সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ভারতে উগ্রবাদী হিন্দুরা কি নির্দয়ভাবে গরু হত্যা করে

34. indiaআন্তর্জাতিক ডেস্ক::
ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে গরু কোরবানী করা নিষিদ্ধ। হয়তএমনও হতে পারে যে সারা ভারতে একদিন গরু কোরবানী নিষিদ্ধ করবে মোদী রেন্ডি। কিন্ত হিন্দুরা কি আসলেই গরু কোরবানীর বিপক্ষে, এরা কি আসলেই গরুর গোশত খায়না নাকি মুসলমানদের উপর হিংসার কারনে এরা ভারতে গরু কোরবানী নিষিদ্ধ করতে উঠে পড়ে লেগেছে! প্রতি বছর ভারত এবং হিন্দু “ গাধিমাই” নামে একটি উৎসব পালন করে হিন্দুরা। আর এই উৎসবের মুল আকর্ষন হচ্ছে যে, এরা একটি খোলা ময়দানে ২০-৩০ হাজার গরু ছেড়ে দিয়ে গরু দাড়ানো অবস্থায় একের পর এক গরুর মাথা কাটে। আর মাথা কাটার পর এরা সেই গরুর গোশত এবং চামড়া বিক্রি করে দেয়। প্রতি বছর হিন্দুরা এই উৎসবটি অতি জাকজমকের সাথে উৎযাপন করে কিন্তু এই কিন্তু গরুকে তাদের মা মা কলে চিৎকার করে।আর ঠিকই তারা প্রতি বছর ঘটা করে ২০-৩০ হাজার গরুর মাথা কাটে। তাহলে ভারতে গরু কোরবানীর নিষিদ্ধের নেপথ্যে কি শুরু মুসলমানদের সাথে শত্রুতার তাগিদে!

গাধিমাই উৎসব নেপালের কয়েক হাজার বছর ধরে চলমান এক পশু হত্যা উৎসব। শক্তির দেবী রুপে খ্যাত “গাধিমাই’কে পূজা করতে এ পশু হত্যা উৎসব করে হাজার হাজার অন্ধভক্ত প্রতি পাচঁ বছর অন্তর অন্তর। গাধিমাই উৎসবটি অনুষ্ঠিক হয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর প্রায় ৭০ মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমের বারা জেলার নিজগড়ের কাছে গাধিমাই নামক স্থানে।

সব্রশেষ ২০০৯ সালের ২০ শে নভেম্ব্র শুরুর মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠিত হবে গেল। সব্র শেষ উৎসব হবার পূব্রে বেশ এবার বেশ অনেকে এর প্রতিবাদ করেছে। তার মধ্যে ফরাসী অভিনেত্রী ব্রিজিত বাদো, ভারতের প্রখ্যাত পশু অধিকার সক্রিয়তাবাদী মানেকা গান্ধী, এনিম্যাল ওয়েলফেয়ার নেটয়াক নেপাল ও এন্টি-এনিম্যাল স্যাক্রিফাইস এলায়েন্স প্রধান পুরোহিত মঙ্গল চৌধুরী। ফ্রাসী অভিনেত্রী ব্রিজিত বাদো নেপালের রাস্ত্রপতি ড.রাম বরণ যাদবকে লিখিত অনুরোধ পত্রে বলেন, আপনি দেশের প্রধান হয়ে এটির সম্পূণ দায়দায়িত্ব আপনার আমার ব্যাক্তিগতভাবে এটি কল্পনা করতেও কষ্ঠ হচ্ছে যে, আপনার হৃদয় এই জাতীয় নিষ্ঠুরতা সহ্য করতে পারে।

কিন্তু অনেকের আবেদন, অনেকের অনুরোধ সত্বেও নেপাল সরকার এ অমানবিক প্রথা বন্ধে কোন প্রকার হস্তক্ষেপ করেনি। স্থানীয় এক রেডিও কবরে জানায়, এবারের উৎসবে মহিষ, শুকর, ছাগল, মুরগী ও কবুতর সহ প্রায় ৩ থেকে ৫ লাখ পশু বলি দেয়া হয়। ধর্মের গড়ামিতে এতগুল পশুর জীবন হরণ করা মানুষের বিবেক কি একটুও নাড়া দেয় না?
ধর্মের গোড়ামি ত্যাগ করে আমাদের দরকার সত্য ও বাস্তবতাকে অনুধাবন করা দরকার। ইতিহাস লক্ষ্য করলে দেখা যায়, অতীতে মানসভ্যতার উন্নতির ক্ষেত্রে ধরমের গোড়ামি (অন্ধ বিশ্বাস) সমস্যা ও প্রতিবন্ধক হিসাবে আবিভূত হয়েছিল।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: