সর্বশেষ আপডেট : ২২ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ১২ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২৮ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

অনুভুতির অবিনশ্বর মূর্ছনা (মরহুম আব্দুর রৌফ চৌধুরী স্মরণে)

মোঃ কায়ছার আলী: ‘To die is to be luckier.’ Walt Whitman, সৃষ্টি রহস্যময়। মানুষ সৃষ্টির সেরা। কেবলমাত্র মানুষেরই জ্ঞান, বুদ্ধি এবং বিবেক আছে। দেহ এবং আত্মা (রূহ) নিয়েই মানুষের জীবন। জীবন ক্ষণস্থায়ী, স্বপ্নের মতো। এই আছে, এই নাই। মাতৃগর্ভে প্রাণ সঞ্চারনের সময় থেকে প্রাণের স্পন্দন চলা পর্যন্ত মোট সময়কে বলে জীবন। দেহ এবং আত্মা পৃথক হওয়া মাত্রই মৃত্যু। আত্মা প্রচন্ড শক্তিশালী। বিজ্ঞানের ভাষায় শক্তির বিনাশ নেই, রূপান্তর আছে। মহাকালের অতি ক্ষুদ্র সময়ের জন্য মানুষ পৃথিবীতে আসে, আবার চলে যায়। এভাবেই চলছে, চলতেই থাকবে। কতদিন চলবে তা জানি না। অনিবার্য, অমোঘ এবং চিরন্তন মৃত্যুর হাত থেকে কোন প্রাণীরই রেহাই নেই। কেউ মৃত্যুকে ভয় পায়, আবার কেউ পায় না। চিরকালীন অনন্ত সুখের স্থান জান্নাতে যেতে চাইলে মানুষকে মৃত্যুর স্বাদ অবশ্যই গ্রহণ করতেই হবে। বলা যায় মৃত্যু পৃথিবী এবং জান্নাতের মধ্যে একটি সেতু বা মাধ্যম। কখন এবং কীভাবে কার মৃত্যু হবে তা কেউ জানে না। হতে পারে মাতৃগর্ভে, জন্মের সময়, শৈশবে, কৈশোরে, যৌবনে, বার্ধক্যে, রোগে, দুর্ঘটনায়, বন্দুকের গুলিতে, ফাঁসির মঞ্চে, বিষের পেয়ালায়, আগুনে পুড়ে, সলীল সমাধিতে অথবা অন্যভাবে। মৃত্যু সম্পর্কে লিখতে গেলে মনে পড়ে যায় আলফ্রেড টেনিসনের বিখ্যাত কবিতা “টিথোনাসের” সারাংশ খানা। অমর কবিতায় তিনি লিখেছেন প্রতিটি গাছের পাতার ধ্বংস আছে, তা মাটির সাথে মিশে যায়। চির সবুজাভ রং হারিয়ে ফেলে। জলীয় বাষ্প ভারাক্রান্ত কান্নার সাথে মাটিতে মিলিয়ে যায়। নীল আকাশকে ঢেকে রাখা মেঘগুলো বৃষ্টি হয়ে ঝরে যায়। মানুষ পৃথিবীতে আসে, মাটিতে জমি কর্ষন করে আবার এই মাটির নিচেই বিশ্রামে শায়িত হয়। কিন্তু টিথোনাসের মৃত্যু নেই। টিথোনাস ভালোবাসত সকালের দেবী অরোরাকে। সে অরোরার কাছে অমরত্ব চেয়েছিল এবং অরোরা তাকে অমরত্ব দান করেছিল। কিন্তু সময়ের স্রোতে, প্রাকৃতিক নিয়মে, জীবনের গতিময়তায় টিথোনাস ধীরে ধীরে বৃদ্ধ হতে লাগল। সকালের দেবীর কাছে পৌঁছানোর জন্য শিশির সিক্ত সকাল, হিমেল বাতাস, কুয়াশার চাদরে ঢাকা প্রকৃতি এখন আর তার ভাল লাগে না। সাদা চুল আর শরীরের অক্ষমতা নিয়ে টিথোনাস তাকিয়ে থাকে মৃত্যুর অপেক্ষায়। কিন্তু হায়! টিথোনাস যে প্রাকৃতিক নিয়মের বিরোধিতা করেছে। টিথোনাস ‘অমরত্ব’ চেয়েছে কিন্তু ‘চিরন্তন যৌবন‘ চায়নি। টিথোনাস এবার অরোরার কাছে তার ‘অমরত্ব’ ফিরিয়ে নিতে বলে। কিন্তু অরোরা সেটি ফিরিয়ে নিতে পারে না। কেননা গডের দেওয়া দান কখনো ফেরত নেওয়া যায় না। এক অকৃত্রিম, বিষাদময়, যন্ত্রনাদায়ক অবস্থায় টিথোনাসের দিন কাটে। টিথোনাস ঈর্ষা করে সেইসব সুখী লোকদের দেখে যারা মৃত্যু বরণ করে এবং কবরে শায়িত হয়। সে আবারো অরোরাকে আবেদন করে তাকে মুক্তি দিতে এবং মাটিতে পুনঃস্থাপন করতে। যাতে করে সে মৃত্যুর অমৃত স্বাদ গ্রহণ করতে পারে। মৃত্যু না হলে কি জীবনের মূল্য বোঝা যেত? বিচক্ষণ, দুরদর্শী, স্মরণীয় এবং বরণীয় মহৎ মানুষেরা মৃত্যু আসার আগেই জীবনের প্রতিটি মুহুর্তকে গুরুত্ব দেয়। আবিষ্কার, সাহিত্য চর্চা, জনসেবা, দেশ-স্বাধীন, অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জন বা অন্য কোন ভাবে তারা নিজেকে প্রস্ফুটিত করেন। কয়েক সহস্র বছরের গণতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে আধুনিক গণতান্ত্রিক চীনের গোড়াপত্তন করেন মহান বিপ্লবী নেতা সান ইয়াত সেন। তাঁর মৃত্যুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে গভীর অনুরাগী মাও সে তুং বলেছিলেন “মৃত্যু অতি স্বাভাবিক নিত্য ঘটনা। তা যেন পাখির পালকের মত খসে পড়া অথবা গাছের শুষ্ক পাতার মত ঝরে পড়া। কিন্তু কিছু মৃত্যু আছে যা পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দেয় যেন থাই পর্বত ধসে পড়ে।” ইসলাম ধর্ম মতে, মৃত্যুর পর তিনটি আমল মৃত ব্যক্তির আমলনামায় যোগ হতে থাকে। তাহলে কি মৃত্যু মানে সব শেষ? না, মোটেই না। মানবসেবা বা জনসেবা রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে বেশি করা যায়। অর্থ দান, খাদ্য বিলানো, সেবা শুশ্রুষা করা, দুর্ঘটনায় আহত, বস্ত্রহীনকে বস্ত্র দান, জনকল্যানে পথ-ঘাট, সেতু, হাসপাতাল, শিক্ষা-প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করে আবার দেশ ও জাতির প্রয়োজনে বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে অথবা শহীদ হয়ে মানবতার কাজ করা যায়। এদেশের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য যাঁরা জীবন দিয়েছেন তাঁদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ জনপদের এক মহান স্বাধীনতা সংগঠকের জীবনী আজকের লেখার আলোচ্য বিষয়। ২১শে অক্টোবর ২০১৯ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, বিশিষ্ট ক্রীড়াবিদ, জেলা আওয়ামী লীগের একাধিকবার তথা পনের বছর দায়িত্ব পালন করা সভাপতি, সাবেক এমপি ও প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির অন্যতম সদস্য এবং বর্তমান বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তৃতীয় বারের মতো নির্বাচিত সাংগঠনিক সম্পাদক ও বিরল-বোচাগঞ্জ এলাকার দুই দুই বার নির্বাচিত মাননীয় সংসদ সদস্য এবং নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী জননেতা খালিদ মাহমুদ চৌধুরী-এর গর্বিত পিতা জননেতা আব্দুর রৌফ চৌধুরীর বারোতম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৭ সালের এই দিনে সকাল সাড়ে আটটায় তার নিজ বাসভবন বোচাগঞ্জ উপজেলার সেতাবগঞ্জ পৌরসভার ধনতলা গ্রামের চৌধুরীপাড়ায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাংলা ভাষায় শোকাচ্ছাস বলে একটি শব্দ আছে। এর খুব বেশি ব্যবহার নেই। শব্দটির যুত সই ব্যবহার করার মত ঘটনা রোজ রোজ ঘটে না। কিন্তু সেদিন বিরল দৃশ্য হয়েছিল। জানাজায় মানুষের ভীড় আছড়ে পড়েছিল অন্য ভীড়ের উপর। জনগণের অফুরন্ত ভালোবাসার ভেলায় ভাসতে ভাসতে সিক্ত হয়ে চিরনিদ্রায় তিনি শায়িত হলেন। চারদিকে আম, লিচু ও সুপারির গাছ। পারিবারিক গোরস্থানে অনেকগুলো কবর। পূর্বপার্শ্বে রাস্তা পার হলে একটা মসজিদ। আমার কাছে মনে হয় শান্তিতে ঘুমানোর জন্য একটা নিরিবিলি পরিবেশ। আমরা জানি চিরদিনের জন্য ঘুমিয়ে থাকা মরহুম আব্দুর রৌফ চৌধুরী আর কোনদিন কথা বলবেন না। আর কখনো তাঁর কন্ঠে উচ্চারিত হবে না দুঃখিনী বাংলা মায়ের কথা। আর কোনদিন তাঁকে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করতে হবে না। আর কোনদিন সংগঠক হয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে দেখা যাবে না। শ্রমজীবী ও মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় আর রাজপথে তাঁকে নামতে হবে না। বৃহত্তর দিনাজপুর জেলার (ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়সহ) ২৩টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের পতাকাতলে জনগণকে সমবেত হওয়ার জন্য উদাক্ত আহ্বান আর শোনা যাবে না। যাঁর বুক জুড়ে ছিল বঙ্গবন্ধু আর এদেশের মানচিত্র। আর হৃদয় জুড়ে ছিল আওয়ামী লীগ এবং জনগণ। সেদিন অপেক্ষায় ছিল অর্থাৎ ২২শে অক্টোবর ২০০৭ এর সকাল, দুপুর, বিকাল আর রাত। অপেক্ষায় থাকতে থাকতে সময় স্বাভাবিক গতিতে আজও চলছে। স্যার আপনার আনন্দের নাম মুক্তিযুদ্ধের বিজয়, চেতনার নাম অসাম্প্রদায়িক শোষণ মুক্ত বাংলাদেশ হয়তো ভবিষ্যত স্বপ্নের নাম ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ, নিম্ন মধ্যম আয়ের বাংলাদেশ, পদ্মা সেতুসহ অনেক কিছু যা আজ বাস্তবায়িত হচ্ছে। বৃহত্তর দিনাজপুর জেলায় আপনি ছিলেন রাজনীতির এক তারকা পুরুষ, নন্দিত রাজকুমার, সেই কিশোর বয়সে ছাত্র জীবন থেকে রাজনীতি শুরু করে আমৃত্যু ছিলেন রাজনীতির সঙ্গে। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনে যা পেয়েছেন তার চেয়ে বেশি দিয়েছেন দেশকে অর্থাৎ স্বাধীনতার সৈনিক হিসেবে মৃত্যু ভয় উপেক্ষা করে একটা স্থায়ী লাল সবুজ পতাকা। দিনাজপুর শহরের স্টেশন রোড গেইট সংলগ্ন আবাসিক নিউ হোটেলের তৃতীয় তলার ১২ নম্বর ভিআইপি কক্ষটি আজও সে ভাবে দাড়িয়ে আছে কিন্তু আপনি নেই। যেখানে জীবন ও যৌবনের দীর্ঘ ১৭ বছর অতিবাহিত করে নিরলস ভাবে, ধৈর্য্যের সাথে আপনি দলকে পরিচালনা করেছেন। দলের চরম দূর্দিনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবর্গ দিনাজপুর সফরে এলে আপনি তাঁদের জন্য ছিলেন একমাত্র কান্ডারী। দলের জন্য ছিল কি অসীম ত্যাগ! স্যার সম্পর্কে জানতে চাইলে নিউ হোটেলের বড় জামাতা (বর্তমানে স্বত্বাধিকারী) সামেদুল হাসান ইরোজ অনবরত পুরাতন স্মৃতি আজও চারণ করে। মাননীয় মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেও সার্কিট হাউজে প্রথম না উঠে নিউ হোটেলে এসে সকলকে মিষ্টি মুখ করান। দীর্ঘ ১৭ বছরের স্মৃতি আজও অনেকের হৃদয়ের মানসপটে ভাসমান। ১৯৩৭ সালের ২৮শে ডিসেম্বর তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত পবিত্র ভূমিতে (জন্ম এবং মৃত্যু একই স্থানে) এক মাহেন্দ্রক্ষণে সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে পিতা সমাজ সেবক মৌলভী খোরশেদ চৌধুরী এবং মাতা আয়েশা খাতুন চৌধুরীর ঘরে জন্ম গ্রহণ করেন। মাটি ও মানুষের জন্য নিরলসভাবে গণমানুষের কল্যানে সত্তরটি বছর কাজ করেছেন। ১৯৬২ সালে পঞ্চগড়ের ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন সরকারের জ্যৈষ্ঠা কন্যা রমিজা রৌফ চৌধুরী সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। একমাত্র পুত্র সন্তান ছাড়াও এই দম্পত্তির আরও পাঁচজন কন্যা রয়েছেন। সমাজে তারা সকলেই প্রতিষ্ঠিত। ১৯৫২ সালে সিরাজগঞ্জ থেকে মেট্রিক অতঃপর ঢাকা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি পরবর্তীতে দিনাজপুর এসএন কলেজে বিএ পড়ার সময় ছাত্র সংসদের প্রতিনিধিত্ব করেন। ঢাকা কলেজে অধ্যয়নের সময় বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে পরিচয় এবং সখ্যতা গড়ে উঠে। ১৯৬২ সালে শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলন, ১৯৬৯-র গণঅভ্যুত্থান ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ১১ দফা আন্দোলনে তিনি অগ্রনী ভূমিকা পালন করেন। মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে তিনি বাংলাদেশ কৃষক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। ৭৫, ৮২ ও ৯০র পরবর্তী সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনে সামনের কাতারে তিনি নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহাম্মেদের পূর্বাঞ্চলীয় জোন এর তিনি দূত ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর বোচাগঞ্জ উপজেলা পাক হানাদার মুক্ত হয়। একজন ভাল ফুটবল খেলোয়াড় হিসেবে এ অঞ্চলে তাঁর সুনাম ছিল। ১৯৯০ সালে তিনি বোচাগঞ্জ উপজেলায় চেয়্যারম্যন নির্বাচিত হোন। ২০০২ সালে বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের শাসনামলে ১৫ই আগষ্ট জাতীয় শোক দিবসের কর্মসূচি পালন কালে পুলিশের বাধার সম্মুখীন হয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পেয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। ১৯৯৬ সালে দিনাজপুর-১ আসন (বীরগঞ্জ-কাহারোল) থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হোন। পরবর্তীতে ডাক তার ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন সাধন করেন। মৃত্যুবার্ষিকীর এই দিনে শোকাহত পরিবার, উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে বিভিন্ন সংগঠন কর্মসূচি পালন করছে। আমিও ব্যক্তিগতভাবে আপনার অবিনশ্বর আত্মার শান্তি কামনা করছি। পরিশেষে আপনি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে যেভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন ঠিক সেভাবে আপনার একমাত্র পুত্র বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বর্তমানে রাজশাহী বিভাগ (ইতিপূর্বে রংপুর) সহ জাতীয় পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। আপনি আজ বেঁচে থাকলে আপনার পুত্রের সাফল্য দেখে সবচেয়ে বেশী খুশি হতেন। কিন্তু বিকল্পহীন মৃত্যু তা হতে দেয় নি। তবুও আপনি আপনার পুত্রের প্রেরণার উৎস্য হিসেবে অন্তরে বা চেতনায় আছেন। অনুভব বা প্রেরনায় আপনি যুগের পর যুগ বা শতাব্দীর পর শতাব্দী বেঁচে থাকবেন। আপনার কবরের পাশে গেলে যেন ‘এফিটাফের’ সেই কালজয়ী উক্তিখানা মনে পড়ে। “What you are, I was. What I am, you will be”

লেখকঃ শিক্ষক, প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: