সর্বশেষ আপডেট : ৪৪ মিনিট ২ সেকেন্ড আগে
বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ আষাঢ় ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

তিনি ভেজাল খাদ্য প্রস্তুতকারীদের পক্ষের সম্মানিত আইনজীবী

নিউজ ডেস্ক:: তিনি ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ, ভেজাল খাদ্য প্রস্তুতকারী কোম্পানিদের পক্ষের সম্মানিত আইনজীবী। বৃহস্পতিবার ওই আদালতেই বিষয়টি নিয়ে শুনানির এক পর্যায়ে এসিআই লবণ কর্তৃপক্ষের পক্ষে ১২ মে-এর আদেশ সংশোধনের আবেদন করেন ব্যারিস্টার রোকনউদ্দিন মাহমুদ। যুক্তি দিয়ে তিনি আদালতে বলেন, ‘ফ্যাক্টরিতে নির্ধারিত তাপমাত্রায় লবণ থাকে। কিন্তু বাইরে দোকানে ও খোলাবাজারে আসার পর তা নির্ধারিত তাপমাত্রায় না থাকায় হয়ত গুণগত মান কমে গেছে।’

শুনানির এক পর্যায়ে আদালত এসিআই লবণের একটি প্যাকেট দেখিয়ে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ বলেন, ‘লবণের প্যাকেটের ওপর কি লেখা আছে কত তাপমাত্রায় তা রাখতে হবে? প্যাকেটেতো তা লেখা নেই যে মানুষকে ঘরে কত তাপমাত্রায় রাখতে হবে।’

‘লবণ কেন নষ্ট হবে? আমরা সকলেই লবণ রাখি রান্না ঘরে। রান্না ঘর সব সময় গরম থাকে। আর গরমে যদি লবণের মান নষ্ট হয় তবে তা প্যাকেটে লিখে দেননি কেন? এটা লেখা থাকলে তো মানুষ লবণ রান্না ঘরে না রেখে ফ্রিজে রাখত।’

এসিআইয়ের আইনজীবী রোকন তখন বলেন, ‘সব লবণে তো সমস্যা পায়নি। একটি নির্দিষ্ট ব্যাচের লবণে সমস্যা পেয়েছে। বাকি ব্যাচের লবণের বিষয়ে আদেশ চাচ্ছি।’

এ পর্যায়ে বিচারক বলেন, ‘মানুষ কি ব্যাচ থেকে লবণ কেনে? আপনাদের লবণের প্যাকেটের গায়ে বড় করে লেখা আছে একশ ভাগ পিওর। আবার লেখা আছে দুই বছরের মেয়াদ। কিন্তু উৎপাদনের তারিখ লেখা নেই।’

থাকলেও তা দেখতে সুপারসনিক চোখ লাগবে। আপনি ১০ বছর পরেও যদি দেখেন তখনও এই দুই বছরই। আর দুই বছরের মেয়াদ আজীবনেও শেষ হবে না। মানুষকে কত রকম ঠকানো যায় তার সব আছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: কে. এ. রাহিম. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: