সর্বশেষ আপডেট : ৬ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ কার্তিক ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

দেশে নিরাপত্তা হুমকি, ইয়েমেন থেকে সেনা প্রত্যাহার করবে আমিরাত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে নিরাপত্তা ঝুঁকিতে রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।এমতাবস্থায় সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের হয়ে লড়াইরত আমিরাত ইয়েমেন সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। খবর ইয়েনি শাফাকের।

ইয়েমেন থেকে সেনা প্রত্যাহারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে আমিরাত সরকারের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা সোমবার বলেন, ইয়েমেনে সৈন্য কমিয়ে আনা হবে।একই সঙ্গে ‘মিলিটারি ফার্স্ট কৌশল’ থেকে বেরিয়ে সবার আগে শান্তি কৌশলের দিকে অগ্রসর হবে আমিরাত।

কিছুদিন আছে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পশ্চিমা বিশ্ব সমর্থিত সৌদি নেতৃত্বাধীন সুন্নি সামরিক জোটের নেতৃস্থানীয় সদস্য হিসেবে ইয়েমেনে ইরান সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় নিজ দেশের নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় ইয়েমেন থেকে সেনা প্রত্যাহার করা শুরু করেছে আমিরাত। আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের এ দেশটি ইতিমধ্যে ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দরনগরী এডেন ও পশ্চিমের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে কিছু সৈন্য প্রত্যাহার করে নিয়েছে। তবে দেশটি আন্তর্জাতিক বিশ্ব সমর্থিত ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট আব্দু রাব্বু মনসুর আল হাদির প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখবে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে আমিরাতের ওই কর্মকর্তা বলেন, সেনা কমিয়ে আনার সিদ্ধান্ত রাতারাতি হয়ে উঠেনি।রিয়াদের সঙ্গে আলোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দুবাই আনুষ্ঠানিকভাবে সাংবাদিকদের জানায়, ‘আমাদের আলোচনা শেষ হয়েছে। সৈন্য সংখ্যা কমিয়ে পুনরায় মোতায়েনের ব্যাপারে এক বছর ধরে আলোচনা চলছে। গত বছরের ডিসেম্বরে স্টকহোম চুক্তির পর সৈন্যসংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছিল।

এদিকে ইয়েমেনে সৌদি জোটের ব্যাপক হামলার পর গত বছরের শেষ দিকে জাতিসংঘ সতর্ক করে জানায়, দেশটি মারাত্মক দুর্ভিক্ষের মুখে পড়তে যাচ্ছে। বর্তমানে ইয়েমেনের দুই কোটি ৪০ লাখ লোকের জন্য মানবিক সহায়তার প্রয়োজন। গত বছর সেখানে কলেরা মহামারী দেখা দিলে ১০ লক্ষাধিক লোক এতে আক্রান্ত হন।

এ ছাড়া আন্তর্জাতিক এনজিওগুলো এক বিবৃতিতে বলেছে, এক কোটি ৪০ লাখ নারী, পুরুষ ও শিশু দুর্ভিক্ষের মুখে রয়েছে, যা দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক। এর আগে কখনও এতটা জরুরি অবস্থা ছিল না। ২০১৫ সালে সৌদি জোটের আগ্রাসনের পর থেকে প্রায় দুই কোটি শিশুর স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এসব শিশুর অধিকাংশই কেউ শ্রমিক হিসেবে কাজ করছে, কেউ ভিক্ষা করছে।

সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের সঙ্গে চলা সংঘাতে ইয়েমেনের অসংখ্য স্থাপনা, হাসপাতাল, স্কুল ও কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ছাড়া দেশটির ৮৪ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্য ঝুঁকিতে রয়েছে।






নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: