সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

রাজসঙ্গীর পদবী-মর্যাদা কেড়ে নিলেন থাই রাজা

 নিউজ ডেস্ক:: থাইল্যান্ডের রাজা ভাজিরালংকর্ণ তার রাজসঙ্গীর পদবী ও মর্যাদা কেড়ে নিয়েছেন। সিনিনাথ ওংভাজিরাপাকদি নামের ওই রাজসঙ্গীর বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও রাজতন্ত্রের প্রতি আনুগত্যহীনতার অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেন রাজা।

সোমবার এক রাজকীয় ফরমানে রাজা ভাজিরালংকর্ণ জানান, সিনিনাত ওংভাজিরাপাকদি অত্যন্ত ‘উচ্চাভিলাষী’ এবং তিনি নিজেকে ‘রানির সমকক্ষ ভাবতে শুরু করেছিলেন’। কিন্তু একজন রাজসঙ্গীর এহেন আচরণ রাজপরিবারের প্রতি অশ্রদ্ধার সামিল বলেও ওই আদেশে আরো উল্লেখ করা হয়।

রাজা ভাজিরালংকর্ণ চতুর্থ স্ত্রী রানি সুথিদাকে বিয়ে করার দুই মাস পর গত জুলাইয়ে সিনিনাথ ওংভাজিরাপাকদিকে রাজসঙ্গী হিসাবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

রাজসঙ্গী হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার আগে সিনিনাত ছিলেন একজন মেজর জেনারেল ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত পাইলট। তিনি নার্স ও দেহরক্ষীর কাজও করতেন।

গত প্রায় একশ বছরের মধ্যে থাইল্যান্ডে তিনিই ছিলেন রাজকীয় সঙ্গীর খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র নারী।

অন্যদিকে, ৪১ বছর বয়সী রানি সুথিদা রাজার সাবেক ফ্লাইট এটেনডেন্ট এবং তার দেহরক্ষী ইউনিটের প্রধান ছিলেন। রাজা ভাজিরালংকর্ণের দীর্ঘদিনের সহযোগী তিনি এবং বহু বছর ধরে রাজার সঙ্গে জনসম্মুখেও সুথিদাকে দেখা গেছে।

সোমবার রয়্যাল গেজেটে সিনিনাতের পদ ও মর্যাদা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

ঘোষণায় বলা হয়েছে, রাজতন্ত্রকে কোনোরকম সমস্যা এবং চাপ থেকে মুক্ত রাখার আশায় রাজা সিনিনাতকে রাজসঙ্গীর মর্যাদা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই সিনিনাতই এখন রাজা এবং রানির বিরুদ্ধে প্রতিরোধের দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়েছেন এবং রাজার পক্ষ থেকে আদেশ দিয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন।

এমনকি রানি সুথিদার সাথে রাজার বিয়ের পরেও বিভিন্ন রাজকীয় অনুষ্ঠানে নিয়মিত অতিথি ছিলেন সিনিয়াত।

তবে রাজকীয় ফরমানে যাই বলা হউক না কেন, সিনিনাতের রাজসঙ্গীর মর্যাদা কেন প্রত্যাহার করা হলো তার প্রকৃত কারণ কখনই জানা যাবে না। এটি গোপানই রয়ে যাবে আজীবন। কেননা থাইল্যান্ডে রাজ পরিবারের গোপন খবর কখনই প্রকাশিত হয় না।

প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে বাবা ভূমিবল আদুল্যাদেজের মৃত্যুর পরে সিংহাসনে আরোহণ করেন রাজা ভাজিরালংকর্ণ। এর আগে প্রায় ৭০ বছর ধরে সিংহাসনে ছিলেন তার বাবা ভূমিবল আদুল্যাদেজ।

রানি সুথিদাকে স্ত্রীর মর্যাদা দেয়ার আগেও তিনি আরো তিনবার বিয়ে করেছিলেন। তার সাতজন সন্তান-সন্ততি রয়েছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: