সর্বশেষ আপডেট : ১০ মিনিট ১৭ সেকেন্ড আগে
মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিদ্যুৎ ব্যবহার ৫৫ ইউনিট, বিল এসেছে ৩৫ হাজার টাকা!

নিউজ ডেস্ক:: গত মে মাসে ৫৯০ ইউনিট বিদ্যুত ব্যবহারে বিল এসেছে ৬ হাজার ৭২৮ টাকা। একমাসের ব্যবধানে জুন মাসে বিদ্যুত ব্যবহার কমে তা হয়েছে মাত্র ৫৫ ইউনিট। আর বিল এসেছে ৩৪ হাজার ৭৭০ টাকা। কিভাবে হলো এমন বিল? এ প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেনি ফেনীর ফুলগাজী পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের কর্মকর্তারা। গ্রাহকদের অভিযোগ-ভুতুড়ে বিল দিয়ে গ্রাহকদের পকেট কাটছে পল্লী বিদ্যুৎ।

সংশ্লিষ্ট গ্রাহক ও বিভিন্ন সূত্র জানায়, উপজেলার নতুন মুন্সীরহাট বাজারে মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন মজুমদারের মালিকীয় দোকানের মিটারে মে মাসে বিল এসেছে ৬ হাজার ৭২৮ টাকা। ভুতুড়ে বিল দেখে গ্রাহকের পরিবারের পক্ষ থেকে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করা হলে তারা জানিয়েছে মিটার পরিবর্তন করতে হবে। সম্পূর্ণ বিল পরিশোধ করে ২ শ’ টাকায় আবেদন জমা দেয়ার পর নতুন মিটার লাগানো হয়। পরিবর্তিত মিটারে জুন মাসে ৫৫ ইউনিটের বিল এসেছে প্রায় ৩৫ হাজার টাকা।

গ্রাহকের পরিবার সূত্র জানায়, সামান্য ইলেক্ট্রিক্যাল যন্ত্রাংশ (ইঞ্জিন) ব্যবহারের জন্য একটি দোকান ব্যবহার করি। গত মাসেও ব্যবহারের চেয়ে বেশি বিল দিয়েছি। এখন আবার এত টাকা জরিমানা দিতে হলে ভিটে-বাড়ি বিক্রি করতে হবে।

তারা আরো জানান, বিল করার আগে ফুলগাজী পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিসের ডিজিএম সেকান্দার আলী মোবাইল ফোনে জানিয়েছেন তার অনেক বিল করা হবে। বিল কমাতে হলে তাকে অফিসে গিয়ে টাকা দিতে হবে। দোকানেও টাকার জন্য ডিজিএম তার কর্মচারী পাঠিয়েছেন।

ভুক্তভোগী একাধিক গ্রাহক জানান, পল্লী বিদ্যুতের ভূতুড়ে বিলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন গ্রাহকরা। এ সমস্যার সমাধান ও অভিযোগ করতে গিয়ে ফুলগাজী জোনাল অফিসের পল্লী বিদ্যুতের কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের তোপের মুখে পড়তে হয় গ্রাহকদের। তাদের অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হুমকিতে গ্রাহকরা নিরুপায় হয়ে পড়েছেন।

বাসুড়া গ্রামের গ্রাহক রমজান আলী জানান, মে মাসের বিল পরিশোধ করার পর আবার জুন মাসে যোগ করা হয়েছে। অফিসে যোগাযোগ করলে জানায় আবারও দিতে হবে। ইব্রাহীম ব্রিক ফিল্ডে তাদেরও বিল করেছে ৩৫ হাজার টাকার স্থলে দ্বিগুন ৭০ হাজার টাকা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক গ্রাহক জানান, জুন মাসে কে পি আই বোনাসের জন্য সংশ্লিষ্ট অফিস গ্রাহকের সাথে এমন করছে।

জানতে চাইলে ফুলগাজী পল্লী বিদ্যুত জোনাল অফিসের ডিজিএম সেকেন্দার আলী বলেন, গ্রাহক রমজানে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি করেছে। প্রচন্ড গরমে বিদ্যুৎ ব্যবহার বেশি করছে। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাচ্ছে সেদিকে খেয়াল নেই। শুধু বিল বেশির অভিযোগ করছে।

৫৫ ইউনিটে প্রায় ৩৫ হাজার টাকার বিল প্রসঙ্গে তিনি জানান, এটি বড় আকারের ভুল। আামার এখানে হয়েছে, এখন আামার পক্ষে সমাধান সম্ভব নয়। গ্রাহক আবেদন করলে উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি করে বিষয়টি দেখা হবে।

এ ব্যাপারে ফেনী পল্লী বিদ্যুত সমিতির জেনারেল ম্যানেজার আক্তার হোসেন জানান, বিষয়টি তার নজরে এসেছে। খতিয়ে দেখতে এক কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। অফিসিয়ালি কেউ জড়িত থাকলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: