশ, সংস্কৃতি কর্মী মিশফাক আহমদ চৌধুরী মিশু, বিভাষ শ্যাম যাদন, শামসুল বাসিত শেরো, সিলেট মহানগর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ভবতোষ বর্মন রানা, হাফিজ মজুমদার ট্রাস্টে’র সচিব লোকমান উদ্দিন চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা শোয়েব আহমদ চৌধুরী, শিশু সংগঠক অরূপ শ্যাম বাপ্পী, জাসদ নেতা সোলেমান আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া হেলাল, বিয়ানীবাজার জনকল্যাণ সমিতি’র সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মহব্বত খান, যুব সংগঠক আনোয়ার হোসেন, খলিলুর রহমান, ভানু লাল দাস প্রমুখ। পরে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: