সর্বশেষ আপডেট : ৪৮ মিনিট ১২ সেকেন্ড আগে
রবিবার, ২৬ মে ২০১৯ খ্রীষ্টাব্দ | ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬ বঙ্গাব্দ |

DAILYSYLHET

‘ফনী’র প্রভাবে সুনামগঞ্জের সীমান্তনদী গুলোর পানি বৃদ্ধি,বন্যার আশংকা


নিউজ ডেস্ক:: ঘূর্ণিঝড় ‘ফনী’র কারনে ভারতের মেঘালয়ে অবিরাম বৃষ্টিপাতের মুখে সারা দেশের ন্যায় সুনামগঞ্জ জেলার সব কয়টি সীমান্তনদীর পানি শনিবার থেকে আকস্মিক বৃদ্ধি পেয়েছে।

শনিবার দিনভর থেমে থেমে ঝড়ে বাতাস বৃষ্টিপাতের কারনে সকাল থেকে জেলার ৯ উপজেলাতেই পল্লী বিদুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। শুক্রবার বিকেল থেকেই মুলত ঝড়ে হাওয়া ও বৃষ্টির প্রভাব পড়তে থাকে জেলার সর্বত্র।

সুনামগঞ্জ পবিসের জেনারেল ম্যানেজার অখিল কুমার সাহা শনিবার রাতে জানান, জেলার জগন্নাথপুর উপজেলায় দিনভর চেষ্টা করেও বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছেনা কারন দিনভর ঝড়ে বাতাস ও বৃষ্টিপাতের প্রবল তোড়ে ৩৩ কেভির বিদ্যুৎ সরবরাহের লাইন একাধিক স্থানে ছিড়ে গেছে।

তিনি আরো বলেন , ফনীর কারনে ঝড়ে হাওয়া ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার তাহিরপুর, জামালগঞ্জ, বিশ্বম্ভরপুর, দক্ষিণ সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজার, দিরাই, শাল্লা ও সদও উপজেলায় শনিবার সকাল থেকে থেমে থেমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলে সন্ধার পরপরই ওই আট উপজেলাতেই বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হয়েছে।

এদিকে বৈরী আবহাওয়ায় জেলা ও বিভিন্ন উপজেলার অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীর উপস্থিতির হার ছিলো যৎসামান্য।
ভারী বৃষ্টি ও ধমকা হাওয়া উপেক্ষা করে জেলা ও উপজেলার বেশ কিছু এলাকাতে চার চাকার যানবাহন রিকশা বা অটোরিশকা, সিএনজি, মোটরসাইকেল এমনকি নৌ পথেও তেমন একটা নৌ যান চলাচল করতে দেখা যায়নি।

এদিকে ‘ফনী’র প্রভাবে জেলার সীমান্ত নদী সুরমা, চলতি, ধোপাজান, তাহিরপুরের জাদুকাঁটা, পাটলাই, দোয়ারবাজারের, খাসিয়ামারা, ছাতকের ছেলা সহ সীমান্তনদী গুলো পানি বৃদ্ধি পেয়েছে শনি- শুক্র গত দু’দিন ধরেই।

নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় হাওরে থাকা অবশিষ্ট বোরো ধান কাঁটা নিয়ে সংশয়ে পড়েছেন হাওর পাড়ের কৃষকরা।

শনিবার রাত সাড়ে ৯টায় সুনামগঞ্জ পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিক ভুঁইয়া জানান জানিয়েছে,ভারতের মেঘালয়ে ফনীর প্রভাবে শনিবার দিনভর এমনকি রাতেও ভারী বৃষ্পিাত হয়েছে যে কারনে এপারের সীমান্ত নদী গুলে তে শনিবার সকাল থেকেই আক্িসনম পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

তিনি আরো বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ৯টা অবধি সুরমানদীর পানি বিপদ সীমার আড়াই ফুট নিচে রয়েছে এরপর যদি রাতভর বৃষ্টিপাত হয় তবে রবিবার ভোরেই পাহাড়ি ঢলের স্রোতের তোড়ে জেলার বোরো ফসলী বাধগুলোকে অতিক্রম করে হাওরে পানি ডুকবে।

শনিবার রাতে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, শনিবার মাত্র ৩ ঘন্টার ব্যবধানে জেলার বিভিন্ন উপজেলার হাওর গুলোতে বেরীবাঁধে নদ-নদীগুলো দেড় ফুটের মত পানি বৃদ্ধি পেয়েছে, এর কারন হল শুক্রবার রাত থেকেও জেলার সীমান্ত লাগোয়া ভারতের মেঘালয় ষ্টেইটে চলতি মৌসুমে ফলনকৃত বোরো জমির ৯০ ভাগ ধান কাটা হয়ে গেছে।

ফনীর প্রভাবে জেলার কোথাও কোন ধরণের হতাহত বা জান মাল ফসলের কোন রকম ক্ষয়-ক্ষতি এখানো হয়নি। তবে কয়েকদিন পুর্বেই জেলা , উপজেলা প্রশাসন এমনকি জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে পুর্বেই মাইকিং করে দ্রুত ধান কাঁটার জন্য কৃষকদের সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে ঘুর্ণীঝড় ফনীর ছোবল থেকে রক্ষা পেতে শুক্রবার জেলা উপজেলার সকল মসজিদে মোনাজাত করা হয়েছে।,




এ বিভাগের অন্যান্য খবর




নোটিশ : ডেইলি সিলেটে প্রকাশিত/প্রচারিত সংবাদ, আলোকচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও বিনা অনুমতিতে ব্যবহার করা বেআইনি -সম্পাদক

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত

২০১১-২০১৭

সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি: মকিস মনসুর আহমদ
সম্পাদক ও প্রকাশক: এ. আর. সাবলু, নির্বাহী সম্পাদক: মারুফ হাসান
অফিস: ৯/আই, ব্লু ওয়াটার শপিং সিটি, ৯ম তলা, জিন্দাবাজার, সিলেট।
ফোন: ০৮২১-৭২৬৫২৭, মোবাইল: ০১৭১৭৬৮১২১৪
ই-মেইল: [email protected]

Developed by: