সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

মালয়েশিয়ায় নিখোঁজ আইরিশ কিশোরীর মৃত্যুর কারণ জানালো পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: দশ দিন আগে মালয়েশিয়ার একটি অবকাশ কেন্দ্র থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া আইরিশ কিশোরী নোরা আনে কুয়োরিনের (১৫) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার নিখোঁজ হওয়া অবকাশ কেন্দ্রটি থেকে আড়াই কিলোমিটার দূরে তার পোশাকহীন মরদেহ খুঁজে পায় মালয়েশিয়ার পুলিশ।

তবে নিখোঁজ হওয়া আইরিশ কিশোরীর মৃত্যু হয়েছে রক্তক্ষরণে। ময়নাতদন্তে মৃত্যুর এ কারণ উল্লেখ করা হয়েছে।

টানা না খেয়ে থাকা এবং মানসিক চাপের কারণেই রক্তক্ষরণ হয় বলে মনে করা হচ্ছে। পুলিশ বলছে, ময়না তদন্তের রিপোর্ট থেকে বোঝা যাচ্ছে নোরা নামের ঐ কিশোরীর অপহরণ কিংবা ধর্ষণের কোনো আলামত মেলেনি। একটি রিসোর্ট থেকে দশদিন আগে নিখোঁজ হয় নোরা।

উল্লেখ্য, বাবা-মায়ের সঙ্গে মালয়েশিয়ায় বেড়াতে আসার পর গত ৪ আগস্ট কুয়ালালামপুর থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে জঙ্গলের মধ্যে অবস্থিত দুসান রেইনফরেস্ট অবকাশ কেন্দ্র থেকে নিখোঁজ হয় নোরা। জন্ম থেকেই অস্বাভাবিক শিশু ছিল নোরা। শুনতে পেতে সমস্যা হতো তার। গত সপ্তাহে তার পরিবারের তরফে জানানো হয় এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ সফরের অভিজ্ঞতা থাকলেও কখনো একা বের হয়নি সে।

নোরা হারিয়ে যাওয়ার পর এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী নজর কাড়তে সক্ষম হয়। সাবেক বিশ্ব দাবা চ্যাম্পিয়ন গ্যারি কাস্পারোভসহ অনেকেই নোরার পরিবারের পাশে দাড়ান। নোরার বিষয়ে তথ্য দিতে ৫০ হাজার রিঙ্গিত পুরস্কারের ঘোষণা দেয় বেলফাস্টভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান।

মঙ্গলবার মালয়েশিয়ার পুলিশ জানায়, জঙ্গলের একটি নদীর প্রবাহের পাশে নোরার মরদেহ পাওয়ার পর তা তুলে হেলিকপ্টারে করে কাছের হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। প্রাদেশিক পুলিশ প্রধান মোহাম্মদ মাত ইউসুফ জানিয়েছেন, পরিবারের সদস্য ডেকে নিয়ে আসা হলে তারা মরদেহটি নোরার বলে চিহ্নিত করেছেন।

নোরার নিখোঁচের ঘটনায় অপরাধ তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার উপ পুলিশ প্রধান মাজলান মনসুর। তবে প্রাথমিক তদন্তে অপরাধী আচরণের প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানায় দেশটির পুলিশ।

নোরার বাবা সিবাস্তিয়ান ফরাসি নাগরিক। তিনি লন্ডনে একটি আমেরিকান অটোমেশন সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। আর মা মিয়াব বেলফাস্টের বাসিন্দা। লন্ডনের একটি কনজ্যুমার ডাটা ইন্টিলিজেন্স প্রতিষ্ঠানের সহপ্রতিষ্ঠাতা তিনি।

আয়ারল্যান্ডের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমন কোভেনি জানান আয়ারল্যান্ড ও ফ্রান্সের দূতাবাস মালয়েশিয়ার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মিলে পরিবারটিকে সহায়তা করছে।




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: