সর্বশেষ আপডেট : ৪০ মিনিট ২১ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৬ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘প্রকৃত সমুদ্র বিজ্ঞানী পেতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে’

নিউজ ডেস্ক:: বর্তমানে বাংলাদেশে ব্লু-ইকোনমি তথা সমুদ্র সম্পদ অর্থনীতি নিয়ে যে ধরণের গবেষণা বা পড়াশোনা হচ্ছে সেটা থিউরিটিক্যাল বেইজড। এতে করে ব্লু-ইকোনমিকে কাজে লাগানো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান মো. জোবায়ের আলম।

মঙ্গলবার কারওয়ান বাজারে পেট্রোবাংলার সম্মেলন কক্ষে ব্লু-ইকোনোমি নিয়ে এক প্রাক-বাজেট আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সভার আয়োজন করে গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন।

জোবায়ের আলম বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্রবিজ্ঞান নামে একটি বিভাগ খোলা হয়েছে। তবে এ বিভাগে অর্থ বরাদ্দ অত্যন্ত নগণ্য। আমরা বরাবরই বলে আসছি, আমাদের বিভাগে একটা আধুনিক ল্যাব লাগবে। কিন্তু আজ পর্যন্ত সেটা পাইনি। এতে প্রকৃত অর্থে আমরা যে ধরনের গবেষণা করছি, তাতে ব্লু-ইকোনমিকে কাজে লাগানো সম্ভব নয়।

জোবায়ের আলম বলেন, ‘কোনো কিছু পেতে হলে আগে বীজ রোপণ করতে হবে। এক্ষেত্রে বীজ হচ্ছে একাডেমিক শিক্ষা। কিন্তু আমরা একাডেমিক শিক্ষা দিতে পারছি না। ২০১২ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংসদে বলেছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সমুদ্রবিজ্ঞান নামে একটি বিভাগ খোলা হবে। সে বক্তব্যের রেষ ধরেই এ বিভাগটি খোলা হয়। কিন্তু এখনও ভালোমানের শিক্ষা দেয়ার সুযোগ নেই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সমুদ্র থেকে প্রকৃত অর্থে সম্পদ আহরণ করতে চাইলে রিয়েল ওশানোগ্রাফার (সমুদ্র বিজ্ঞানী) তৈরি করতে হবে। রিয়েল ওশানোগ্রাফার তৈরি করবে বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে কখনও সমুদ্র বিজ্ঞানী তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়নি। আমরা যারা সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের দায়িত্বে আছি তারা সমুদ্রবিজ্ঞান বিভাগের কেউ নই। অন্য বিভাগ থেকে পড়াশোনা করে এ বিভাগের দায়িত্ব নিয়েছি।’

‘তবে আমাদের বিভাগ থেকে যে ছেলে-মেয়ারা পড়াশোনা করে বের হবে, তারা হবে রিয়েল ওশানোগ্রাফার। এরা যদি ছয় বছর পড়াশোনা করার পড় দেশ-বিদেশ থেকে গবেষণা করে ডিগ্রি অর্জন করে, তারাই হবে রিয়েল ওশানোগ্রাফার। প্রকৃত অর্থে ২০৩০ সালে রিয়েল (প্রকৃত) সমুদ্র বিজ্ঞানী পাবো।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় বছর আগে একটা বিভাগ খোলা হয়। এরপর নিয়মমাফিক প্রতিবছর আমাদের ১০-১৫ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। এ বরাদ্দে সমুদ্রবিজ্ঞানের প্রকৃত ব্যবহারিক জ্ঞান দেয়া সম্ভব নয়। এর ফলে আমরা ক্লাসে শুধু থিউরিটিক্যাল বই পড়াই। এর ফলে আামাদের জ্ঞানগুলো থিউরিটিক্যালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাচ্ছে। সুতরাং গোড়ায় গলদ থেকে যাচ্ছে। তাই আমরা তাদের নিকট থেকে খুব বেশি কিছু আশা করতে পারবো না।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমুদ্রবিজ্ঞন বিভাগের চেয়ারম্যান বলেন, ‘তারপরও আমাদের চেষ্টার কোনো ত্রুটি নেই। এ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের আর জ্ঞান প্রদানের জন্য আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এমওইউ (সমঝোতা স্মারক) করেছি।’




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: