সর্বশেষ আপডেট : ২ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘বাস্তবতা মেনে নিতে না পেরে জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে তরুণরা’

নিউজ ডেস্ক:: জীবনের বাস্তবতা মেনে নিতে পারছেন না এবং সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন এমন তরুণরাই নতুন করে জঙ্গিবাদে জড়াচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স-ন্যাশনাল ক্রাইমের প্রধান মনিরুল ইসলাম।

শনিবার সকাল ১১টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে গবেষণা সংস্থা সিসার্ফ’র আয়োজনে ‘ঢাকা পিস টক’ সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

এ সময় সারাবিশ্ব জঙ্গিবাদের ঝুঁকির মধ্যে থাকলেও সেই তুলনায় বাংলাদেশে ঝুঁকি কম বলে মন্তব্য করেন মনিরুল ইসলাম।

ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্স ন্যাশনাল ইউনিটের প্রধান বলেন, ‘সম্প্রতি সময়ে ধরা পড়া জঙ্গিদের মধ্যে কেউ কেউ আগে থেকে ছিলো আবার অনেকে নতুন করে জড়িয়ে পড়েছে। মতাদর্শের জায়গাগুলোতে অর্থাৎ ইন্টারনেটে জঙ্গিবাদে লোভনীয় ও আকর্ষণীয় বেশ কিছু প্যাকেজ দিয়ে আকৃষ্ট করে। যাদের ভেতরে এন্টিবডি কম, মানসিকভাবে দুর্বল ও দেশপ্রেম নাই, মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধ নাই, মতাদর্শিক জায়গায় ধারণা নাই, টলারেন্স নাই, জীবনের যে বাস্তবতা যারা মেনে নিতে না পেরে শর্টকাট পথ খুঁজছে তারাই র‌্যাডিকালাইজড হচ্ছে এবং জঙ্গিবাদে জড়িয়ে পড়ছে।’

একই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং সিসার্ফের নির্বাহী পরিচালক শবনম আজিম বলেন, গবেষণার ফল বলে উগ্রবাদের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। কেননা একেক পরিস্থিতিতে এককভাবে উগ্রবাদের সৃষ্টি হয়েছে। কোনো ছকেই এই উগ্রবাদকে সরলীকরণ করা যাবে না। সহিংস উগ্রবাদ বা এর ঘনীভূত রূপ সন্ত্রাসবাদ দমনের মতো একটি দীর্ঘমেয়াদি জটিল কাজ কোনো সুনির্দিষ্ট বাহিনী, সংস্থা ও ব্যক্তির পক্ষেও সম্ভব না। এজন্য সবাইকেই এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু যে ধর্মীয় উন্মাদনার কারণে সহিংস উগ্রবাদের ঘটনা ঘটছে তা কিন্তু নয়। নানা সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য ও মূল্যবোধ এরকম নানান বিষয় এর সঙ্গে জড়িত। কী কারণে আমাদের তরুণরা সহিংস উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে জড়াচ্ছে তা নিয়ে অনুসন্ধান ও গবেষণাই আমাদের লক্ষ্য।

তিনি আরও বলেন, তরুণরাই বেশি সহিংস উগ্রবাদে ঝুঁকে। আর ক্ষতি পুরো জাতির। কোনো শিক্ষার্থী যাতে উগ্রবাদে না জড়ায়, সেজন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি দরকার পরিবারভিত্তিক মনস্তাত্ত্বিক শিক্ষা। এরপর সামাজিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয়ভাবে উগ্রবাদ ও মনস্তাত্ত্বিক শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। এই ক্ষেত্রে সিসার্ফ সচেনতামূলক কাজটিই করতে চায়। যে কাজগুলো মানুষকে জঙ্গিবাদে নিয়ে যায় সিসার্ফ ‘ঢাকা পিস টক’ এর মাধ্যমে সেগুলো শনাক্ত করবে ও সমাধানের পথও দেখাবে।

শবনম আজিম বলেন, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, দক্ষ সাংবাদিকের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা সিসার্ফ নামের এই প্রতিষ্ঠানটি কৌশলগত চিন্তক, অ্যাকাডেমিকদের প্ল্যাটফর্ম। আমরা ঢাকায় ১২টি রাউন্ড টেবিল বৈঠক করবো। এর সাথে ১২টি আলাদা আলাদা গবেষণাও হবে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: