সর্বশেষ আপডেট : ৪৩ মিনিট ৫২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘সতীদাহ নিষিদ্ধ হলে মুসলিম নারীদের সম্মান রক্ষার্থে তিন তালাক কেন নয়?’

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: লালকেল্লায় দাঁড়িয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তাঁর প্রশ্ন- দেশে সতীদাহ প্রথা যদি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে, তাহলে মুসলিম নারীদের সম্মান রক্ষার্থে তিন তালাক প্রথা কেন নিষিদ্ধ করা যাবে না?

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, বর্তমান সরকারের দ্বিতীয় পর্বে বেশ কিছু কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। এর মধ্যে যেমন রয়েছে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার, তেমনই রয়েছে দেশ থেকে তিন তালাক প্রথার বিলুপ্তির মতো সিদ্ধান্ত। যার জন্য সরকারকে রীতিমত কড়া সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে।

এর আগেও কেন্দ্রীয় সরকারগুলোর সামনে প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন মোদি। তিনি জানতে চেয়েছেন, কেন স্বাধীনতার ৭২ বছর পরেও তিন তালাকের মতো বৈষম্যমূলক প্রথা বন্ধ করা গেল না? তার প্রশ্ন হিন্দু সমাজে যদি সতীদাহ প্রথা, কন্যা ভ্রূণ হত্যা ও বাল্যবিবাহের মতো নিয়মগুলো আইন করে বন্ধ করে, তাহলে তিন তালাক নয় কেন?

মোদি জানান, তিন তালাকের মতো প্রথার জন্য বহু মুসলিম নারী অন্ধকারময় জীবন কাটাচ্ছেন। তাদের কথা কেন ভাবা হল না। যদি মুসলিম রাষ্ট্রগুলো তিন তালাক প্রথাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করতে পারে, তাহলে ভারতও সেই পথে হাঁটার ক্ষমতা রাখে। মোদি সরকার সেই পথেই হেঁটেছে। তিন তালাকের মতো অন্ধকারময় প্রথার শেষ হওয়া উচিত।

চলতি বছরের অগাস্ট মাসেই রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এ বিলে সম্মতি দেন। সম্মতি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আইনে পরিণত হয়ে যায় তিন তালাক বিলটি। যার ফলে কোনো মুসলিম পুরুষ তার স্ত্রীকে তাত্‍ক্ষণিক তিন তালাক দিলে সেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাকে জেল খাটতে হবে। এই আইনে সর্বোচ্চ তিন বছরের সাজার নির্ধারণ করা হয়েছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: