সর্বশেষ আপডেট : ১৪ মিনিট ৫৩ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দ্রোহে-বিদ্রোহে কুলাউড়া


সঞ্জয় দেবনাথ: অধিকারহীনতায় কে বাঁচতে চায়? কেউ না। মানুষের মুক্তির আকাক্সক্ষা তার সহজাত। মানব সভ্যতার ক্রমবিকাশের ঊষালগ্ন থেকে মানুষ নিরন্তর সংগ্রামে মুখর হয়ে ছিলো এখনো আছে। যুগে যুগে দেশে দেশে তাই মানুষের সব ইতিহাস লড়াই-সংগ্রামের ইতিহাস। আমাদের এই ভারতবর্ষের ইতিহাসের পাতা উল্টালেই চোখে পড়বে মানুষের রক্তে ভেজা আর্তনাদের সুতীব্র ধ্বনি। পরতে পরতে লেপ্টে থাকা মুক্তির গানের অস্থির অবয়ব, শ্রেণিসংগ্রাম। এটাতো স্বীকার্য যে, শ্রেণীবিভক্ত সমাজে শ্রেণিসংগ্রাম অনিবার্য। কারণ বৈষম্যের বেড়াজালে কখনোই কাউকে দীর্ঘসময় আটকে রাখা যায় না। না মানুষ না সমাজ না দেশ। তাইতো মানুষ জাগে এবং জাগায় প্রকৃতি। দাস বিদ্রোহের নায়ক স্পার্টাকাস থেকে শুরু করে আমাদের মঙ্গল পা-ে, ক্ষুদিরাম, ভগৎ সিংরা যেমন জাগিয়েছিলেন সমস্ত মুক্তিকামী মানুষের চেতনা।
বৃটিশ-বেনিয়াদের কবল থেকে ভারতবর্ষ মুক্ত করতে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তৎকালীন সময়ে গড়ে ওঠেছিলো যুগান্তর, অনুশীলন, দিপালী নামের সংগঠনগুলো। স্বাধীনতা আন্দোলনের চেতনাদীপ্ত বিপ্লবীরা অনেকেই তখন ফাঁসির রশি পড়েছিলেন গলায়। জেলের অন্ধকারের প্রকোষ্ঠে বছরের পর বছর নির্যাতন ও নির্বাসিত দুঃসহ জীবন কাটিয়েছেন বিপ্লবীরা। এর অব্যবহিত পর বিদ্যমান রাজনৈতিক পদ্ধতি ও শাসনব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের মতাদর্শ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত হয় বিভিন্ন রাজনৈতিক উদ্যোগ। রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, আইনগত ও অর্থনৈতিক কাঠামোর মৌলিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সারা ভারতবর্ষে বিপ্লবীরা ষাটের দশক থেকে লাল আগুন ছড়িয়ে দেন সর্বত্র। শোধনবাদী পার্টি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তত্ত্বগত সংগ্রাম শুরু করার পাশাপাশি বিপ্লবী সংগঠন গড়ে উঠতে থাকে। ১৯৬৭ সালের ২৫ মে নকশালবাড়িতে পুলিশের গুলিতে শিশুসহ নিহত হন এগার জন কৃষক রমনী। ভারতের কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের সংগ্রামের ইতিহাসে সংযোজিত হয় আরো একটি নতুন নাম ‘নকশালবাড়ির অভ্যুত্থান’। কমরেড মাও সেতুঙ-এর নেতৃত্বাধীন চীনা কমিউনিস্ট পার্টি রেডিও পিকিং মারফত যাকে অভিহিত করলেন- ‘ভারতের বুকে বসন্তের বজ্র নির্ঘোষ’ বলে। সেই নতুন ইতিহাসের মহান নেতা হলেন কমরেড চারু মজুমদার। তেভাগা আন্দোলন থেকে নকশাল বাড়ির সত্তরের দশককে মুক্তির দশকে বদলে দেওয়ার উদাত্ত আহ্বানে আলোড়িত হয়েছিলো দেশ-সমাজ-কাল। বিপ্লবীরা ছুঁয়ে দিয়েছিল ভারত জুড়ে সাম্য সমাজের স্বপ্ন। সেই স্বপ্ন বাস্তব করতে ছুটে গিয়েছেন কমরেডরা গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। চারিদিকে সমাজ বদলের অদম্য স্পৃহা, যুদ্ধের উন্মথিত ঢেউ। শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্ন।
বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলেও সেই ঢেউয়ের প্রভাব পড়েছিলো দাবানল হয়ে। আমাদের কুলাউড়াও তখন আগুনলাগা স্বপ্নে বিভোর। একমুঠো স্বপ্ন নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের স্বার্থে আত্মত্যাগের গল্পগুলো ছোট্ট কুলাউড়াতেও কিšুÍ কম নয়। ভোগবিলাসের জীবন ছেড়ে ‘হয় আত্মত্যাগ নয় আত্মস্বার্থ’ এই মন্ত্রে কুলাউড়ার অনেক সৈনিকরা তখন আন্দোলন করেছেন গণমানুষের মুক্তির লক্ষ্যে। মাঠ-ঘাট কাঁপিয়েছেন স্বপ্নের সত্য ভাষণে। বাম আন্দোলনের ইতিহাসে তাই কুলাউড়াও অনেক জায়গা দখল করে আছে। বালিশিরা, করাইয়া, ফুলবাড়ি প্রভৃতি কৃষক আন্দোলনসহ চা শ্রমিক আন্দোলনে কুলাউড়ার এইসব তেজী মানুষের নাম স্মর্তব্য।
নবাব আলী সফদর খান রাজা যিনি ‘রাজা সাহেব’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন গণমানুষের কাছে। কিন্তু তাঁর আসল পরিচয় ছিলো কৃষক নেতা হিসাবে। মুর্শিদাবাদের নবাব ওয়াসেফ আলী মির্জার বাড়ি প্যালেস ওয়াসেফ মঞ্জিলে ১৯১৯ সালে জন্ম তাঁর। কুলাউড়ার পৃথিমপাশার নবাব পরিবারে বেড়ে ওঠা রাজা সাহেব নিজের সামন্তীয় প্রথার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। ১৯৫৭ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হন। ন্যাপ (ভাসানী) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদকও নির্বাচিত হয়েছিলেন রাজা। ১৯৬৬ সালে পৃথিমপাশায় অনুষ্ঠিত কৃষক সম্মেলনে জেলা কমিটির সভাপতি এবং পরবর্তীতে ১৯৬৭ সালে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক লস্করপুর সম্মেলনে তিনি কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন।
কুলাউড়ার বড়কাপন গ্রামে ১৯২৬ সালে জন্ম নেয়া সৈয়দ আকমল হোসেন ছিলেন মানুষের মুক্তি সংগ্রামের অগ্রসৈনিক। পৃথিমপাশার জমিদারদের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে নিজে সংগঠক হিসাবে ১৯৪৮ সালে ঐতিহাসিক ‘ছাতা মিছিলে’ নেতৃত্ব দিয়েছেন। ১৯৬৭ সালে জুড়ীর ধামাই চা বাগানে চা-শ্রমিকদের নিয়ে সংগঠিত করেন চা শ্রমিক আন্দোলন। তিনি ছিলেন গোপন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য।
সাধারণ কৃষক পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন আজির উদ্দিন খান। কুলাউড়ার উছলাপাড়া গ্রামে ১৯২৯ সালে জন্ম নেয়া এই মানুষটি অল্পবয়সেই মার্কসবাদের জটিল সূত্রগুলো আয়ত্বে এনে শ্রেণিহীন সমাজের কথা ভেবেছিলেন। প্রকাশ্য পার্টি ছেড়ে ১৯৬৩-৬৪ সালে গোপন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করে কাজ করতে থাকেন কমরেড আজির উদ্দিন। তিনি ন্যাপের জন্ম থেকেই কমিটির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯৬৭ থেকে ৮৬ সাল পর্যন্ত থানা কমিটির সভাপতি এবং জেলা কমিটির সহ সভাপতি ছিলেন। পরবর্তীতে কৃষক সমিতির জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন।
ড. বিজন বিহারী পুরকায়স্থ ছিলেন একজন বিদগ্ধ পুরুষ। হিঙ্গাজিয়া গ্রামে ১৯৩০ সালে জন্ম নেয়া এই মানুষটির ছিলো বহুমাত্রিক প্রতিভা। ছাত্রাবস্থায় মেধার স্বাক্ষর রাখা বিজন বিহারী পুরকায়স্থ অল্পবয়সেই কমিউনিস্ট পার্টির সাথে ঘনিষ্ঠ হতে শুরু করেন। কুলাউড়া নবীন চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ার সময় তাঁকে কেন্দ্র করেই ছাত্র ফেডারেশনের পথ চলা শুরু। তিনি আত্মগোপনে থেকে দিনে গ্রামে এবং রাতে চা-বাগানে কাজ করতেন। ১৯৪৮ সালে আলীনগর চা বাগান থেকে গ্রেফতার হন এ অবস্থায়। রেল ধর্মঘটে উসকানি দেবার অভিযোগে ১৯৪৯ সালের ১৮ এপ্রিল ফের গ্রেফতার হন তিনি। বাড়িতে গৃহবন্দী হিসাবে অন্তরীন থাকার শর্তে মুক্তি পাওয়া বিজন বিহারী আইন ভঙ্গ করে চলে যান সুনামগঞ্জে। সেখানে গিয়েও প্রচারকাজ চালানোর সময় আবারও গ্রেফতার হন।
আবু তাহের চৌধুরী ছিলেন স্কুলশিক্ষক। চেতনায় লাল স্বপ্ন তাঁকে আজীবন তাড়া করে ফিরেছে। কুলাউড়ার পৃথিমপাশায় ১৯৩২ সালে জন্ম নেয়া আবু তাহের ১৯৫৬ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। দক্ষিণ লংলা কুলাউড়া পার্টি সেলের সম্পাদকও হন। মাওবাদে আস্থাশীল আবু তাহের ভারত থেকে পার্টির গোপন প্রচারপত্র ছাপা করে আনার দায়িত্বে ছিলেন। কুলাউড়ার অনেক কমিউনিস্ট নেতা ছিলেন তাঁর রিক্রুট।
১৯৩৪ সালে পৃথিমপাশা গ্রামে জন্ম নেন আব্দুল মালিক। ছাত্রাবস্থায় কমিউনিস্ট কর্মী হিসাবে কাজ শুরু করা এই কমরেড ১৯৫৫ সালে যোগ দেন কৃষক সমিতিতে। ১৯৬২ সালে লাভ করেন গোপন কমিউনিস্ট পার্টির পূর্ণ সদস্যপদ। পরবর্তীতে সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সদস্য, কুলাউড়া শাখার সম্পাদক প্রভৃতি পদে দায়িত্ব পালন করেন।
ডা. পবন চন্দ্র দেবনাথ ছিলেন একজন জনপ্রিয় হোমিও চিকিৎসক। ১৯৩৬ সালে কুলাউড়ার বনগাঁও(২) গ্রামে তাঁর জন্ম। তিনি ১৯৬২ সালে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন। চা শ্রমিক সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। শমশেরনগরে কারফিউ ভাঙা, লস্করপুর ও বিজলী কৃষক সম্মেলনে সক্রিয় অংশগ্রহণসহ কৃষক সমিতি, পাহাড় কামলা সমিতি প্রভৃতিতে কাজ করেছেন। পার্টির বিভক্তির পর তিনি মাওবাদে আকৃষ্ট হয়ে মতাদর্শিক সংগ্রাম শুরু করেন। বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের জেলা কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটিতেও পবন চন্দ্র দেবনাথ দায়িত্ব পালন করেছেন।
আবদুর রশিদ পংকু ১৯৩৭ সালে গাজীপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন করার সময় তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে এসে পরবর্তীতে সদস্যপদ লাভ করে মানুষের মুক্তির সংগ্রামে আত্মনিয়োগ করেন। বিশেষ করে চা-শ্রমিক আন্দোলনে তাঁর অবদান স্মরণীয়। ধামাই চা বাগানের ঐতিহাসিক ধর্মঘটের তিনি ছিলেন সংগঠক। পূর্ব পাকিস্তান চা শ্রমিক সংঘের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন পংকু। হক-তোয়াহার নেতৃত্বাধীন কমিউনিস্ট পার্টির শমসেরনগর ইউনিটের সদস্য ছিলেন তিনি। তাছাড়া তিনি ছিলেন ১৯৬৯ সালের ‘কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ববাংলা সমন্বয় কমিটি’র সিলেট জেলা শাখার নির্বাচিত সদস্য। মুক্তিযুদ্ধের সময় তাঁর পিতা ও ভাইকে পাকবাহিনী গুলি করে হত্যা করে।
কুলাউড়ার নর্তন গ্রামে ১৯৩৭ সালে জন্ম নেয়া আব্দুল খালিক জিলা তরুণ বয়সেই প্রগতিশীল রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সমাজ বদলের অদম্য ইচ্ছায় গোপন কমিউনিস্ট পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন ১৯৬৩ সালে। পরবর্তীতে জিলা ন্যাপের কুলাউড়া থানা শাখার সম্পাদক নির্বাচিত হন।
পার্থ সারথি ছিলেন শারীরিক প্রতিবন্ধী। দু’পা সরু। কিন্তু লাল স্বপ্নে রাঙানো যার চেতনা; তার কাছে তো সেই প্রতিবন্ধকতা নস্যি! কুলাউড়ার আশ্রয় গ্রামে ছিলো তাঁর পৈতৃক নিবাস। ১৯৪০ সালে জন্ম নেয়া পার্থ সারথি মার্ক্সবাদে আকৃষ্ট হয়ে পার্টির সদস্য হন ১৯৬৩ সালে। ১৯৭২ সালে অনুষ্ঠিত খলাগ্রাম কৃষক সম্মেলনে তাঁর অবদান স্মরণীয়।
বড়কাপন গ্রামের আব্দুল করিম জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৩ সালে। ছাত্রাবস্থায় তিনি ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৫৯ সালের দিকে গোপন কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দিয়ে পার্টির কুরিয়ার হিসাবে কাজ করেছেন। তিনি পার্টির সদস্যপদ লাভ করেন ১৯৬২ সালে। মাওবাদের মতাদর্শে আস্থাশীল আব্দুল করিম মূল ¯্রােতের সাথে ছিলেন পার্টির ক্রান্তিলগ্নেও।
শিশির রঞ্জন দে মেঘন ১৯৪৬ সালে পৃথিমপাশায় জন্মগ্রহণ করেন। তরুণ বয়সে কৃষক সমিতিতে এবং ১৯৬৫-৬৬ সালের দিকে ন্যাপের সাথে যুক্ত হন। এরপর কমিউনিস্ট বিপ্লবীদের পূর্ববাংলার সমন্বয় কমিটি ও এনডিএফে কাজ করেন। তখনকার মাওয়ের চিন্তাধারার প্রতি পূর্ণ আস্থা ছিলো শিশির দে মেঘনের।
কুলাউড়ার টিলাগাঁওয়ের শরীফউল্লাহ, পৃথিমপাশার সৈয়দ ছয়ফুল হোসেন, ভাটুৎ গ্রামের শাহাদত আলী, হাজিপুর ইউনিয়নের ফরিদ হায়দার চৌধুরীসহ অনেকেরই মনে তখন সমাজ বদলের স্বপ্ন। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অনেকেই সেই স্বপ্নের সাথে লেপ্টে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। অনেক কমরেড গত হয়েছেন, কেউ কেউ বয়সের ভারে ন্যুব্জ। অনেকেই বিচ্যুত হয়েছেন মতাদর্শ থেকে। আবার কেউ কেউ নিষ্ক্রিয় থেকেও আঁকড়ে ধরে আছেন সর্বহারার স্বপ্ন…। অধিকারবোধের দীপ্ত চেতনায় যে দাগ কমরেডরা দিয়ে গেছেন কুলাউড়ার বুকে, তাতো কখনোই মুছে যাওয়ার নয়। মানুষকে ভালোবাসে যে চেতনা, শ্রমিক-কৃষক-মেহনতির স্বার্থে আত্মত্যাগে উদ্বুদ্ধ যে চেতনা- তারতো ধ্বংস নেই। সেই চেতনা দেশ-কাল-সমাজকে সমৃদ্ধ করে ইতিহাসের পাতায় ঠাঁই করে নিয়ে। প্রতিক্রিয়াশীলদের সদম্ভ চেহারা উন্মোচিত করে জনগণই যুগে যুগে। এ বিষয়ে কার্ল মার্কসের বিখ্যাত উক্তিটি প্রণিধানযোগ্য- রাজা যখন প্রতিবিপ্লবে মেতে ওঠে, তখন জনগণ সঠিকভাবেই বিপ্লব দিয়ে তার যথাযোগ্য প্রতিউত্তর দেয়।

(তথ্যসূত্র: তাজুল মোহাম্মদের সোনার মলাট, উইকি)
সঞ্জয় দেবনাথ: শিক্ষক, কবি ও সাংবাদিক।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: