সর্বশেষ আপডেট : ৭ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছোট্ট শিশুর ওপর দিয়ে গেল একের পর এক ট্রেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’! ছোট্ট এই শিশুটির ওপর দিয়ে গেছে একের পর এক দ্রুতগামী ট্রেন। তারপরও অলৌকিক ভাবে বেঁচে গেছে শিশুটি। ঘটনা ভারতের জলপাইগুড়ির। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে নিয়ম মাফিক লাইন যাচাই করছিলেন দু’জন ট্র্যাকম্যান। সেই সময়েই তাদের নজরে আসে একটি ছোট্ট কাপড়ের পুঁটলি। কাপড়টা সরাতেই তাদের চক্ষু চড়কগাছ।

রেল লাইনের মাঝে কাপড়ে মুড়িয়ে রাখা হয়েছিল কয়েক মাস বয়সী এক কন্যা শিশুকে। ওই শিশুর সারা গায়ে ছিল আঘাতের চিহ্ন। সঙ্গে সঙ্গে রেলের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিষয়টি জানানো হয়।

তাদের উদ্যোগেই প্রথমে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় ছোট্ট শিশুটিকে। পরে তাকে রেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। কে বা কারা শিশুটিকে লাইনের মাঝে ফেলে রেখে গেছে তা নিয়ে তদন্ত শুরু করছে পুলিশ।

তবে এখানেই শেষ নয়। বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাতে শিলিগুড়ির নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে প্রায় ২৬ কিলোমিটার দূরে চটহাট স্টেশন থেকে উদ্ধার করা হয় ৩০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত নারীর মরদেহ। রেলকর্মীদের ধারণা, ওই নারীই হয়তো শিশুটির মা। তাকে খুন করার পর লাইনে বেশ কিছুটা এগিয়ে এসে শিশুটিকে রেখে যাওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্রেন থেকে বাচ্চাটিকে ফেলে দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই বলে মনে করছে পুলিশ। তাছাড়া ট্রেন থেকে কোনো শিশুর পড়ে যাওয়ার কোনো খবরও পাওয়া যায়নি।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, শিশুটির মাথা, পিঠ ও হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। রেল হাসপাতালে বর্তমানে সুস্থ হয়ে উঠেছে শিশুটি। রেল হাসপাতালে চিকিৎসকদের কড়া নজরদারির মধ্যে রাখা হয়েছে শিশুটিকে। সুস্থ হওয়ার পর শিশুটিকে হোমে স্থানান্তরিত করা হবে বলে জানানো হয়েছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: