সর্বশেষ আপডেট : ১৩ মিনিট ৩৭ সেকেন্ড আগে
শুক্রবার, ২৩ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

কুলাউড়ায় প্রধান শিক্ষককের সংবাদ সম্মেলন

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককের বিরুদ্ধে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকাকে উত্যক্ত করার অভিযোগে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে কুলাউড়া থানায় গত ২৫ জুলাই মামলা দায়ের করা হয়। মামলার প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষক গত ৩০ জুলাই জামিন লাভ করেন। বিষয়টি নিয়ে গত ৪ আগষ্ট সকাল ৯টায় স্থানীয় আমতলা বাজারে প্রধান শিক্ষক এক সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক মো: নোমান আহমদ লিখিত বক্তব্যে জানান, গত ১৪/০২/২০১৯ইং সনে কুলাউড়া উপজেলার ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নের গুড়াভুঁই গ্রামের আব্দুল রহিম এর মেয়ে ফেরদৌসী সুলতানা শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষিকা হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর থেকে প্রথম কিছু দিন বিদ্যালয়ের নিয়মিত আসা যাওয়া করেছেন। এরপর থেকে মাঝে মধ্যে আসলেও ২/৩ ঘন্টা বিলম্বে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। যার ফলে শিক্ষার্থীদের পড়াশুনার সমস্যা সৃষ্টি হয়। নিয়ম মেনে যথাসময়ে বিদ্যালয়ে আসার জন্য বলায় ওই শিক্ষিকা প্রধান শিক্ষকের উপর ক্ষুব্ধ হন। পরবর্তীতে ওই শিক্ষিকা স্থানীয় কিছু প্রতিপক্ষের প্ররোচনায় পড়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যে প্রনোদিতভাবে প্রথমে ১৭ জুলাই কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগটি তদন্তাধিন থাকা অবস্থায় উপেক্ষা করে শিক্ষিকা কুলাউড়া থানায় নারী ও শিশু নিযার্তন আইনে আরেকটি মামলা করেন। যার নং ৩৪/২৩৯, তাং ২৫/০৭/২০১৯ইং। মামলার প্রেক্ষিতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে হাইকোর্ট থেকে গত ৩০ জুলাই আগাম জামিন লাভ করি।

সহকারি শিক্ষিকা ফেরদৌস সুলতানা কর্তৃক এসব মিথ্যা, বানোয়াটা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ দায়ের করায় আমার সম্মানহানী হয়েছে। পাশপাশি বিভিন্ন জাতীয়, স্থানীয় ও অনলাইন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে আমি এর তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন শরীফপুর ইউপি সদস্য ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মখদ্দুছ আলী, এলাকার প্রবীন মরুব্বী আব্দুল মজিদ, আব্দুল মালেক, আফরোজ আলী, আছাব আলী, ইউনুস আলী প্রমুখ।
এ ব্যাপারে সহকারি শিক্ষিকা ফেরদৌসী সুলতানার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাকে পাওয়া যায়নি। তবে শিক্ষিকার পিতা আব্দুল রহিম জানান, বিষয়টি তদন্তাধিন রয়েছে। এখন কিছু বলা যাবে না।
বিষয়টি সম্পর্কে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুল লাইছ অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযোগটি তদন্ত চলছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: