সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩০ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুলাউড়ায় মূলহোতাকে গ্রেফতারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

কুলাউড়া প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় স্কুলগামী মেয়েদের ইভটিজিং করার প্রতিবাদকারী চৌধুরীবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকমল হোসেন রুমেলকে ব্রীজের ওপর থেকে ধাক্কা দিয়ে নিচে ফেলে দেয় দুই বখাটে এবং কলেজ ছাত্র রাহাত হোসেন রাজকে উপর্যপূরি পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ ঘটনায় ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও আসামীকে পুলিশ আটক করতে না পারায় এলাকাবাসী আন্দোলনে নেমেছেন। আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মূল আসামীকে ইভটিজারকে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রোববার ২৯ সেপ্টেম্বর এক মানববন্ধনের আয়োজন করেন মিনারমহল ঐক্যপরিষদ। মানববন্ধনে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।

শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হাজী মিরজান আলীর সভাপতিত্বে ও সংগঠক জুবের হাসান জেবলুর পরিচালনায় মানব বন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে বক্তব্য রাখেন কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সুফিয়ান আহমদ, ইউপি সদস্য আলমগীর হোসেন আলম, সৈয়দ তাহির আলী আজমল, মাহমুদুল ইসলাম দানা, অবসরপ্রাপ্ত র‌্যাব সদস্য রেজাউল করিম মানিক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক হোসেন মনসুর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সভাপতি সুরমান আহমদ, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আবু সায়হাম রুমেল, কুলাউড়া সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া আল জেবু, ছাত্রলীগ নেতা রিপন বখশ। মানববন্ধনে একাত্মতা পোষণ করে কুলাউড়া মুক্ত স্কাউটস গ্রুপ, লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ ও মিনারমহল ঐক্য পরিষদ।

প্রসঙ্গত, ২৪ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার রাউৎগাঁও ইউনিয়নের একিদত্তপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে চৌধুরীবাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আকমল হোসেন রুমেল তাঁর দ্বিতীয় শ্রেণী পড়–য়া মেয়ে সাবিয়া হোসেন (৭) কে স্কুল থেকে আনতে যান। মেয়েকে নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে পথিমধ্যে মীরেরগ্রাম ও মুকুন্দপুর এলাকার মধ্যবর্তী স্থানে বাড়ুয়া ছড়া ব্রীজের উপর এলাকার চিহিৃত বখাটে বেলাল হোসেন রানা ও জয়নাল আবেদীন রনি ব্রীজের উপরে দাঁড়িয়ে স্কুলগামী ছাত্রীদের ইভটিজিং করছিলো। এসময় তিনি ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করায় তাকে ব্রীজ থেকে ২৫ ফুট নিচে ফেলে দেয় বখাটে রানা ও রনি। ঘটনার পর এলাকাবাসী ধাওয়া করে বখাটে ইভটিজার জয়নাল আবেদীন রনিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করলেও ঘটনার মূল হোতা ইভটিজার পাশ্ববর্তী রাউৎগাঁও ইউনিয়নের মুকুন্দপুর গ্রামের রমজান মিয়ার বখাটে ছেলে বেলাল হোসেন রানাকে এখনও আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ ঘটনায় আহত রুমেলের ভাই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে রানা ও রনিকে আসামী করে মামলা করেন। এদিকে আকমল হোসেন রুমেলের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তিনি সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ইয়ারদৌস হাসান জানান, এ ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছে এবং একজনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অপর আসামীকে গ্রেফতারের জোর চেষ্টা চলছে।




এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: