সর্বশেষ আপডেট : ৪১ মিনিট ৪৪ সেকেন্ড আগে
শনিবার, ২৪ অগাস্ট ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বড় হরফে ওষুধের মেয়াদ-মূল্য লেখার ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

নিউজ ডেস্ক:: আদালতের আদেশের পর সাড়ে ৩৬ কোটি টাকার মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ ও ধ্বংস করায় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধবিরোধী অভিযান পরিচালনা করায় সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সাধুবাদ জানিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, এ কাজ প্রশংসনীয়। এটা চলমান রাখতে হবে। জনসাধারণ, ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারী সবাইকে সচেতন হতে হবে।

এদিকে ওষুধের পাতায় (স্ট্রিপ) স্পষ্ট করে বাংলা ও ইংরেজি বড় হরফে মেয়াদ, উৎপাদনের তারিখ ও মূল্য লেখার ব্যবস্থা করতে রাষ্ট্রপক্ষকে বলেছেন আদালত।

গতকাল শুনানিকালে আদালত রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘এখন প্রযুক্তির যুগ। সবখানে পত্রিকা না পৌঁছলেও টিভি আছে। দুর্গম কোনো চরেও টিভি আছে। তাই মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের বিষয়ে সচেতনতার জন্য ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়া যায় কি না তা ভেবে দেখুন।’

বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার ওই সব মন্তব্য করেন এবং মৌখিক নির্দেশনা দেন।

গত ১৮ জুন হাইকোর্টের নির্দেশে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের দেওয়া প্রতিবেদনের প্রশংসা করেন আদালত। ওই সময় রিট আবেদনকারীপক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার ও সহকারি অ্যাটর্নি জেনারেল সাইফুল আলম। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার কামরুজ্জামান কচি।

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে বলা হয়, হাইকোর্টের নির্দেশে অধিদপ্তর ?বিভিন্ন কম্পানিকে চিঠি দেয়। ওই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে বাজার থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ সংগ্রহ করে তা ধ্বংস করে কম্পানিগুলো। ধ্বংস করা ওষুধের দাম ৩৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৯৭ টাকা। চার হাজার ৫৮৭টি ফার্মেসি পরিদর্শন করে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ১৫২টি মামলা করা হয়েছে। পাশাপাশি এক কোটি চার লাখ ৮৯ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। সিলগালা করা হয়েছে পাঁচটি ফার্মেসি।

ঢাকার বিভিন্ন ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ নিয়ে ‘ঢাকায় ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ’ শিরোনামে গত ১১ জুন একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে রিট আবেদন করেছিলেন ব্যারিস্টার মাহফুজুর রহমান মিলন। ওই রিট আবেদনে সারা দেশে বিভিন্ন ফার্মেসিতে থাকা মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এক মাসের মধ্যে অপসারণ ও ধ্বংসের জন্য গত ১৮ জুন নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, সংরক্ষণ ও সরবরাহকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।

স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্র, আইন, বাণিজ্য ও শিল্প সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও উপপরিচালক, পুলিশের মহাপরিদর্শক, বাংলাদেশ ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি ও মহাসচিবের প্রতি ওই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আদালতের আদেশ কার্যকর করার বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে তা ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন আকারে দাখিল করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই নির্দেশের পর ১৬ জুলাই হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

-কালের কণ্ঠ।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: