সর্বশেষ আপডেট : ৫৪ মিনিট ১৯ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ৩১ ভাদ্র ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

বন্ধুর ফোন চুরি করে প্রেমিকাকে উপহার, দ্বন্দ্বে বন্ধুকে খুন

নিউজ ডেস্ক:: বন্ধুর স্মার্টফোন চুরি করে প্রেমিকাকে উপহার দেয় ইলিয়াস। চার মাস পর প্রেমিকা সেটি বুঝতে পেরে প্রেমিকের বন্ধু হৃদয়কে ফোনটি ফেরত দেয়। চাপের মুখে ফোন চুরির কথা স্বীকার করে ইলিয়াছ। ফোনের ঘটনা নিয়ে ইলিয়াছের সঙ্গে প্রেমিকার সম্পর্কের টানাপড়েন দেখা দেয়। ফলে হৃদয়ের প্রতি চরম ক্ষুদ্ধ হয় ইলিয়াছ।

এ ঘটনার দুই মাস পর গতকাল শনিবার বন্ধু হৃদয়কে ফোন করে ডেকে নেয় ইলিয়াস। এর পর ভাড়াটিয়া খুনি সঙ্গে নিয়ে কুপিয়ে বন্ধুকে খুন করে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার গভীররাতে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার চরভেলামারি এলাকায় বালিপাড়া নামক সেতুর নিচে।

এ ঘটনায় আজ রবিবার সকালে ভাড়াটয়া খুনি শাহিন (২০) ও প্রতিবেশী বাবলু মিয়া (৩৫) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

নিহত বন্ধুর নাম মো. তারিফ হাসান হৃদয়। সে উপজেলার চর বেতাগৈর ইউনিয়নের মৃত মজিবুর রহমানের পুত্র ও স্থানীয় খুররম খান চৌধুরী কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্র।

হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে নান্দাইল ও ত্রিশাল উপজেলাকে সংযুক্ত করা বালিপাড়া সেতুর নিচে গতকাল শনিবার দিবাগত মধ্যরাতে। প্রতিবেশী ইলিয়াছ সেখানে তারিফকে ডেকে নিয়েছিল।

পুলিশ ছাত্রের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে আজ রবিবারর মর্গে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের বড়ভাই মো. মাজহারুল ইসলাম ওরফে পারভেজ বাদি হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় হত্যা মামলা রুজু করেছেন।

মাজহারুল ইসলাম বলেন, তাঁর ছোট ভাই তারিফ হাসান হৃদয়ের একটি স্মার্টফোন চুরি হয়। চুরির চারমাস পর এক মেয়ে তারিফকে ডেকে নিয়ে ফোনটি ফেরত দেয়। তারিফ ওই মেয়ের কাছ থেকে জানতে পারে ফোনটি তাঁকে (মেয়েকে) দিয়েছিল মো. ইলিয়াছ (১৯)। ওই মেয়েও জানতে পারে ইলিয়াছ অন্যের ফোন চুরি করে উপহার হিসেবে তাকে (মেয়েকে) দিয়েছে। চাপের মুখে ফোন চুরির কথা স্বীকার করে ইলিয়াছ। ফোনের ঘটনা নিয়ে ইলিয়াছের সাথে প্রেমিকার সম্পর্কের টানাপোড়েন দেখা দেয়। ফলে হৃদয়ের প্রতি চরম ক্ষুদ্ধ হয় ইলিয়াছ।

এ ঘটনার জের ধরে গত শনিবার রাতে হৃদয়কে ফোনে ডেকে নেয় ইলিয়াছ। এরপর থেকে তার খোঁজ পাচ্ছিল না পরিবারের লোকজন। সেহরির আগে মাজহারুল তাঁর ছোটভাইকে খুঁজতে বের হয়। ওই সময় কাপড়-চোপড়ে রক্তমাখা এক লোক এলাকাবাসীর হাতে ধরা পড়ে। ওই ব্যক্তির মুখ থেকে বালিপাড়া সেতুর নিচে একজনের লাশ পড়ে থাকার খবর শুনে পরিবারের রোকজন গিয়ে লাশ সনাক্ত করে।

হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে চরভেলামী গ্রামের বাবুল মিয়া (৩৫) ও সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার আবদুল কাদিরের পুত্র শাহীনকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে।

নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুল ইসলাম মিয়া জানান, হত্যার ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। সন্ধিগ্ধ খুনিদের ধরার জন্য পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।



এ বিভাগের অন্যান্য খবর



নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: খন্দকার আব্দুর রহিম, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: