সর্বশেষ আপডেট : ১ মিনিট ২৫ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বাউল কামাল পাশা মননে পহেলা বৈশাখ

“বৈশাখ গেল জ্যৈষ্ট এল পাকল গাছের আম
কার মুখে রস লাগাইবো ঘরে নাই মোর শ্যাম”

আল-হেলাল

unnamed“আইলোরে বৈশাজ্ঞা তুফান ধুলা উড়াইয়্যা
বিল্ডিং ছাড়া ছনের বাড়ি, সব যাইবেরে পলাইয়্যা ।।
আসলেরে তুফান, ভাঙ্গা ঘরে থাইক্যা কেমনে বাঁচাইবে পরান ।
এখনও খুঁজে নেও সন্ধান, নইলে মরবে ঘরের তলে পড়িয়া ।।
শীতেতো বুঝতোনা কেতা নাই, তুফানে বুঝতনায় তোমার ঘরে পালা নাই ।
যমের কাছে কোন টাইম নাই, নিবে যমে ধরিয়া।।
বাউল কামাল বলে আমার কথা মানো, তুফানের আগে কর (তোমার) বাড়িঘর সাবধানও ।
অযথা হইয়্যা হয়রানও, ও তুই প্রাণে যাইবে মরিয়া”।।
১লা বৈশাখ বাঙালী জাতির সার্বজনীন সেক্যুলার উৎসব। শত বছরের ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় সারা দেশবাসী অধীর আগ্রহে প্রতিক্ষার প্রহর গুনছেন উৎসবটি পালনের জন্য। কিন্তুু অপ্রিয় হলেও সত্য যে সারা দেশের রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা,আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্বক অবনতি,নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রুব্যমূল্যের লাগামহীন উর্ধ্বগতি,লাগাতার অবরোধ হরতাল ও রাজনীতিবিদদের মধ্যে হানাহানিসহ নানাবিধ কারণে দেশ আজ সংকঠের মুখোমুখি। অন্যদিকে জেলার ৩৭ টি প্রধান হাওরে হাওররক্ষা বাঁধ নির্মানের লক্ষ্যে সরকার সর্বোচ্চ বরাদ্ধ দেয়া স্বত্তেও অপ্রত্যাশিত আগাম বন্যায় বোর ফসলহানীর আশংকা করছেন হাওরাঞ্চলবাসী। বৈশাখ আসার পূর্বেই ফসলহানীর ঘটনা সুনামগঞ্জে ১৪১৭ বাংলা সনে ঘটেছে। সে বৎসর ঠিকাদাররা অনেক বাঁধেই ছটাক পরিমান মাটি ফেলেনি। অথচ কাজ না করেই তারা বিল উত্তোলন করে সরকারী টাকা পকেটস্থ করেছে পাউবো কর্মকর্তাসহ। এবারও হাওর রক্ষাবাধের নামে লুঠপাঠের সাথে প্রভাবশালী এমপি নেতা পাতিনেতারাও সরাসরি জড়িয়ে পড়েছেন। এরকম মগের মুল্লুকের ঘটনা অতীতে এ অঞ্চলে ঘটেনি। তাই বৈশাখ মাসেই কারো পৌষ মাস আবার কারো সর্বনাশের ঘটনা ঘটছে। এছাড়া বৈশাখের কালবৈশাখী ঝড় অনেক সময় ভাটি অঞ্চলের কৃষকদের কাচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা লন্ডভন্ড করে ফেলে। শত প্রতিকূলতার পরও একটুখানি সতর্কতা বা পূর্ব প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে যেকোন ক্ষয় ক্ষতির মোকাবেলার জন্য যিনি প্রথমোক্ত সঙ্গীত রচনার মাধ্যমে মানব সমাজের প্রতি উদাত্ত আহবাণ জানিয়ে মরমী সংস্কৃতির জগতে কিংবদন্তী হয়ে আছেন তিনি হচ্ছেন গানের সম্রাট বাউল কামাল পাশা। পাশাপাশি চরম সর্বনাশের শেষপ্রান্তে দাঁড়িয়ে জনপ্রতিনিধি,প্রশাসন, কৃষক ও জনগণ সম্মিলিতভাবে হাওর রক্ষার জন্য সর্বাত্বক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখবেন বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জেলা প্রশাসক শেখ রফিকুল ইসলাম। সার্বিক অবস্থা জানা স্বত্তেও ‘এসো এসো এসো হে বৈশাখ/ তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষেরে দাও উড়ায়ে/বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক’ কবিতাংশটুকুকে উল্লেখ করে শুভ নববর্ষ ১৪২২ বাংলাকে বরণ করে নেয়ার জন্য বর্ষবরণ অনুষ্ঠানমালায় জেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে পত্র মারফতে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি। ধান এবং গানের সমন্বয়ে ভাটি অঞ্চলের প্রাণপ্রাচুর্য ফিরে আসুক এ প্রত্যাশা নিয়েই এই লেখা। ১লা বৈশাখকে স্বাগত জানিয়ে ভাটি বাংলার বাউল বিশেষ করে গানের সম্রাট কামাল উদ্দিন তার গান ও কবিতায় যে কথা গুলো তুলে ধরেছেন সেগুলো সবিনয়ে উপস্থাপন করতে চাই। এর পূর্বে ভাটির চিঠিতে বাউল শাহ আব্দুল করিম এর গানটির উল্লেখ না করলেই নয়। “নূতন বৈশাখ মাসে / শুভ দিন আসবে বলে সবাই ছিল আশার আশে।। নূতন দিন নূতন বাণী নূতন গান নূতন রাগীনি / নূতন ভাবে সাজবে সবাই নূতন পরিবেশে। হাওর দেখ কি শোভাময় নতুন ধানের শীষে / আশায় সবাই বুক বেঁধেছে উদয় রবি ভাগ্যাকাশে”। কালনীর ঢেউ গীতিগ্রন্থে শাহ আব্দুল করিম বিরহিনী নারীর আকুতি প্রকাশ করে গেয়েছেন, “মন কান্দে প্রান কান্দে গো কান্দে আমার হিয়া / দেশের বন্ধু বিদেশ গেল আমারে ভুলিয়া গো।। বৈশাখ মাসেতে সইগো বৎসর নবীন / প্রেম করিলাম বন্ধুর সনে ছিল শুভ দিন।’’ শাহ আব্দুল করিমের সিনিয়র বাউল শিল্পী কামাল পাশা (কামাল উদ্দিন) ঠিক একইভাবে বিরহিনী নারীর কথা উপস্থাপন করেছেন। তিনি গেয়েছেন “বৈশাখ গেল জৈষ্ট আইলো গাছে পাকা আম / আইলায়না মোর প্রানের বন্ধু কারে খাওয়াইতাম।। বৈশাখের নতুন সাজে রুপের শানে গানেও তিনি সাজিয়েছেন নতুনের পসরা। গেয়েছেন,
“কত রঙ্গেই তুমি সাজো প্রাণবন্ধুরে বন্ধু কত রঙ্গেই তুমি সাজো
আমার গানে যন্ত্র হয়ে সর্বসুরে বাজো প্রাণবন্ধুরে।।
ও বন্ধুরে ভবসাগরে তুফান ভারি একে আমার ভাঙ্গাতরী
উপায় নাই সাগরেরী মাঝো।
দেই আমি নামের দোহাই তুমি বিনে আর কেহ নাই
তোমার ইচ্ছায় করো সকল কাজো।।
ও বন্ধুরে তুমি সুর তুমি জীল ঘেরবমও আওয়াজো
তুমি ভালো তুমি মন্দ তুমি শরম লাজো।
তুমি পালং তুমি মশারী তুমি বিছানারও মাজো
তুমি ঘর তুমি বাড়ি,তোমার কারুকাজো বন্ধুয়ারে।।
ও বন্ধুরে তুমি ঢোল তুমি বাশী তুমি আশিকের স্বরাজও
তুমি বেঞ্জো তুমি তবলা তুমি হও এসরাজো।
তুমি শিশু তুমি বালক তুমি যুবরাজও
কামালে কয় ভালোমন্দ সবি তুমি বুঝো।।
ও বন্ধুরে তুমি ফল তুমি বীজ তুমি আকাশেরী সাজো
তুমি আমার দেহের স্বত্তা থাকো দেহের মাঝো।
তুমি আমার হাতের খেলা তুমি রসরাজও
তুমি আমার হাতের ডপকী করতাল হইয়া বাজো।।
ও বন্ধুরে কামাল উদ্দিন হইলাম অবাক দেখে তোমার কাজো
ধরতে চাইলে দেওনা ধরা থাকো আমার ঘরের মাঝো।
তুমি আমার সর্বস্ব ধন সাধন ও ভজনও
কামালে কয় ভালো মন্দ সবি তুমি বুঝ।।
ও বন্ধুরে তুমি রাত দিন তুমি সকাল ও বিকালও
দয়া করে করো দয়া রাইখোনা কাঙ্গালও।
তোমার কাছে এই প্রার্থনা কয় আল-হেলালও
ঘুর বিপাকে পড়ে ডাকি,তুমি দিওনা লাজো ”।।
এছাড়াও “কতো রঙ্গে সাজো বন্ধু রঙ্গিয়ারে বন্ধু তুই বড় কঠিন আজ কেন আমারে বাসো বীন”সহ অসংখ্য রুপতত্ত্ব গান তিনি রচনা করেছেন। এমনিভাবে অপর একটি গানে তিনি গেয়েছেন “বলে বাউল কামাল পাশা, করলাম মিছে বন্ধুর আশা / দারুন বৈশাখ মাস গেল নারীর দৌড়িতে দৌড়িতে।। ও কি পাষান বাইন্ধাছ বন্ধের মনেতে ।। জৈষ্ট মাসের মিষ্টরে ফল আষাঢ় মাসে ভাসা জল / শ্রাবণ মাস গেল নারীর ভাবিতে চিন্তিতে।” ওস্তাদ কামাল উদ্দিনের বারমাসি অপর একটি গানেও বিরহিনী নারীর বার মাসের আকুতি প্রকাশিত হয়েছে অনুরূপভাবে। “প্রাণ কান্দে মন কান্দেরে আরো কান্দে হিয়া / দেশের বন্ধু বিদেশ গেল আমায় পাশরিয়ারে।। বৈশাখ গেল জৈষ্ট এল পাকল গাছের আম / কার মুখে রস লাগাইবো ঘরে নাই মোর শ্যাম।’’
উল্লেখ্য ভারতের চলচ্চিত্রে শিল্পী পবন দাস পরিবেশিত দ্বীন দুনিয়ার মালিক খোদা তোমার দ্বীলকি দয়া হয়না”এবং ভাটিয়ালী গানের শিল্পী আব্দুল আলীম পরিবেশিত “প্রেমের মরা জলে ডুবেনা”সহ শত শত জনপ্রিয় গানের গীতিকার বাউল কামাল পাশা । সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের অকাল প্রয়াত নানকার আন্দোলনের বিপ্লবী নায়ক, ভাষা সৈনিক, ভাটি অঞ্চলে বঙ্গবন্ধুর সভামঞ্চে গণসংগীত পরিবেশনকারী, মুক্তিযুদ্ধের মহান সংগঠক গানের সম্রাট কামাল পাশাই সর্বপ্রথম বাউল গানের সাথে ১লা বৈশাখ ও বর্ষবরন উৎসবের যোগসুত্র স্থাপন করে সঙ্গীত রচনার মাধ্যমে এক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সমাজ প্রতিষ্টায় ভূমিকা পালন করেন। সময়ের ব্যবধানে বর্ষবরন উৎসব এখন গ্রামগঞ্জের সাধারন মানুষের প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে। ধান আর গানের সমন্বয়ে বর্ষবরণকে একইসুত্রে সুপ্রতিষ্টিত করতে গিয়ে বাংলার বাউল শিল্পীরা আমৃত্যু সাধনা করেছেন। এসব সাধনাবাদীদেরই একজন বাউল কামাল পাশা (কামাল উদ্দিন )। প্রায় ৬ হাজার মরমী গান রচয়িতা গানের সম্রাট কামাল উদ্দিন (ওস্তাদ কামাল পাশা) ১৯০১ ইং সালের ৬ ডিসেম্বর সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮৫ সালের ২০ বৈশাখ শুক্রবার রাত ১২ টায় নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মরহুম বাউলের ১০১ টি গান সংগ্রহ করে ২০০৮ ইং সনে এ প্রতিবেদকের সম্পাদনায় ‘গানের সম্রাট কামাল উদ্দিন’ নামে একটি গীতিগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। সর্বশেষ ১০০০ টি গানের ২য় সংকলনও প্রকাশের পথে।
এখানে একটি বিষয় প্রাসঙ্গিক যে, বাউল কামাল পাশা সঙ্গীত জগতের সকল শাখা প্রশাখায় অগাধ পান্ডিত্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি লিখেছেন শত শত ইসলামী গজল ও কাওয়ালী গান। জীবনের প্রথম গানে তিনি গেয়েছেন,“বিসমিল্লাহ বলিয়া মুখের জবান খুলিলাম/ যে বিসমিল্লাহর হয়না ওজন পৃথিবী দিলে তামাম” এছাড়াও এই লোককবি বিরচিত “সালাতো সালামগো আমার দরুদও সালামগো আমার/জিন্দা নবী মোস্তফায়/তোমরা যদি যাওগো মদীনায়” “আল্লাহ নবীর নামটি আমার দয়াল নবীর নামটি আমার/সদায় জাগে মোর মনে/কাঙ্গালেরী ধনগো মুরশিদ কেবা নাজানে” “এ বিশ্বজগৎ গো মাগো করিবেন উদ্ধার/খাতুনে জান্নাত মাগো ফাতেমা আমার” শীর্ষক স্রষ্টাতত্ত্ব,নবীতত্ত্ব ও মায়ের শানেসহ অগনিত গজল বিভিন্ন ওয়াজ মাহফিলে পরিবেশন করা হয়। গত ২৭.১১.২০০৩ ইং বৃহস্পতিবার সন্ধা ৬ টায় সুনামগঞ্জ পৌরসভার আপ্তাবনগর আবাসিক এলাকায় সর্বপ্রথম আনুষ্টানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করেছে বাংলাদেশে বাউল শিল্পীদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন বাউল কল্যাণ পরিষদ সুনামগঞ্জ। এতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সচিব ডঃ মোহাম্মদ সাদিক কামাল উদ্দিন সহ প্রয়াত মরমী শিল্পীদের সঙ্গীতকর্ম প্রকাশের তাগিদ দিলে ২০০৮ ইং সনের ২১ শে ফেব্রয়ারী গানের সম্রাট কামাল উদ্দিন গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়। ২০০৮ ইং সনের ১৫ মার্চ জেলা প্রশাসক জনাব সাবের হোসেন স্থানীয় শহীদ আবুল হোসেন মিলনায়তনে একক সঙ্গীতানুষ্টান ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এই বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন। ৬.১২.২০০৯ ইং রবিবার সন্ধা ৬ টায় স্থানীয় সরকারী জুবিলী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠস্থিত বিজয় মেলার মুক্তমঞ্চে গানের সম্রাট কামাল উদ্দিন স্বরনে একক সঙ্গীতানুষ্টান ও আলোচনা সভায় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বাউল কামালের সঙ্গীতকর্ম নিয়ে মূল্যবান বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জ ৪ নির্বাচনী এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্জ মতিউর রহমান, জেলা প্রশাসক জনাব জহির উদ্দিন আহম্মদ, জেলা পুলিশ সুপার গোলাম কিবরিয়া ও অধ্যক্ষ শেরগুল আহমেদসহ জেলার সিভিল সোসাইটির গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । আর এইভাবে নানা আচার অনুসঙ্গর মধ্য দিয়ে সাধক কামাল উদ্দিন আমাদের দৈনন্দিনতায় প্রাসঙ্গিক হবেন এই আশা আছে। লেখা শেষ করছি কামাল উদ্দিনের রচিত একটি গান দিয়ে। যে গানে এই সাধক তার জীবনযাত্রায় ক্রমাগত নতুনের আবিস্কার করেছেন আর সন্ধান করেছেন অনাগত কোন নতুনের।

“সজনী আমি পিরীতি করলাম নূতন
হৃদয় মাঝে ফুটলোগো সই ফুল দুইটা নূতন।।
সজনীগো নূতন একটা কুদাল নিয়া,নূতন একটা খাল কাটিয়া
নূতন স্রোত বহেগো নূতন।
নূতন স্রোতের মরা নূতনগো সখী,ভাসেগো নিত্য নূতন।।
সজনীগো নূতন একটা কলসি নিয়া,নূতন যৌবতী লইয়া
নূতন জল ভরেগো নূতন।
আমি নূতন আমার বন্ধু নূতনগো সখী,বন্ধুর কথাবার্তা হয় নূতন।।
সজনীগো নূতন একটা বাঁশী নিয়া,নূতন একটা সুর দিয়া
নূতন বাঁশী বাজাইগো নূতন।
আমি নূতন বন্ধু নূতনগো সখী,পিরীতি হইলো নূতন।।
সজনীগো নূতন বাসরে গিয়া,নূতন আলাপ করিয়া
নূতন দেখা হইলোগো নূতন।
কামালে কয় তোমার সঙ্গেগো সখী,মিলনও হইলো নূতন ”।।
বৈশাখের কবি গানের সম্রাট কামাল পাশার জাগরণী গানে বর্ষবরণের উৎসবে প্রাণে আনন্দের সঞ্চার হোক সর্বত্র।
লেখক: আল-হেলাল, আহবায়ক, বাউল কামাল পাশা স্মৃতি সংসদ, সুনামগঞ্জ।

এ বিভাগের অন্যান্য খবর

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: