সর্বশেষ আপডেট : ৩৯ মিনিট ৫০ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

প্রকাশ্যে আবরার হত্যার সম্পূর্ণ ভিডিও

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ক্লোজ সার্কিট (সিসি) ক্যামেরার দুটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছিল। ভিডিও দুটি ছিল খন্ড। যেখান থেকে কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পূর্ণ ভিডিওর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে চাপ দিচ্ছিলো শিক্ষার্থীরা। পাওয়া গেল সেই পূর্ণ ভিডিও।

দীর্ঘ সেই ভিডিও কিছুটা ফার্স্ট করে দেখা গেছে কিভাবে আবরারকে হত্যা করার পর নিয়ে যাওয়া হয়। সিড়িতে ফেলানো হয়। একাধিক ছাত্র তার লাশ টানা হেচড়া করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনও সেখানে উপস্থিত হয়েছিল। চিকিৎসক ডেকে আনা হয় রাতে। এর আগের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আবরারকে মারধরের পর কক্ষ থেকে বের করা হয়।

ভিডিও ফুটেজে আরও দেখা যায়, প্রথমে একজনকে বারান্দা দিয়ে কিছুটা দৌড়ে আসে। এরপর তিনি একই পথে ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর আবরারকে তিনজন ধরাধরি করে নিয়ে আসেন। তাদের পেছনে একজনকে হেঁটে আসতে দেখা যায়, তার পেছনে আরেকজন হেঁটে আসেন। এর পরপরই আরও পাঁচজনকে ওই বারান্দা দিয়ে হেঁটে আসেন।

এদিকে আবরার হত্যা মামলায় রিমান্ডে থাকা ১০ আসামি গ্রেপ্তারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে জানিয়েছেন ডিবির ঢাকা দক্ষিণের এডিসি রাজিব আল মাসুদ।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে তারা যেটা বলেছে, যে হত্যার মোটিভটি আসলে হত্যার জন্য ছিল না। মরাপিট করতে করতে এক পর্যয়ে ভিকটিম মারা যায়। যাদেরকে আমরা ধরেছি, তারা মারপিটি অংশ গ্রহণ করেছে, এরকমটা স্বীকার করেছে।

‘এজাহারের নাম থাকলে যে কেউ আসামি হবে। বিষয়টা এমন না। বিষয়টা তদন্ত সাপেক্ষে বের করতে হবে। এর ঘটনার সাথে যারা জড়িত ছিল, প্রাথমিক ভাবে তারা ধরা পড়েছে। আমরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি, যাদের নাম পেয়েছি, তাদের নাম নোট করেছি। সে ক্ষেত্রে অমিত শাহ কেনো অন্য কেউ যদি থাকে তাদেরকেও ধরা হবে।’

প্রসঙ্গত, রোববার মধ্যরাতে বুয়েটের সাধারণ ছাত্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবরারকে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলা থেকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যায়। সোমবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এই ঘটনায় নিহতের বাবা মো. বরকত উল্লাহ ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত কয়েক জনকে অভিযুক্ত করে চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় ১০ জনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।এদিকে মঙ্গলবার বেলা পৌনে ১১টায় নিজ বাসার সামনে আবরারের তৃতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় রায়ডাঙ্গা কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

অমানুষগুলো দেখতে মানুষেরই মত। আসলে ভালো ছাত্র মানেই ভালো মানুষ নয়।

Posted by Nazmul Hossain on Tuesday, October 8, 2019




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: