সর্বশেষ আপডেট : ৫ মিনিট ৩৯ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ছাতকে সংখ্যালঘু পরিবারকে গৃহবন্দী করে রাখার অভিযোগ

ছাতক প্রতিনিধি:: ছাতকে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে গৃহবন্দী কওে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় উপজেলার ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের কহল্লা গ্রামের মৃত. গোপেন্দ্র দেবনাথ এর পুত্র নিশি কান্ত দেবনাথ বাদী হয়ে একই ইউনিয়নের লাকেশ্বর পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে হারিছ আলীকে প্রধান আসামী করে ৯ জনের নাম উল্লেখ পূর্বক থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত ১১ আগষ্ট রোববার লিখিত এ অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, উপজেলার ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের লাকেশ্বর পশ্চিম পাড়া গ্রামের মৃত মফিজ আলীর ছেলে হারিছ আলী, একই গ্রামের মৃত. মছদ্দর আলীর ছেলে আমজদ আলী ও কহল্লা গ্রামের মৃত. গফেশ দেবনাথের ছেলে গৌর মনি দেবনাথের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ নির্যাতিত পরিবারের জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গত ৩১ জুলাই বুধবার রাত অনুমানিক ৮ ঘটিকার সময় কহল্লা পূর্বপাড়া গ্রামের মৃত. ওয়ারিছ আলীর ছেলে ছাদ মিয়া ও কহল্লা গ্রামের মৃত. আব্দুল খালিকের ছেলে দিলাল মিয়া নির্যাতিত পরিবারের বাড়ীতে আসেন। এ সময় তারা বলেন, ছৈলা আফজালাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান গয়াছ আহমদ এর সভাপতিত্বে স্থানীয় লাকেশ্বর বাজারে ৩১ জুলাই (বুধবার) এক বৈঠক অনুষ্টিত হয়। ঐ বৈঠকে তোমাদেরকে গৃহবন্ধী করার সিন্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের আরো বলেন, আজ ৩১ জুলাই (বুধবার) থেকে তোমাদেও পরিবারের কোন লোক এলাকার হাট-বাজার রাস্তা-ঘাটে বের হতে পারবে না। এমনকি তোমাদের সন্তানরা স্কুল কলেজে যেতে পারবেনা। গরুর জন্য ঘাস কাটতেও যেতে পারবেনা। যদি যাও তবে ধরে নিয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দিলে তিনি (চেয়ারম্যান) ৫০০০/০০ পাঁচ হাজার টাকা পুরষ্কৃত করবেন। অভিযোগে আরো উল্লেখ করা হয়, এ খবর পাওয়ার পর থেকে নির্যাতিত পরিবারের বাড়ীর আশ-পাশের অন্যান্য পরিবারের লোকজন নির্যাতিত পরিবারের সদস্যদের পাহারা দিচ্ছে। ছেলে মেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছেনা। স্থানীয় লাকেশ্ব বাজারস্থ নির্যাতিত পরিবারের সদস্য নিরঞ্জন দেবনাথ শষীর মালিকানাধীন একটি হোমিও ফার্মেসী বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। প্রাণ ভয়ে কোথাও বের হতে পারছেন না তিনি। গত ১২ দিন যাবৎ নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরা গৃহবন্দী অবস্তায় রয়েছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এস আই পিযুষ কান্তি দেবনাথ বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর ওই রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অভিযোগটি জিডি হিসাবে এন্ট্রি করা হয়েছে।

ছাতক থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

ছাতক উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাপশ শীল বলেন, নিশি কান্ত দেবনাথ আমার কাছে একটি লিখিত দরখাস্ত দিয়েছেন। থানা পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।##



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: