সর্বশেষ আপডেট : ১ ঘন্টা আগে
বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নয়ন বন্ডের বাড়ির মধ্যে ছিলো ভয়ঙ্কর টর্চার সেল

নিউজ ডেস্ক:: বাড়ির পাশে জঙ্গলে মদের আসর বসানো ছাড়াও চলতো মাদক বেচাকেনা, ছিল টর্চার সেল। বরগুনার রিফাত হত্যার মূল হোতা নয়ন বণ্ডের বাড়িতে গিয়ে আস্তানার পাশপাশি মিললো নানান চাঞ্চল্যকর তথ্য।

রিফাত হত্যার আগে আরও বেশকজনকে রামদা দিয়ে কোপানোর অভিযোগ আছে নয়নের বিরুদ্ধে। তথ্য মিললো কিভাবে বরগুনার সাব্বির আহমেদ হয়ে উঠলো নয়ন বন্ড।

রিফাতকে যেখানে কোপানো হয় তার পাশে বরগুনার পশ্চিম কলেজ রোডে নয়নের বাড়ি। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান- বাড়ির আঙিনার ঝোপঝাড়ের পেছনে মাদকের আসর বসানো হতো। মাদকাসক্ত ছিলেন নয়নসহ তার সব সহযোগীরা, বিক্রিও করতেন মাদক। টাকার টান পড়লে মাকেও মারধর করতো নয়ন।

নয়ন বন্ডের বাড়ির ভাড়াটিয়া আনোয়ারুল কবির জানান, নয়ন জেদের বসে প্রায়ই টেবিল-চেয়ার ভাঙতো, তার মা বাধা দিতে আসলে তাকেও মারধর করতো।

পুলিশের খাতায় নয়নের নামে মাদক ও ৬টি মারামারিসহ ৮ টি মামলা আছে। নয়নের দায়ের কোপে গুরুতর আহত হন স্থানীয় তরিকুল, রাকিব, জীবন। যারা এখনো বয়ে বেড়াচ্ছেন নয়নের আঘাতের ক্ষত চিহ্ন।

নানান অপকর্ম করলেও নয়ন, রিফাত, রিশান ফরাজীদের দাপট ছিলো শহরজুড়েই। অভিযোগ আছে স্থানীয় রাজনৈতিক ছত্রছায়া আর পুলিশের সঙ্গে সখ্যতারও।

বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোতালেব মৃধা বলেন, পুলিশ-প্রশাসন আছে, তারা ব্যবস্থাও নিচ্ছে। আমি মনে করি আমাদের পুলিশ সুপার ভালো আছেন, কিন্তু নিচ লেভেলে যারা আছেন তাদের কার্যকলাপে আমরা সন্তুষ্ট না।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মাহমুদ বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে আমরা জিরো টলারেন্স। এলাকায় খবর নিলেই এর প্রমাণ পাবেন।

স্থানীয় লোকজন জানায়- জেমস বন্ডের নাম থেকে সাব্বির আহমেদ নয়ন নিজের নামে শেষে বন্ড যোগ করে হয়ে যান নয়ন বন্ড। গড়ে তুলেছিলেন গ্রুপ-০০৭।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: