সর্বশেষ আপডেট : ২ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

যে ৫ কারণে পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব

11129221 (1)নিউজ ডেস্ক: পৃথিবী হচ্ছে সৌরজগতের একমাত্র অনন্য গ্রহ, যেখানে জীবন তার সকল রূপেই বিদ্যমান। জীবাণু থেকে শুরু করে অত্যাধুনিক বুদ্ধিসম্পন্ন প্রাণী মানুষ সহ প্রাণের সকল অস্তিত্বই এখানে বিদ্যমান। পৃথিবীতে প্রাণের সাবলীল অস্তিত্বের অনেক কারণ রয়েছে। এখানে আমরা প্রধান পাঁচটি কারণ নিয়ে আলোচনা করবো।
১) বায়ুমণ্ডল:
পৃথিবীতে রয়েছে শ্বাস নেওয়ার উপযোগী একটি বায়ুমণ্ডল। এখানে উপস্থিত অক্সিজেন অধিকাংশ জীবের প্রাণধারণের জন্য অপরিহার‌্য। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল ছাড়াও জলেও অক্সিজেনের উপস্থিতি পাওয়া যায়। উদ্ভিদ প্রভৃতির মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেন সরবরাহিত হয়ে থাকে।
অক্সিজেন ছাড়াও পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে সামান্য পরিমাণে কার্বন-ডাই-অক্সাইড রয়েছে। এটা একটা বিষাক্ত গ্যাস। শুক্র ও মঙ্গলের মতো গ্রহগুলোর বায়ুমণ্ডল গঠনে এই গ্যাসের ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু আমরা জানি, এই গ্যাস জীবনধারণের জন্য পরিপূরক নয়। যা হোক, উদ্ভিদের তাপমাত্রার ভারসাম্য রক্ষা ও কিছু অন্যান্য কারণে সামান্য মাত্রায় কার্বন-ডাই-অক্সাইড পৃথিবীর বায়ুমন্ডলে রয়েছে। বুধ ও মঙ্গল গ্রহ এতোই ছোট যে, এগুলো কোনো বায়ুমন্ডল ধারণ করতে পারে না। ফলে বুধ গ্রহে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। আর মঙ্গলের বায়ুমণ্ড খুবই পাতলা। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল যথেষ্ট ভারি। ফলে এটা মহাবিশ্বের নানা ক্ষতিকর রশ্মি থেকে পৃথিবী ও প্রাণকে রক্ষা করে থাকে। পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এর বায়ুমণ্ডলকে ধরে রাখে।
মোট কথা, প্রাণ ধারণের জন্য উপযোগী বায়ুমণ্ডল আমাদের পৃথিবীর রয়েছে।
২) জলবায়ু:
পৃথিবীর রয়েছে প্রাণধারণের উপযুক্ত জলবায়ু। উদ্ভিদের কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ, কখনো কখনো সংঘটিত হওয়া অগ্নুৎপাত পৃথিবীর তাপমাত্রাকে কখনোই চরমসীমায় পৌছুতে দেয় না।পৃথিবীর তাপমাত্রা প্রাণধারনের জন্য যথেষ্ট সহনীয় হয়ে থাকে। যেখানে সৌরজগতের অনেক গ্রহ এখনো যথেষ্ট উত্তপ্ত এবং কোনো গ্রহ প্রচণ্ডরকমের শীতল।
৩) পানি:
পানিতে উপস্থিত কিছু রাসায়নিক পদার্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়। তাছাড়া আমরা বিশ্বাস করি যে, জীবনের অপর নামই পানি। এই পানির উপস্থিতি পৃথিবীতে প্রাণের অস্তিত্ব বজায় রাখতে যথেষ্ট সাহায্য করে। পানি তার তিন অবস্থাতেই এই পৃথিবীতে বিদ্যমান। এটা পান করা যায় এবং দৈনন্দিন সকল কাজে নিশ্চিন্তে ব্যবহা করা যায়। পানির উপস্থিতিই পৃথিবীকে করে তুলেছে প্রাণধারণের উপযুক্ত।
৪) আলো:
সকল গ্রহই সূর্য থেকে আলো গ্রহণ করে থাকে। কিন্তু পৃথিবীর মতো সেই আলোকে অন্য কোনো গ্রহ কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে পারে না। উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অক্সিজেন উৎপাদন করে তা বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়। অক্সিজেন উৎপাদন ও বেড়ে ওঠার জন্য উদ্ভিদের সূর্যালোকের খুব প্রয়োজন। তাই পৃথিবীতে পরিমিত সূর্যালোকের উপস্থিতিই এখানে প্রাণধারণের সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে। আর পৃথিবী তার অবস্থানগত কারণেই এমন আলো পেয়ে থাকে।
৫) সূর্য:
উপরে বর্ণিত পৃথিবীতে প্রাণধারণের উপযুক্ত কারণগুলির মূলে রয়েছে মূলত সূর্য। সূর্য থেকে পৃথিবীর আদর্শ দূরত্ব পৃথিবীকে করে তুলেছে প্রাণধারণের জন্য বৈচিত্র্যময় একটি গ্রহে। নিজ অক্ষে পৃথিবী যে সময়ে আবর্তিত হয় আর যে সময়ে পৃথিবী সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে, সে সুষম সময়ের কারণে পৃথিবীর সকল অংশ পর‌্যাপ্ত পরিমাণে সূযালোক পেয়ে থাকে। সূর্যের উপস্থিতি ছাড়া পৃথিবীতে প্রাণধারণ কোনোভাবেই কল্পনা করা সম্ভব না। সূত্র: বব দ্য এলিয়েন।

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: