সর্বশেষ আপডেট : ২৬ মিনিট ৩৬ সেকেন্ড আগে
বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

নগরীর বড় শপিং মলগুলোতে বেচাকেনার ধুম

নিজস্ব প্রতিবেদক:: যেদিকে তাকানো যায় সেদিকেই শুধু মানুষ আর মানুষ। হাতে হাতে ব্যাগ। কেউ কিনেছেন পোশাক, কেউ জুতো, কেউ প্রসাধনী। কেউ বা সবকিছুই। সকাল থেকে রাত অবধি একই চিত্র। শপিং করতে করতে অনেকে পরিশ্রান্ত হয়ে একটু বিশ্রাম করে নিচ্ছেন। তারপর আবার শুরু। শুধু শপিং আর শপিং। জনস্রোতে চলছে বেচাকেনার ধুম। চিত্রটা সিলেটের বৃহত্তম শপিং মল ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি,সিটি সেন্টার,আল-হামরা,শুকরিয়া শপিং কমপ্লেক্স,কাজী ম্যানশনের।

সোমবার সকাল থেকেই সিটি সেন্টার,হাল-হামরা,শুকরিয়া শপিং কমপ্লেক্স,কাজী ম্যানশন ও ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটিসহ নগরীর বড় বড় শপিং মলে লোকে লোকারণ্য। আর আসরের নামাজ শেষ হওয়ার পরপর দেখা গেল অন্যরকম এক চিত্র। হাজার হাজার গাড়ি প্রবেশ করছে। বিকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ এত গাড়ি এসেছে যে পার্কিংয়ের জায়গা দিতে কর্মরতদের রীতিমতো হিমশিম খেতে হয়। আর এমনটা হবে এটাই তো স্বাভাবিক।

নিরবচ্ছিন্ন এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় কেনাকাটায় ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি,সিটি সেন্টার,হাল-হামরা,শুকরিয়া শপিং কমপ্লেক্স অদ্বিতীয়। এখানে একই ছাদের নিচে পোশাক, প্রসাধনী, জুতো, অলংকার শুরু করে সবকিছু পাওয়া যাচ্ছে হাতের নাগালে। দেশি-বিদেশি নামি-দামি সব ব্র্যান্ডের শোরুমের সমাহার ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি করেছে ঈদ শপিংয়ের অনন্য স্থান।

শুধু সিলেট নয়, সিলেটের বাইরে থেকেও ঈদ কেনাকাটা করতে অনেকেই ছুটে আসছেন ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটিতে। শুক্রবার তেমনটাই দেখা গেল। আর ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পেশার মানুষের হাতে চলে এসেছে ঈদ বোনাস। তাই এখন ঈদের কেনাকাটা তুঙ্গে।

রাতে নগরীর জেল রোডে অবস্থিত আড়ংয়ের শোরুমে প্রবেশ করে দেখা গেল বিক্রয়কর্মীরা দম ফেলার ফুরসত পাচ্ছেন না। লাইন দিয়ে দিয়ে পছন্দের পোশাক থ্রি-পিস, শাড়ি, পাঞ্জাবি, শার্ট কিনছেন।

জারার ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জামিল আহমদ বলেন, আমরা রোজার আগ থেকেই পোশাকের ডিসপ্লে শুরু করেছি। আর আজকের যে উপচে পড়া ভিড় সেটা চাঁদরাত পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে। আর বেশিরভাগ চাকরিজীবী ইতিমধ্যে বোনাস পেয়েছেন। তাই যে যার বাজেটের মধ্যে প্রিয় জিনিসটি কিনছেন।

নগরীর ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটির জারা, জেক্স টেক্সটাইল, রুপসী, পাঞ্জাবী পয়েন্ট, সিটি সেন্টারের ইনফিনিটি,জারা ফ্যাশন,শুকরিয়ার পাঞ্জাবী পয়েন্ট,নকশীকাথা, নয়াসড়কের মাহা,শৈল্পিক,ইরানী বোরকা হাউস,চন্দ্রবিন্দু,শী ও কুমারপাড়ার মিলান,বেল,ইজি,কেডস আই,দশে দশে,বেবীসহ প্রায় সব ব্র্যান্ডের শোরুম ঘুরে দেখা গেল সব জায়গায়ই ধুমছে চলছে বিকিকিনি।

গোলাপগঞ্জের বাঘিরঘাট এলাকা থেকে আবু সুলতান সুবেদ এসেছিলেন সপরিবারে। তিনি বলেন, এখন থেকে প্রায় প্রতিদিনই আমাদের আসা হবে সিলেটের শপিং মলগুলোতে। নিজেদের কেনাকাটার পাশাপাশি আত্মীয়স্বজনকেও উপহারে দেব। তাই আমরা সবাই একসঙ্গে এসেছি। এত এত মানুষ এসেছে শপিং মলে কিন্তু তার পরও আমরা কেনোরকম বিড়ম্বনা ছাড়াই আরামদায়ক পরিবেশে শপিং করছি।

দিনাজ পারভীন শম্পী ও রেহানাজ পারভীন রিংকিং দুই বোন মায়ের সাথে এসেছেন ঈদের শপিং করতে। তাদের মতে,আল-হামরা শপিং সিটি,ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটি ঘুরে এখন শুকরিয়াতে এলাম। প্রত্যেকের কালেকশনটা ভালই বলতে হবে।

আড়ংয়ের সদ্য নিজস্ব বিল্ডিয়ে নতুন শো-রুমটি তরুনদের দৃষ্টি কেড়েছে বলে জানালেন শপিং করতে আসা ভাতালিয়ার বাসিন্দা রাব্বি। তার মতে,আড়ংয়ের এই নতুন শো-রুমের কালেকশন অসম্ভব ভাল মনে হয়েছে। তাদের কালেকশন সকল তরুণদের আকৃষ্ট করতে পারবে বলে আমার ধারনা।

এদিকে ব্লু-ওয়াটার শপিং সিটির নিউ ক্ল্যাসিক কসমেটিক্সের ম্যানেজার সেলিম আহমদ জানালেন ভিন্ন কথা। গত বছর এই সময়ে কসমেটিক্স ব্যবসাটা ছিল বাম্পার। যেখানে গত বছর এই সময়ে ২৫-২৬ হাজার টাকা বিক্রিটা ছিল স্বাভাবিক সেখানে ২০ রোজা অতিতবাহিত হলেও বিক্রিটা সেরকম জমেনি।

তবে বেশিরভাগ শপিং সেন্টারের পোশাক বিক্রেতাদের মতে,আরো কয়েকদিন পর আশানুরুপ বিক্রি হতে পারে। যা প্রতি ঈদেই হয়ে থাকে। মাসের শেষের দিকে হওয়ায় বেতন-বোনাসের টাকাটা এখনও অনেকের হাতে আসেনি। আর কয়েকটাদিন পর পুরো বাজার জমবে বলেই আশাবাদি অনেকে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: