সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ১৪ সেকেন্ড আগে
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

সুনামগঞ্জে ডাঃ জসিম উদ্দিনের অপসারন দাবিতে মানববন্ধন

unnamed (3)সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: জাতির জনকের জন্মদিন জাতীয় শিশু দিবসসহ প্রতিনিয়ত সেবা নিতে আসা গর্ভবতী মায়েদের সাথে অসদাচরণ, ঘুষ দাবি ও প্রাইভেট ক্লিনিকে ভর্তির জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগে সুনামগঞ্জ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডা: জসিম উদ্দিন এর অপসারনের দাবীতে জেলা সদরে মানববন্ধন হয়েছে। রোগী কল্যাণ পরিষদ এর উদ্যোগে রোববার সকাল ১১টায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি শুয়েব আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ দিলাল আহমদ এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুবলীগ নেতা আরিফুজ্জামান আরিফ বখত, মুন্না মিয়া,বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ নেতা শামীম আহমদ সানি, সরকারী কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহজুল কাজী, ছাত্রলীগ নেতা কিতাব আলী,মোঃ রনি আহমেদ,মাজেদুল ইসলাম,চয়ন দাস,জাহাঙ্গীর আলম,মোঃ হাবিবুল ইসলাম,মিনহাজ উদ্দিনসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।

বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারী সেবা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থেকে নজিরবিহীন ঘুষ দূর্নীতির মাধ্যমে এই ডাক্তার স্ত্রী নিগার সুলতানার নামে ঢাকার মীরপুর,সিলেটে,জেলা সদরের নতুনপাড়া ওয়েজখালী উকিলপাড়া আবাসিক এলাকায় এবং জামালগঞ্জ উপজেলা সদরের হাসপাতাল ও হ্যালিপেড এলাকায় একাধিক ফ্ল্যাট বাড়ি,অত্যাধুনিক মার্কেট ও প্রাইভেট ক্লিনিক স্থাপন করেছেন। অথচ অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়লেও তিনি সরকারকে দিচ্ছেন না কোন আয়কর। অবিলম্বে উক্ত ডাক্তারের অপসারণসহ তার বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তারা জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে দুদক চেয়ারম্যান বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছেন।

শুয়েব আহমদ চৌধুরী বলেন,দুর্নীতিবাজ জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে মাননীয় জেলা প্রশাসক একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছেন। উক্ত তদন্ত কমিটিকে কালো টাকা দ্বারা প্রভাবান্বিত করে তিনি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে বহাল তবিয়তে থাকার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। কিন্তু সুনামগঞ্জবাসী আর এক মুহুর্তে এই কসাই ডাক্তারকে সুনামগঞ্জ শহরে দেখতে চাননা।
কারন এখানে থাকলেই তিনি প্রতিদিনের ন্যায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা গর্ভবতী মায়েদেরকে জোর করে আনিসা প্রাইভেট ক্লিনিক ও আর এন্ড এম জেনারেল হাসপাতালে পাঠিয়ে তার কালো দান্ধা চালিয়ে যাবেন। মোঃ দিলাল আহমদ বলেন,নরসিংদীর মিলন মিয়া নামের একটি ছেলেকে আনসারের সার্টিফিকেট দিয়ে নাইটগার্ড হিসেবে মাস্টাররোল কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেন ডাঃ জসিম। প্রতিভূ মিলনকে তিনি তার প্রাইভেট কর্মচারী হিসেবে কাটালেও বেতন দেন সরকারী কোষাঘার থেকে। মিলন এর স্ত্রী আঞ্জুমান আরা দোয়ারাবাজার উপজেলার নরসিংহপুর ইউনিয়নে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসে আয়া পদে চাকুরী করেন। কিন্তু ডাঃ জসিম তাকে কর্মস্থল দোয়ারাবাজারে না দিয়ে নিজের সরকারী বাসায় রেখে কেন এবং কি উদ্দেশ্যে কাজ করান সুনামগঞ্জবাসী তা জানতে চান।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: