সর্বশেষ আপডেট : ৪ মিনিট ৩১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৬, খ্রীষ্টাব্দ | ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

আমার কৈফিয়ত – মাইস্নাম রাজেশ

bamsas‘বাংলাদেশ মণিপুরী ছাত্র সমিতি কেন্দ্রীয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত’ এ খবরের প্রতিবাদ লিপিতে শ্রদ্ধাভাজন বড় ভাই সুনামগঞ্জ সরকারী ডিগ্রী কলেজের সহযোগি অধ্যাপক নন্দলাল সিংহের মন্তব্য আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমার মাথায় ঢুকছেনা একটি সংগঠনের প্রেস রিলিজ কেনো একজন প্রথম শ্রেণীর গেজেটেড অফিসার প্রতিবাদ করবেন? যিনি এখন আদৌ সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত নন।
বামছাসের প্রেসনোটে কোথাও তো আপনাকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলা হয়নি। সংগঠনের একজন সাবেক সভাপতি হিসেবে নন্দলাল সিংহ বামছাসের চলমান উদ্ভুত সমস্যায় উদ্বেগ প্রকাশ ও সমাধানের আহবান না জানিয়ে এক পক্ষের সাফাই পক্ষালম্বন আমাকে হতবাক করেছে। তার এই প্রতিবাদ থেকেই কী প্রমাণিত হয় না যে তিনি এ সংগঠনের নীতিবিরুদ্ধ কাজের অন্যতম মদদ দাতা?
তিনি প্রতিবাদ জানিয়ে নিজের ঘোমটা তো খুলেছেন ভালো কথা কিন্তু তার সাথে আমার নাম জড়িয়ে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা কেনো চালিয়েছেন তা বোধগম্য হলো না। কেননা আমিতো কোনদিন অস্বীকার করিনি যে আমি সভায় উপস্থিত ছিলাম না। বামছাসের মিটিং-এ আমি উপস্থিত ছিলাম এটা যেমন লুকোবার বিষয় নয় ঠিক তেমনি ঢাকঢোল পিটিয়ে জানানোর বিষয়ও নয়। আমার উপস্থিতিতে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটি হয়েছে- এতেই প্রমাণিত হয় না যে আমার আদেশেই এটা হয়েছে। প্রস্তুতি কমিটি হয়েছে সর্বসম্মতিক্রমে। একজন সাবেক সভাপতির এরকম সাংগঠনিক অজ্ঞতা আমাকে পীড়িত করেছে। নন্দলাল দাদা উক্ত মিটিং ছিলেন না অথচ মিটিং-এর সবকিছুই জানেন ( তাঁর দেয়া প্রতিবাদ লিপি অনুয়ায়ী)। বামছাসের একজন শুভাকাঙ্খি হিসেব তিনি বামছাস’র খোঁজ-খবর রাখতেই পারেন। তাছাড়া একজন সরকারী কলেজের সম্মানিত শিক্ষক (বিসিএস, শিক্ষা) পেশাগত নানান ব্যস্ততা, অবস্থানের কারণে সভায় উপস্থিত থাকতে পারেননা এটাই স্বাভাবিক। তবে নন্দলাল দাদা যেহেতু জেনেছেন যে আমি সভায় উপস্থিত ছিলেন তাহলে তাঁর কী দায়িত্ব ছিলনা এ ব্যাপারে আমার সাথে যোগাযোগ করার?
এরই মধ্যে বেনামে কোন নামধাম ছাড়াই বামছাস সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির নামে দাওয়াত হাতে এলো। আমন্ত্রণপত্রে আমার নামের পরেই আমার স্থায়ী ঠিকানা লেখা। সাবেক সভাপতি হিসেবে সম্বোধন করে শিষ্টাচার দেখানো বিন্দুমাত্র লেশমাত্র নেই। আমাদের সকল অনুরোধের উপহাসপত্রটির খাম খুলেই দেখি, উচ্চ মার্গীয় ভূল ইংরেজীতে লেখা, সেই সঙ্গে ভুল লোগো। (বামছাসের ৩০ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ইংরেজীতে লেখা নিমন্ত্রণপত্র। এজন্য যারা ছাপিয়েছেন তারা ধন্যবাদপ্রাপ্য।) একটা দীর্ঘ নি:শ্বাস ফেলে আমি শুনলাম বামছাস ভাঙনের সুর।
বামছাস’র কিছু সদস্যদের সন্দেহজনক কার্যকলাপ দেখে আমার সন্দেহ ছিল যে নেপথ্যে থেকে কেউ একজন কলকাঠি নাড়াচ্ছে। আমি ভেবেছিলাম সুদুর প্রবাসে বসে কেউ হয়তো রিমোট চালাচ্ছে। আজ আমার সন্দেহ আজ ভূল প্রমাণিত হলো। আমারই অগ্রজ যার হাতে থেকে ২০০০ সনে বামছাসের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, যাকে নিয়ে আমরা গর্ব করতে করতাম- ইস্, যদি নন্দলাল দাদার মতোন যদি বিসিএস ক্যাডার ( শিক্ষা) হতে পারতাম; সেই নন্দলাল দাদা সংগঠন ভাঙার কাজে ইন্ধন জোগালো। এ লজ্জ্বা রাখব কোথায়।
লেখক : সাবেক সভাপতি, বামছাস

নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৬

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি : মকিস মনসুর আহমদ, প্রধান সম্পাদক : লিয়াকত শাহ ফরিদী
সম্পাদক ও প্রকাশক : কে এ রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
কার্যালয়: ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট-৩১০০
ফোন : ০৮২১-৭২৬ ৫২৭ (নিউজ), ০১৭১২ ৮৮ ৬৫ ০৩ (সম্পাদক)
ই-মেইল: dailysylhet@gmail.com

Developed by: