সর্বশেষ আপডেট : ৪০ মিনিট ৪৯ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বিশ্বের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ও অনিরাপদ দুধ পান করে বাংলাদেশের জনগন!

নিউজ ডেস্ক:: সম্প্রতি নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ ও খাদ্যে ভেজালরোধে রীতিমত যুদ্ধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের উচ্চ আদালত। দেশটির অধিকাংশ খাদ্যই মানসমাপন্ন নয়। তবে সম্ভবত সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ খাদ্য হলো দুথ।

অথচ দুধকে সর্বঅধিক নিরাপদ ও সুষম খাবার বিবেচনা করা হয় সারা বিশে^ই। বাংলাদেশীরা যে দুধ পান করেন, তা সমস্থ বিশ্বেন সবচেয়ে অনিরাপদ ও ঝুঁকিপূর্ণ দুধ। ফুড নেভিগেটর।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে বিপদটি প্রথম সর্বসমুখে ধরা পরে। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউট (বিএসটিআই) এর কাছে জানতে চাওয়া হয়, কেনো খাদ্যে ভেজাল দেওয়া এবং খাবারকে দূষিত করে এমন উপাদানযুক্ত খাদ্যসমিগ্রি বিক্রি করা আইনত দন্ডনিয় হবে না।

সেসময় খাদ্যে কি ধরণের উপাদান আছে অনেকটা বাধ্য হয়েই সে বিষয়ে পরীক্ষা শুরু করে বিএসটিআই। অনেক খাদ্যেই সেসময় ভেজালের রসন্ধান মেলে। তবে সবচেয়ে ভয়ংকর তথ্য পাওয়া যায় দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যে।

বাজারে প্রাপ্ত ১৯০টি দুধ, প্যাকেটজাত দুধ, দই এবং দুগ্ধজাত খাদ্যে ক্ষতিকারক উপাদান ও ভেজালের অস্তিত্ব নিশ্চিতভাবেই পাওয়া গেছে এরমধ্যে রয়েছে ব্যাকটেরিয়া, অ্যাফ্লোটক্সিন, সিসা, টেরিটাসাইক্লন, মোল্ড এবং মানবস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে এমন আরো উপাদান।

ভয়ংকর বিষয় হলো বাজারে এমন কোন দুধ বা দুগ্ধজাত পন্য নেই যাতে এই উপাদানগুলো পাওয়া যায়নি। একবাক্যে বললে, বাংলাদেশের কেউ বিশুদ্ধ দুধ পানের সুযোগ পাননা।

বাংলাদেশের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ফেব্রুয়ারি মাসেই জানিয়েছিলো দুধের মতো একটি সংবেদনশীল খাবারে যারা ভেজাল দেয় তাদের বিচারের আওতায় আনা হবে। কিন্তু মে মাস চলে গেলেও ব্যভস্থা তো দূরের কথা, সামান্য উদ্যোগও চোখে পড়েনি।

ফলে বাধ্য হয়েই পর্দার সামনে চলে আসে বাংলাদেশের হাইকোর্ট। তবে দেশটিতে এতো ধরণের খাদ্যে ভেজাল, আলাদাভাবে দুধে নজরদারি করা কঠিন। তবে আদালত দুধে ভেজাল মেশানো ব্যক্তিদের নাম জানাতে ১৫ মে পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছিলো নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষকে।

পরে সে সময়সীমা ২৩ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। বিশ্বে নিরাপদ দুধপান আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা বলছেন শুধু বাংলাদেশ নয়, এই নামগুলো আন্তর্জাতিকভাবেই সামনে আনতে হবে।

ওয়ার্ল্ড মিল্ক ড্রিঙ্কার্স সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ব্যক্তিদের শুধু বাংলাদেশের আইনেই নয়, বরং আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে বিচার করতে হবে। কারণ দুধের মতো একটি নিরাপদ খাদ্যে ভেজাল দিয়ে তারা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে।

বাংলাদেশের ৮০ শতাংশ প্যাকেটজাত দুধ এবং ৫১ শতাংশ, দইতে মাইক্রোবায়োলজিকাল দূষকের অস্তিত্ব রয়েছে। আর শতভাগ গোখাদ্যেই রয়েছে ভারী ধাতু, প্যারাসাইট, ট্রোসাইক্লিন, ক্রিপ্টোক্সিন এবং অন্যান্য দূষক।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: