সর্বশেষ আপডেট : ২০ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

ধলাই বন্যায় ৫টি গ্রাম প্লাবিত

মো: মোস্তাফিজুর রহমান, কমলগঞ্জ ::
মৌলভীবাজারের ধলাই নদীর পানি বেড়ে প্রতিরক্ষা বাঁধে নতুন ও পুরাতন ভাঙ্গন দিয়ে ৫টি গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। এতে ৫ শত পরিবারের মানুষজন পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটায় কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা এলাকায় বাঁধ ভেঙ্গে যায়। ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড প্লাবিত হয়। এলাকাবাসী পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফলতিকে দায়ী করছেন। এদিকে বন্যার খবর শুনে দুপুর ১টায় স্থানীয় এমপি উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ আদমপুর ইউনিয়নের ঘোরামারা গ্রামে বন্যা কবলিত এলাকা পরির্দশন করেছেন। অপর দিকে বৃষ্টি হলে আরো কয়েকটি ঝুকিপুর্ণ স্থানে ভাঙ্গনের আশংকা করছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

জানা যায়, শুক্রবার রাত নয়টা থেকে ধলাই নদের পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে। এ সময় পানি বিপৎসীমার ১৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। প্রবল পানির কারনে রাত দুইটায় কমলগঞ্জ পৌরসভার রামপাশা গ্রামের শ্যামল পাল চৌধুরীর বাড়িসংলগ্ন এলাকার প্রায় ১০০ ফুট পরিমাণ প্রতিরক্ষা বাঁধ ভাঙ্গন দেখা দেয়। ভাঙ্গনে রামপাশা ও কুমড়াকাঁপন আংশিক প্লাবিত হয়। অপর দিকে আদমপুর ও রহিমপুর ইউনিযনের পুরাতন দুইটি ভাঙ্গন উন্মুক্ত থাকায় পানি প্রবেশ করে ঘোরামারা, তিলকপুর, নাজাত ঘোনা, জগনাথপুর, প্রতাবী, কান্দিগাও গ্রাম বন্যায় প্লাবিত হয়। গ্রামের লোকজন রাতে পানি বন্দী হয়ে পড়েন। ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে যায়।

কমলগঞ্জ পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফখরুল ইসলাম বলেন, গভীর রাতে বাঁধ ভেঙে ঢলের পানি ঢুকে এ প্লাবনের সৃষ্টি করেছে। প্লাবনের পানিতে রামপাশা ও কুমড়াকাঁপন গ্রামের ব্যাপক এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। দুই কাউন্সিল আরও বলেন, এ এলাকার প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ, তা আগে থেকেই পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছিল।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশেকুল হক বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দী পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ত্রাণসামগ্রী বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সংসদ সদস্য উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ বন্যা কবলিত এলাকা পরির্দশন করেছেন এবং উপজেলা প্রশাসন রামপাশা, কুমড়াকাঁপন গ্রামসহ পুরো কমলগঞ্জ উপজেলার ধলাই নদের ওপর সার্বিক নজরদারি করছে।

ঘটনাস্থলে থাকা পাউবোর কর্মকর্তা খালিদ বিন ওয়ালিদ বলেন, এ এলাকার প্রতিরক্ষা বাঁধসহ পুরো ধলাই প্রতিরক্ষা বাঁধে পাথরের ব্লক স্থাপনে একটি প্রস্তাব দুই মাস আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এ প্রস্তাব পাস হলে প্রতিরক্ষা বাঁধের কাজ শুরু হবে। আপাতত রাতে ভেঙে যাওয়া অংশে মেরামতকাজ করার জন্য একজন ঠিকাদার নিয়োগ করা হয়েছে। পানি কমলে কাজ শুরু হবে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: