সর্বশেষ আপডেট : ১২ মিনিট ০ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নারী মুক্তি জাগরণের অগ্রদূত সুফিয়া কামালের জন্মদিনে গুগলের বিশেষ ডুডল

নিউজ ডেস্ক:: বাংলাদেশে নারী মুক্তি জাগরণের অগ্রদূত কবি বেগম সুফিয়া কামালের আজ ১০৮তম জন্মবার্ষিকী। তার সম্মানে বিশেষ ডুডল প্রদর্শন করছে গুগল। যদিও কেবল বাংলাদেশ থেকেই দেখা যাচ্ছে এ ডুডলটি। বুধবার রাত ১২টার পর থেকে সুফিয়া কামালকে নিয়ে তৈরি এ ডুডলটি দেখাতে শুরু করেছে গুগল।

গুগল তাদের ডুডল পেজে লিখেছে, কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৮তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৯১১ সালের এই দিনে বরিশালের শায়েস্তাবাদের নবাব পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। সুফিয়া কামাল ছিলেন একাধারে কবি, নারী আন্দোলনের অগ্রণী নেত্রী, ধর্মান্ধতা ও অসাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে অকুতোভয় যোদ্ধা।

নবাব পরিবারের অবরোধবাসিনী হয়েও বেগম সুফিয়া কামাল দেশের ও পরিবারের স্বদেশি পরিমণ্ডলের অনুপ্রেরণায় প্রভাবিত হয়েছেন, সে সময়ের নারী আন্দোলনের কাজে যুক্ত হয়েছিলেন। সুফিয়া কামালকে প্রধান সম্পাদিকা ও নূরজাহান বেগমকে ভারপ্রাপ্ত সম্পাদিকা করে ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে সাপ্তাহিক বেগম প্রকাশ করেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।

১৯৪৭ থেকে ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সময়ে জাতীয় সব সংকটে জাতির বিবেকের দায়িত্ব পালন করেছেন সুফিয়া কামাল। তিনি আজীবন লড়াই করেছেন স্বৈরাচার, ধর্মীয় সাম্প্রদায়িকতা ও নারীদের অবরুদ্ধ করে রাখার বিরুদ্ধে। পাশাপাশি সাংস্কৃতিক আন্দোলন ও মুক্তবুদ্ধি চর্চার পক্ষেও কঠোর অবস্থান ছিলো তার। তিনি একাধারে ছায়ানট, কচিকাঁচার মেলা, পূর্ব পাকিস্তান মহিলা সংসদ প্রতিষ্ঠা ও নারী আন্দোলনের মহিলা সংগ্রাম পরিষদ পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।

জাতীয় স্বাধিকার আন্দোলনের মূলধারায় নারী আন্দোলনের সম্পৃক্ততার বিষয়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন সুফিয়া কামাল। ১৯৬৮ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, জরুরি আইন প্রত্যাহার, দমননীতি বন্ধ, রাজবন্দীর মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে দেশব্যাপী চলতে থাকা গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশাপাশি নারীসমাজের বৃহত্তর আন্দোলন অব্যাহত ধারায় সক্রিয় ছিলেন।

এত সব গুরুত্বপূর্ণ কাজের পাশপাশি কাব্য চর্চাও চালিয়ে গেছেন। কবি সুফিয়া কামালের কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, উদাত্ত পৃথিবী, মৃত্তিকার ঘ্রাণ। কাব্য প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৬১ সালে তিনি পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে জাতীয় পুরস্কার ‘তঘমা-ই-ইমতিয়াজ’ লাভ করেছিলেন। কিন্তু বাঙালিদের উপর অত্যাচারের প্রতিবাদে ১৯৬৯ সালে তিনি তা বর্জন করেন। এই মহিয়সী নারী ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর ঢাকায় মারা যান।



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: